হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হচ্ছে ফরাসি বিমানবাহী রণতরী
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএমআপডেট : ০৭ মে ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
পারমাণবিক শক্তিচালিত একটি ফরাসি বিমানবাহী রণতরী হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রণতরীটির নাম “শার্ল দ্য গল”। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক রিপোর্ট থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌচলাচল পুনরায় চালু করতে একটি প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের প্রস্তুতি চলছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রো এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এই মিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
অভিযানের অংশ হিসেবেই এই ফরাসি বিমানবাহী রণতরী সুয়েজ খালের দক্ষিণে লোহিত সাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।। অভিযানটি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক বলে তারা দাবি করেন। একইসঙ্গে রণতরীটি যুদ্ধ শেষ হলেই কেবল মোতায়েন করা হবে জানান তারা।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রো আরও বলেন “ অভিযানটি জাহাজ মালিক এবং বীমাকারীদের মধ্যে আস্থা পুনরুদ্ধারে সাহায্য করতে পারে”।
তিনি এটিও দাবি করেন যে অভিযানটি যুদ্ধরত পক্ষগুলো থেকে আলাদা থাকবে।
ফ্রান্স এই মিশনটিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের জন্য একটি লাভজনক সমাধান হিসেবে তুলে ধরেছে। এতে তাদের একটি চুক্তিতে আসতে উৎসাহিত করা যাবে বলে আশা করছেন।
হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হচ্ছে ফরাসি বিমানবাহী রণতরী
পারমাণবিক শক্তিচালিত একটি ফরাসি বিমানবাহী রণতরী হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রণতরীটির নাম “শার্ল দ্য গল”। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক রিপোর্ট থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌচলাচল পুনরায় চালু করতে একটি প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের প্রস্তুতি চলছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রো এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এই মিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
অভিযানের অংশ হিসেবেই এই ফরাসি বিমানবাহী রণতরী সুয়েজ খালের দক্ষিণে লোহিত সাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।। অভিযানটি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক বলে তারা দাবি করেন। একইসঙ্গে রণতরীটি যুদ্ধ শেষ হলেই কেবল মোতায়েন করা হবে জানান তারা।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রো আরও বলেন “ অভিযানটি জাহাজ মালিক এবং বীমাকারীদের মধ্যে আস্থা পুনরুদ্ধারে সাহায্য করতে পারে”।
তিনি এটিও দাবি করেন যে অভিযানটি যুদ্ধরত পক্ষগুলো থেকে আলাদা থাকবে।
ফ্রান্স এই মিশনটিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের জন্য একটি লাভজনক সমাধান হিসেবে তুলে ধরেছে। এতে তাদের একটি চুক্তিতে আসতে উৎসাহিত করা যাবে বলে আশা করছেন।