পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ইরানকে সামরিক সহায়তার অভিযোগ, ইসলামাবাদের নাকচ
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১২:৫৩ পিএমআপডেট : ১২ মে ২০২৬, ০১:০২ পিএম
ছবি: পাকিস্তানের নূর খান এয়ার বেইজ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সংকটে মধ্যস্থতাকারী হয়েও পাকিস্তান গোপনে ইরানের সামরিক বিমান নিজেদের ঘাঁটিতে আশ্রয় দিয়েছিল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের বরাতে এই খবর দিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।
প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়, চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার কিছুদিন পরই ইসলামাবাদ ইরানের সামরিক বিমানগুলোকে নিজেদের বিমানঘাঁটিতে রাখার অনুমতি দেয়। সম্ভাব্য মার্কিন হামলা থেকে রক্ষা করাই ছিলো আশ্রয় দেওয়ার উদ্দেশ্যে।
এতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে পাকিস্তানের ‘নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী’ অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ একদিকে পাকিস্তান কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলছিল, অন্যদিকে তেহরানকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের কয়েকটি সামরিক বিমান রাওয়ালপিন্ডির কাছে নূর খান এয়ারবেইজে রাখা হয়েছিল। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দাবি, বিমানগুলোকে এমনভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল যেন সেগুলো মার্কিন বিমান হামলার আওতায় না পড়ে।
যদিও পাকিস্তান এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। ডনের খবর অনুযায়ী, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিবিএসের প্রতিবেদনকে ‘বিভ্রান্তিকর’ ও ‘অতিরঞ্জিত” বলে অভিহিত করেছে। ইসলামাবাদের দাবি, তারা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষেই কাজ করছে।
চলমান সংঘাতে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালন করছে। ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাবও পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা এবং ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার মধ্যে এই অভিযোগ নতুন কূটনৈতিক বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ইরানকে সামরিক সহায়তার অভিযোগ, ইসলামাবাদের নাকচ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সংকটে মধ্যস্থতাকারী হয়েও পাকিস্তান গোপনে ইরানের সামরিক বিমান নিজেদের ঘাঁটিতে আশ্রয় দিয়েছিল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের বরাতে এই খবর দিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।
প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়, চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার কিছুদিন পরই ইসলামাবাদ ইরানের সামরিক বিমানগুলোকে নিজেদের বিমানঘাঁটিতে রাখার অনুমতি দেয়। সম্ভাব্য মার্কিন হামলা থেকে রক্ষা করাই ছিলো আশ্রয় দেওয়ার উদ্দেশ্যে।
এতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে পাকিস্তানের ‘নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী’ অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ একদিকে পাকিস্তান কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলছিল, অন্যদিকে তেহরানকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের কয়েকটি সামরিক বিমান রাওয়ালপিন্ডির কাছে নূর খান এয়ারবেইজে রাখা হয়েছিল। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দাবি, বিমানগুলোকে এমনভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল যেন সেগুলো মার্কিন বিমান হামলার আওতায় না পড়ে।
যদিও পাকিস্তান এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। ডনের খবর অনুযায়ী, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিবিএসের প্রতিবেদনকে ‘বিভ্রান্তিকর’ ও ‘অতিরঞ্জিত” বলে অভিহিত করেছে। ইসলামাবাদের দাবি, তারা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষেই কাজ করছে।
চলমান সংঘাতে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালন করছে। ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাবও পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা এবং ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার মধ্যে এই অভিযোগ নতুন কূটনৈতিক বিতর্ক তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।