প্রতিশ্রুতির মঞ্চ থেকে অর্থনীতির কঠিন সমীকরণের সামনে তারেক রহমান

ক্ষমতার হাত ছোঁয়া দূরত্বে দাঁড়ানো তারেক রহমানকে সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ অর্থনীতির গতি ফেরানো। এ অবস্থায় তারেক রহমান জানিয়েছেন, কোনো একটি বিশেষ মহলকে সুযোগ দিতে চায় না বিএনপি।

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪২ পিএম

তারেক রহমানের জন্য রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন যতটা নাটকীয় ছিল, অর্থনীতিতে প্রত্যাবর্তন হতে যাচ্ছে ততটাই কঠিন। কারণ বক্তৃতার মঞ্চে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সহজ হলেও বাজেটের খাতায় সংখ্যা মেলানো বেশ কঠিন।

উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি, স্থবির ব্যবসা বাণিজ্য, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, বাড়তে থাকা ঋণচাপ, পে স্কেল ও সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংকের মতো অবাঞ্ছিত দায়- সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে এক জটিল সন্ধিক্ষণে।

এই প্রেক্ষাপটে ক্ষমতার হাত ছোঁয়া দূরত্বে দাঁড়ানো তারেক রহমানের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ অর্থনীতির গতি ফেরানো।

ইতোমধ্যেই ওয়াদা করা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, স্বাস্থ্য সেবা, এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ সকল ধর্মগুরুদের জন্য সম্মানী ভাতা প্রবর্তনের বড় চাপ।

সব মিলে তিনি কি পারবেন রাজনৈতিক গতিকে অর্থনৈতিক স্থিতিতে রূপ দিতে?

নাকি জনআস্থার উচ্চ প্রত্যাশা অর্থনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়বে?

বিশ্লেষকরা বলছেন তারেক রহমানের সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো অপেক্ষা করছে, সেগুলো কেবল নীতিগত নয়; কাঠামোগতও।

আর এখানে তারেক রহমানের সঙ্গে হওয়া ব্যবসায়িদের সাম্প্রতিক বৈঠকটির বিষয়টি সামনে এনে নিট পোশাক রপ্তানি খাতের উদ্যোক্তা ও বিকেএমইএর সাবেক প্রেসিডেন্ট ফজলুল হক শোনাচ্ছেন আশার বাণী।

“আমরা ব্যবসায়ীরা নির্বাচনের আগে তারেক রহমানকে আমাদের সমস্যার কথা জানিয়েছিলাম। বিশেষ করে আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি করা, জনজীবন-ব্যবসায় মব কালচার নিয়ন্ত্রণ করা, ব্যাংক খাত পুনর্গঠন, সুদের হার কমানো, জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানো, সুশাসন নিশ্চিত করা ইত্যাদি বিষয়ে তিনি খুবই আন্তরিক,” আলাপকে বলেছেন তিনি।

নির্বাচনে জয়ের পর শনিবারের তারেক রহমান তার প্রথম সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি প্রসঙ্গে।

তিনি বলেন, “যে কোনো মূল্যে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা আমরা মেনে নেবো না।”

আর ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনায় মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে অর্থনীতি পরিচালনার কথা বলেন তিনি। তার ভাষায়, “আমরা এমন একটি ইকোনমি ইনক্রিজ করতে চাই যেখানে সবাই সবার যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে ব্যবসা বাণিজ্য সব কিছু করতে পারবে।”

“কোনো একটি বিশেষ মহলকে আমরা সুযোগ দিতে চাই না,” বলেছেন তারেক রহমান।

উচ্চ মূল্যস্ফীতি: জনআস্থার প্রথম পরীক্ষা

শেষ তিন মাস ধরেই চড়তে শুরু করেছে উচ্চ মূল্যস্ফীতির পারদ। যা গত কয়েক বছর ধরেই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ক্ষয় করেছে।

বাজারে সরবরাহ ঘাটতি, আমদানিনির্ভরতা এবং মুদ্রানীতির সীমাবদ্ধতা সব মিলিয়ে মূল্য নিয়ন্ত্রণ এখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সবচেয়ে বড় ইস্যু।

