দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ হওয়ার খবর দেশীয় সংবাদমাধ্যমে
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০২ পিএমআপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০২ পিএম
বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর, সময় টিভি, দৈনিক সময়ের আলোর প্রতিবেদনসহ একাধিক গণমাধ্যমে এ খবর জানিয়েছে। বিষয়টি সরাসরি নিশ্চিত করা যায়নি।
সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার বিকালে কারখানাটিতে শেষ পরিশোধন কার্যক্রম হয়।
দুইজন কর্মকর্তার বরাতে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা ৫ হাজার টন এবং অপরিশোধিত তেলের চারটি ট্যাংকের ডেড স্টক (মজুত ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা অপরিশোধিত তেল) তুলেও পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল।
কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, ইআরএল সাধারণত দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে থাকে। তবে ক্রুড সংকটের কারণে গত মাস থেকেই পরিশোধন কমিয়ে দৈনিক ৩ হাজার ৫০০ টন করা হয়েছিল।
গত ৪ঠা মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যবহারযোগ্য তেলের মজুত ২ হাজার টনের নিচে নেমে এসেছে। কিন্তু তেল সংকটের কারণে আর পরিশোধন সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তারা।
এ ব্যাপারে ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বিপিসি’র চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি।
দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ হওয়ার খবর
দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ হওয়ার খবর দেশীয় সংবাদমাধ্যমে
বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর, সময় টিভি, দৈনিক সময়ের আলোর প্রতিবেদনসহ একাধিক গণমাধ্যমে এ খবর জানিয়েছে। বিষয়টি সরাসরি নিশ্চিত করা যায়নি।
সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার বিকালে কারখানাটিতে শেষ পরিশোধন কার্যক্রম হয়।
দুইজন কর্মকর্তার বরাতে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা ৫ হাজার টন এবং অপরিশোধিত তেলের চারটি ট্যাংকের ডেড স্টক (মজুত ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা অপরিশোধিত তেল) তুলেও পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল।
কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, ইআরএল সাধারণত দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে থাকে। তবে ক্রুড সংকটের কারণে গত মাস থেকেই পরিশোধন কমিয়ে দৈনিক ৩ হাজার ৫০০ টন করা হয়েছিল।
গত ৪ঠা মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যবহারযোগ্য তেলের মজুত ২ হাজার টনের নিচে নেমে এসেছে। কিন্তু তেল সংকটের কারণে আর পরিশোধন সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তারা।
এ ব্যাপারে ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বিপিসি’র চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি।