ককরোচ পার্টির বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি

আপডেট : ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:১১ পিএম

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে নয়া দিল্লিতে বিক্ষোভ করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। 

শনিবার সকালে বিক্ষোভ শুরু হতেই ভারতের রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। 

২০২৬ সালের ১৫ই মে ভারতের প্রধান বিচারপতি সুরিয়া কান্ত এক বক্তব্যে দেশটির বেকার যুবকদের 'সমাজের পরজীবি' ও 'তেলাপোকা' হিসেবে সম্বোধন করেন।

এর পরের দিনই অভিজিত দিপকে নামের এক সোশ্যাল মিডিয়া স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রতিষ্ঠা করেন 'ককরোচ জনতা পার্টি'। 

এতোদিন ককরোচ পার্টির কার্যক্রম অনলাইন জগতে নানা রাজনৈতিক ব্যাঙ্গাত্মক ছবি ও ভিডিও শেয়ারের মধ্যে সীমিত থাকলেও এবার মাঠ পর্যায়ে বিক্ষোভে নেমেছে তারা। 

দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদন লেখা হয়েছে, কয়েকদিন আগেই অভিজিত দিপকে ঘোষণা করেছিলেন যে, তিনি একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে যাবেন। ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ প্রধানের পদত্যাগই এই বিক্ষোভের মূল দাবি। ভারতের অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক এনইইটি (ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্র্যান্স টেস্ট) এ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসসহ নানা ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটির অভিযোগে এই দাবি উঠেছে।

শিক্ষা সংস্কার ও পরিবেশ বিষয়ক অধিকারকর্মী সোনাম ওয়াংচুক এই বিক্ষোভের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, ৫ই জুনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করলে তিনিও অভিজিত দিপকের সাথে এই বিক্ষোভে যোগ দিবেন। 

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এসে সমর্থকদের উদ্দেশে ভাষণ দেন দিপকে। তিনি বলেন, "বন্ধুরা, এটি একটি লম্বা সংগ্রাম। আমরা এক মাস ধরে সামাজিক মাধ্যমে প্রধানের পদত্যাগের দাবি তুলে আসছি। তবে এই ব্যক্তিরা এতটাই নির্লজ্জ, যে তারা এ বিষয়ে পদক্ষেপ না নিয়ে আমাদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা এবং পোস্ট ডিলিট করানো নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে। তোমরা হয়তো আমাদের পোস্ট ডিলিট করতে পারবে, তবে আমাদের মুছে ফেলতে পারবে না।"

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে নয়া দিল্লির জন্তর মন্তর এলাকায় শত শত বিক্ষোভকারীদের সজোরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান তুলতে দেখা যায়।