দ্রুত ফল দেখাতে না পারলে জনআস্থা নড়ে যেতে পারে। তাই কেবল প্রশাসনিক অভিযান নয়, সরবরাহ শৃঙ্খল সংস্কার ও উৎপাদন বাড়ানোর নীতিই হবে মূল চাবিকাঠি।

তবে এ কাজ খুব একটা সহজ হবে না বলেই মনে করছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।

“অনেক দিন ধরেই মূল্যস্ফীতি অনেক ওপরে রয়েছে। মাঝে কমতে শুরু করলেও সেটা আবার বাড়ছে। বর্তমান মূল্যস্ফীতি সাময়িক নয়, এটি কাঠামোগত রূপ নিয়েছে। এটা কমিয়ে আনাটা তাই সহজ হবে না।”

তবে সঠিক পদক্ষেপ নেয়া গেলে বাজার মনিটরিং এর সঙ্গে সরবরাহ শৃঙ্খল সংস্কার ও উৎপাদন বাড়ানোর গেলে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমিয়ে আনা যাবে বলেই মনে করছেন এই অর্থনীতিবিদ।

নতুন কর্মসংস্থান তৈরির পুরোনো চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী সম্ভাবনা, আবার ঝুঁকিও। প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। অথচ যুব বেকারত্বের হার বর্তমানে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক নতুন কর্মপ্রার্থী শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। শিল্পায়ন, এসএমই খাতের সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিভিত্তিক খাতে বিনিয়োগ ছাড়া টেকসই কর্মসংস্থান সম্ভব নয়। অন্যথায় বেকারত্ব সামাজিক অস্থিরতায় রূপ নিতে পারে।

এদিকে নির্বাচনি প্রচারণার শেষ দিনে তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, জনগণের ভোটে দেশ পরিচালনা করার সুযোগ পেলে পাঁচ বছরে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান করে দেওয়া হবে।

তবে অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন মনে করেন তারেক রহমান ও বিএনপি সরকারের জন্য নতুন কর্মস্থান সৃষ্টি করাটা সহজ হবে না।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ আলাপকে বলেন, “গত দেড় বছরে সেভাবে কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি। এর আগে থেকেও বিপুল বেকার ছিল। নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হয়নি, বিনিয়োগ নেই এই অবস্থায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাটা নতুন সরকারের জন্য কঠিন কাজ হবে।” 

বৈদেশিক বিনিয়োগ আনা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা অনেক আশার গান শোনালেও গত দেড় বছরে সেভাবে দেশে আসেনি কোনো বিনিয়োগ।

ব‍্যবসা বাণিজ্যে প্রাণ ফেরানোর জন্য আবার বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়ানোটা হবে তারেক রহমানের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। যে জন্য আবার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক করতে হবে বলে মনে করছেন ফজলুল হক।

এই ব্যবসায়ী নেতার ভাষায়, “বিএনপি এখন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। তিনি (তারেক রহমান) এখন দেশ পরিচালনা করবেন। আমি মনে করি, তিনি এখন আমাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারবেন। এ জন্য বিনিয়োগ আনতে হবে। তার জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করতে হবে। নয়তো আস্থা ফেরানো যাবে না।”

তারেক রহমান অবশ্য তার নির্বাচনি প্রচারণায় অর্থনীতির উন্নয়নে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন।

তিনি বলেছিলেন, “আমরা দেশে বিনিয়োগকারীদেরকে উৎসাহিত করব, বিদেশ থেকে বিনিয়োগকারীদেরকে আমরা আমন্ত্রণ জানাব, দেশে মিল কারখানা তৈরির মাধ্যমে যেমন আমরা বেকার সমস্যার সমাধান করব।”

স্থবির হওয়া ব‍্যবসায় প্রাণ ফেরানো

স্থবির বা মন্দাগ্রস্ত ব্যবসায়ে প্রাণ ফেরাতে ঋণের সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করা, ঋণের কিস্তি পরিশোধে বিশেষ ছাড়, সাপ্লাই চেইন বা মালামাল খালাসের প্রতিবন্ধকতা যেমন বন্দর বা পরিবহন ধর্মঘটের মতো সমস্যাগুলো সমাধান করাটা জরুরি বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

