প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএমআপডেট : ০১ জুন ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
তোফায়েল আহমেদ।
সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মাগরিবের নামাজের পর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আলাপ-কে জানিয়েছেন তোফায়েল আহেমেদের ব্যক্তিগত সহকারী আবুল খায়ের।
মৃত্যুকালে তোফায়েল আহমেদের বয়স হয়েছিলো ৮২ বছর।
উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন তোফায়েল আহমেদ।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২এ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন। ১৯৬৮-৬৯ সালে ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬৯ সালের ২৩এ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে “বঙ্গবন্ধু” উপাধি দেওয়ার ঘোষণা দেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের এই নেতা।
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে তিনি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ই অগাস্টের পর এবং ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে গ্রেপ্তার হন। ২০০৭ সালের রাজনৈতিক সংকটের সময় আওয়ামী লীগের সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলী ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত হলে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান।
তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন
সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মাগরিবের নামাজের পর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আলাপ-কে জানিয়েছেন তোফায়েল আহেমেদের ব্যক্তিগত সহকারী আবুল খায়ের।
মৃত্যুকালে তোফায়েল আহমেদের বয়স হয়েছিলো ৮২ বছর।
উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন তোফায়েল আহমেদ।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২এ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন। ১৯৬৮-৬৯ সালে ডাকসুর ভিপি হিসেবে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬৯ সালের ২৩এ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে “বঙ্গবন্ধু” উপাধি দেওয়ার ঘোষণা দেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের এই নেতা।
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে তিনি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ই অগাস্টের পর এবং ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে গ্রেপ্তার হন। ২০০৭ সালের রাজনৈতিক সংকটের সময় আওয়ামী লীগের সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলী ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত হলে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান।
বিষয়: