বাংলাদেশসহ ৫৯টি দেশ ও ইইউ’র ওপর অতিরিক্ত শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ জানিয়েছে, ট্রেড অ্যাক্ট ১৯৭৪-এর সেকশন ৩০১-এর আওতায় তদন্ত করে দেখা গেছে, এসব দেশগুলোর নীতি ও পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর অযৌক্তিক চাপ তৈরি করছে এবং মার্কিন বাণিজ্যকে সীমিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ১১:২২ এএমআপডেট : ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ ও কার্যকরভাবে তা বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগে বাংলাদেশসহ ৫৯টি দেশ ও ইইউ’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার ট্রাম্প প্রশাসন ৬০টি দেশ থেকে আমদানিকৃত বিভিন্ন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ অথবা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের এই বিতর্কিত প্রস্তাবটি দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ বা ইউএসটিআর জানিয়েছে, ট্রেড অ্যাক্ট ১৯৭৪-এর সেকশন ৩০১-এর আওতায় তদন্ত করে দেখা গেছে, এসব দেশগুলোর নীতি ও পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর অযৌক্তিক চাপ তৈরি করছে এবং মার্কিন বাণিজ্যকে সীমিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
তদন্তের ভিত্তিতে ইউএসটিআর বলছে, জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানির বিরুদ্ধে কার্যকর নিষেধাজ্ঞা না থাকা বা তা যথাযথভাবে প্রয়োগ না করা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের জন্য ক্ষতিকর। ফলে বিষয়টি নিয়ে ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১(বি)-এর আওতায় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে ইউএসটিআর ‘Acts, Policies, and Practices of Various Economies Related to the Failure to Impose and Effectively Enforce a Prohibition on the Importation of Goods Produced with Forced Labor’ শিরোনামে একটি বিস্তৃত প্রতিবেদনও তৈরি করেছে।
ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাম্বাসেডর জ্যামিসন গ্রিয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদাররা জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, “আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদাররা জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে-এটি অগ্রহণযোগ্য। এর ফলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যেখানে মার্কিন শ্রমিকদের বৈশ্বিক বাজারে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে।”
যুক্তরাষ্ট্র আর এই বৈষম্য সহ্য করবে না উল্লেখ করে গ্রিয়ার আরও বলেন, কিছু বাণিজ্য অংশীদার জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি ঠেকাতে প্রাথমিক পদক্ষেপ নিয়েছে। তাদের আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে, যাতে বৈশ্বিক বাণিজ্য জোরপূর্বক শ্রমকে উৎসাহিত বা স্থায়ী না করে।
বাড়তি শুল্কের প্রস্তাব
ইউএসটিআর প্রস্তাব অনুযায়ী, তদন্তাধীন অর্থনীতিগুলোর সব পণ্যের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। তবে ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে যেসব পণ্য বা ক্ষেত্র বাদ রাখা হয়েছে, সেগুলো এই প্রস্তাবের বাইরে থাকবে।
যেসব অর্থনীতি জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, অথবা পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, অথবা আংশিকভাবে এমন ব্যবস্থা নিয়েছে যার ফলে কিছু জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি ঠেকানো যায়, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্কের হার প্রস্তাব করা হয়েছে ১০ শতাংশ।
অন্যদিকে, যেসব অর্থনীতি এমন কোনো কার্যকর নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিশ্রুতির আওতায় নেই, তাদের পণ্যের ওপর ১২.৫ শতাংশ বাড়তি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নিয়ে যা বলছে ইউএসটিআর
বাংলাদেশ সম্পর্কেও ইউএসটিআরের তদন্তে আলাদা পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।
ইউএসটিআর বলছে, এই ব্যর্থতা অযৌক্তিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করে বা বাণিজ্যকে সীমিত করে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) এর আওতায় জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে কিছু প্রতিশ্রুতি নিয়েছে।
এ কারণে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত অতিরিক্ত শুল্কের হার ১০ শতাংশের আওতায় পড়তে পারে।
