বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ২ বিলিয়ন ডলারে নিতে চায় তুরস্ক
বৈঠকে ঢাকা-আঙ্কারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, অবকাঠামো, তৈরি পোশাক খাত, স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:১১ পিএমআপডেট : ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান (বাঁয়ে) ও ড
বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চায় তুরস্ক। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি অবকাঠামো ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা আরও বাড়াতে আগ্রহী দেশটি।
ঢাকা সফরের দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
বৈঠকে ঢাকা-আঙ্কারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, অবকাঠামো, তৈরি পোশাক খাত, স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের জন্য তুরস্কের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানান ড. খলিলুর রহমান। টেক্সটাইল, প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদন, হাসপাতাল সরঞ্জামসহ বিভিন্ন খাতে তুরস্কের সহযোগিতাও চান তিনি।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেবে। বাংলাদেশ কূটনৈতিক সামঞ্জস্যতায় বিশ্বাস করে এবং পৃথিবীর সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি দেশের সার্বভৌমত্ব, মানুষের শান্তি ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ তুরস্কের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে বিভিন্ন খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এগিয়ে নিতে প্রস্তুত। বৈঠকে বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের জয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গুরুত্বের প্রমাণ। বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায়ও বাংলাদেশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তুরস্ক বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চায়। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা শিল্প, চিকিৎসা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্ক।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাকান ফিদান বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মানবিকতা দেখিয়েছে। এই সংকট সমাধানে তুরস্ক আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
সফরের অংশ হিসেবে তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সেখানে তুরস্ক পরিচালিত হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন বলেও জানান।
বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ২ বিলিয়ন ডলারে নিতে চায় তুরস্ক
বৈঠকে ঢাকা-আঙ্কারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, অবকাঠামো, তৈরি পোশাক খাত, স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চায় তুরস্ক। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি অবকাঠামো ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা আরও বাড়াতে আগ্রহী দেশটি।
ঢাকা সফরের দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
বৈঠকে ঢাকা-আঙ্কারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, অবকাঠামো, তৈরি পোশাক খাত, স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের জন্য তুরস্কের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানান ড. খলিলুর রহমান। টেক্সটাইল, প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদন, হাসপাতাল সরঞ্জামসহ বিভিন্ন খাতে তুরস্কের সহযোগিতাও চান তিনি।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেবে। বাংলাদেশ কূটনৈতিক সামঞ্জস্যতায় বিশ্বাস করে এবং পৃথিবীর সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি দেশের সার্বভৌমত্ব, মানুষের শান্তি ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ তুরস্কের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে বিভিন্ন খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এগিয়ে নিতে প্রস্তুত। বৈঠকে বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের জয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গুরুত্বের প্রমাণ। বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায়ও বাংলাদেশের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তুরস্ক বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চায়। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা শিল্প, চিকিৎসা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্ক।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাকান ফিদান বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মানবিকতা দেখিয়েছে। এই সংকট সমাধানে তুরস্ক আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
সফরের অংশ হিসেবে তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সেখানে তুরস্ক পরিচালিত হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন বলেও জানান।
বিষয়: