দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধে উদ্বেগ, ইউনূসকে ৫ কংগ্রেসম্যানের চিঠি
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:১০ এএমআপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:৫৫ পিএম
ব্যক্তি অপরাধীর বিচারে মনোযোগ না দিয়ে, কোনও একটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি লিখেছেন মার্কিন কংগ্রেসের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির পাঁচ সদস্য।
একই সাথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ‘ত্রুটিপূর্ণ’ উল্লেখ করে তা পুনরায় চালু করার বিষয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন তারা।
তারা চিঠিতে আশা প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকার অথবা আগামী নির্বাচিত সরকার এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।
চিঠিতে তারা উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরসহ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বিক্ষোভে ১৪০০ মানুষ নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, এসব ঘটনার জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি হলেও তা হতে হবে গণতন্ত্রের আদর্শ মেনে, প্রতিশোধের ধারাবাহিকতায় নয়।
মার্কিন আইনপ্রণেতারা বলেন, সমষ্টিগতভাবে কোনও রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম পুরোপুরি স্থগিত করা মৌলিক মানবাধিকার, বিশেষ করে সংগঠনের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত অপরাধের দায়বদ্ধতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। নির্দিষ্ট অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় চিঠিতে।
মার্কিন এই আইনপ্রণেতারা বলেছেন, বাংলাদেশে মানুষ একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি বেছে নেওয়ার অধিকার রাখে।
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে ‘ক্রিটিকাল’ উল্লেখ করে তারা বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং বাংলাদশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় তারা পাশে থাকবেন।
চিঠিতে সই করেছেন হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির র্যাঙ্কিং মেম্বার গ্রেগরি ডব্লিউ মিকস, চেয়ারম্যান ব্রায়ান জে মাস্ট, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান বিল হুইজেঙ্গাসহ একাধিক কংগ্রেস সদস্য।
দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধে উদ্বেগ, ইউনূসকে ৫ কংগ্রেসম্যানের চিঠি
ব্যক্তি অপরাধীর বিচারে মনোযোগ না দিয়ে, কোনও একটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি লিখেছেন মার্কিন কংগ্রেসের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির পাঁচ সদস্য।
একই সাথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ‘ত্রুটিপূর্ণ’ উল্লেখ করে তা পুনরায় চালু করার বিষয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন তারা।
তারা চিঠিতে আশা প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকার অথবা আগামী নির্বাচিত সরকার এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।
চিঠিতে তারা উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরসহ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বিক্ষোভে ১৪০০ মানুষ নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, এসব ঘটনার জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি হলেও তা হতে হবে গণতন্ত্রের আদর্শ মেনে, প্রতিশোধের ধারাবাহিকতায় নয়।
মার্কিন আইনপ্রণেতারা বলেন, সমষ্টিগতভাবে কোনও রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম পুরোপুরি স্থগিত করা মৌলিক মানবাধিকার, বিশেষ করে সংগঠনের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত অপরাধের দায়বদ্ধতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। নির্দিষ্ট অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় চিঠিতে।
মার্কিন এই আইনপ্রণেতারা বলেছেন, বাংলাদেশে মানুষ একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি বেছে নেওয়ার অধিকার রাখে।
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে ‘ক্রিটিকাল’ উল্লেখ করে তারা বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং বাংলাদশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় তারা পাশে থাকবেন।
চিঠিতে সই করেছেন হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির র্যাঙ্কিং মেম্বার গ্রেগরি ডব্লিউ মিকস, চেয়ারম্যান ব্রায়ান জে মাস্ট, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান বিল হুইজেঙ্গাসহ একাধিক কংগ্রেস সদস্য।