কারণ ইউএসটিআরের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যেসব অর্থনীতি পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তাদের জন্য ১০ শতাংশ বাড়তি শুল্ক প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাংলাদেশসহ ৫৯টি দেশ ও ইইউ’র ওপর অতিরিক্ত শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ জানিয়েছে, ট্রেড অ্যাক্ট ১৯৭৪-এর সেকশন ৩০১-এর আওতায় তদন্ত করে দেখা গেছে, এসব দেশগুলোর নীতি ও পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর অযৌক্তিক চাপ তৈরি করছে এবং মার্কিন বাণিজ্যকে সীমিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ ও কার্যকরভাবে তা বাস্তবায়নে ব্যর্থতার অভিযোগে বাংলাদেশসহ ৫৯টি দেশ ও ইইউ’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার ট্রাম্প প্রশাসন ৬০টি দেশ থেকে আমদানিকৃত বিভিন্ন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ অথবা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের এই বিতর্কিত প্রস্তাবটি দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ বা ইউএসটিআর জানিয়েছে, ট্রেড অ্যাক্ট ১৯৭৪-এর সেকশন ৩০১-এর আওতায় তদন্ত করে দেখা গেছে, এসব দেশগুলোর নীতি ও পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর অযৌক্তিক চাপ তৈরি করছে এবং মার্কিন বাণিজ্যকে সীমিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
তদন্তের ভিত্তিতে ইউএসটিআর বলছে, জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানির বিরুদ্ধে কার্যকর নিষেধাজ্ঞা না থাকা বা তা যথাযথভাবে প্রয়োগ না করা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের জন্য ক্ষতিকর। ফলে বিষয়টি নিয়ে ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ৩০১(বি)-এর আওতায় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে ইউএসটিআর ‘Acts, Policies, and Practices of Various Economies Related to the Failure to Impose and Effectively Enforce a Prohibition on the Importation of Goods Produced with Forced Labor’ শিরোনামে একটি বিস্তৃত প্রতিবেদনও তৈরি করেছে।
ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাম্বাসেডর জ্যামিসন গ্রিয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদাররা জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, “আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদাররা জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে-এটি অগ্রহণযোগ্য। এর ফলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যেখানে মার্কিন শ্রমিকদের বৈশ্বিক বাজারে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে।”
যুক্তরাষ্ট্র আর এই বৈষম্য সহ্য করবে না উল্লেখ করে গ্রিয়ার আরও বলেন, কিছু বাণিজ্য অংশীদার জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি ঠেকাতে প্রাথমিক পদক্ষেপ নিয়েছে। তাদের আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে, যাতে বৈশ্বিক বাণিজ্য জোরপূর্বক শ্রমকে উৎসাহিত বা স্থায়ী না করে।
বাড়তি শুল্কের প্রস্তাব
ইউএসটিআর প্রস্তাব অনুযায়ী, তদন্তাধীন অর্থনীতিগুলোর সব পণ্যের ওপর বাড়তি শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। তবে ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে যেসব পণ্য বা ক্ষেত্র বাদ রাখা হয়েছে, সেগুলো এই প্রস্তাবের বাইরে থাকবে।
যেসব অর্থনীতি জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, অথবা পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, অথবা আংশিকভাবে এমন ব্যবস্থা নিয়েছে যার ফলে কিছু জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি ঠেকানো যায়, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্কের হার প্রস্তাব করা হয়েছে ১০ শতাংশ।
অন্যদিকে, যেসব অর্থনীতি এমন কোনো কার্যকর নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিশ্রুতির আওতায় নেই, তাদের পণ্যের ওপর ১২.৫ শতাংশ বাড়তি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নিয়ে যা বলছে ইউএসটিআর
বাংলাদেশ সম্পর্কেও ইউএসটিআরের তদন্তে আলাদা পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে।
ইউএসটিআর বলছে, এই ব্যর্থতা অযৌক্তিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করে বা বাণিজ্যকে সীমিত করে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) এর আওতায় জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে কিছু প্রতিশ্রুতি নিয়েছে।
এ কারণে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত অতিরিক্ত শুল্কের হার ১০ শতাংশের আওতায় পড়তে পারে।
কারণ ইউএসটিআরের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যেসব অর্থনীতি পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তাদের জন্য ১০ শতাংশ বাড়তি শুল্ক প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিষয়: