এ বছরের ফিতরা জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২৮০৫, সর্বনিম্ন ১১০ টাকা

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম

চলতি বছর ঈদুল ফিতরের ফিতরার হার নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এ বছর  জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা এবং সর্বনিম্ন ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।

সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ মতে আটা, যব, কিসমিস, খেজুর ও পনির ইত্যাদি গণ্যগুলোর যে কোন একটি দ্বারা ফিতরা আদায় করা যায়। 

গম বা আটা দ্বারা ফিতরা আদায় করলে ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১১০ টাকা প্রদান করতে হবে। যব দ্বারা আদায় করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা, খেজুর দ্বারা আদায় করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূলা ২৪৭৫ টাকা, কিসমিস দ্বারা আদায় করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২৬৪০ টাকা ও পনির দ্বারা আদায় করলে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২৮০৫ টাকা ফিতরা প্রদান করতে হবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের সকল বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এসব পণ্যের যে কোন একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য দ্বারা সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন। 

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ পণ্যগুলোর স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। সে অনুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে বলেও জানানো হয়। 

সভায় অন্যান্যের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরস এর গর্ভনর মাওলানা মাহফুজুল হক, দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস ড. ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু সালেহ পাটোয়ারী, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কাশেম মোঃ ফজলুল হক, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী ও রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ জামে মসজিদের খতীব মাওলানা মহিউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।