এ নিয়ে বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, “দেশের ব্যবসা বাণিজ্য অনেক দিন ধরেই  স্বাভাবিক জীবনে নেই। এ অবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রেখে যাওয়া নড়বড়ে ব্যাংক খাত ঠিক করে ব্যবসায়িদের জন্য ঋণ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।”

আরেকটু বিশ্লেষণ করে তিনি আলাপকে বলেন,“একদিকে সুদের হার বাড়তি। অন্যদিকে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদের হারের কারণে নতুন করে কেউ ঋণ নিতে আগ্রহী নয়। অন্যদিকে ব্যাক টু ব্যাক এলসি বন্ধ রয়েছে। এর ফলে নির্ধারিত সময়ে আমরা পণ্য আমদানি করতে পারছি না।”

ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা

আর্থিক খাত শক্ত না হলে বেসরকারি বিনিয়োগও বাড়বে না বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরাও।

খেলাপি ঋণ, দুর্বল সুশাসন এবং তারল্য ঘাটতি ব্যাংক খাতকে অস্থির করেছে। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ঋণ ব্যবস্থাপনা ও কঠোর নজরদারি ছাড়া স্থিতি ফেরানোটা কঠিন হবে আগামীর সরকারের জন্যও।

এ নিয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, “খেলাপি ঋণের পরিমাণ জানা গেছে। কিন্তু সেটা উদ্ধারে ব্যবস্থা নেয়া যায়নি। ঋণের ফাঁদে রয়েছে অর্থনীতি। যা ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি।

এদিকে সুদের হার বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কমেছে, বৈষম্য বেড়েছে।

ব্যাংকিং খাতের স্বচ্ছতার ঘাটতি, রপ্তানি স্থবিরতা, রাজস্ব-জিডিপি পতন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।

সবমিলে বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে সংগ্রাম চলছে, তাতে বিএনপি সরকারের জন্য ব্যাংকিং সেক্টরে স্বচ্ছতাসহ স্থিতিশীলতা ফেরানো কঠিন হবে বলেই মনে করছেন এই অর্থনীতিবিদ।

রাজস্ব ঘাটতির মাঝে প্রতিশ্রুতির চ্যালেঞ্জ

চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই–ডিসেম্বর) শুল্ক–কর আদায়ে ঘাটতি প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা। প্রতিবছরের মতো এবারও শুল্ক–কর আদায়ের ঘাটতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এর মধ্যে তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলো ব্যয় বাড়াবে আগামীর বাজেটে।

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, স্বাস্থ্য সেবা, এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ সকল ধর্মগুরুদের জন্য সম্মানী ভাতা বাস্তবায়ন বড় চাপ সৃষ্টি করবে।

তা ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ঘোষণা করা সরকারি চাকরিজীবীদের পে স্কেল বাস্তবায়ন এবং পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে নতুন সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংকের জন্য ফান্ড বের করা তারেক রহমানের জন্য নিশ্চিত ভাবেই বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করবে বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

এই সংকট কাটিয়ে সরকার তার রাজস্ব আয় না বাড়াতে পারলে সরকারি চাকুরিজীবিদের বেতন ভাতার অর্থ পরিশোধে ‘ধার-কর্জ’ করতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন জাহিদ হোসেন।

“উন্নয়ন ব্যয় ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বজায় রাখতে হলে রাজস্ব বাড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই। কর ফাঁকি রোধ, ডিজিটাল নজরদারি এবং কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা এগুলো রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর হলেও অপরিহার্য” আলাপকে বলেছেন তিনি।

ভর্তুকির ভার

আমদানিনির্ভর জ্বালানি কাঠামো বাজেটে ভর্তুকির বোঝা বাড়িয়েছে। একদিকে দাম সমন্বয় করলে জনগণের ওপর চাপ, অন্যদিকে ভর্তুকি বাড়ালে বাজেট ঘাটতি। 
দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও স্থানীয় উৎস অনুসন্ধান ছাড়া সমাধান টেকসই হবে না।

অন্যদিকে আইএমএফসহ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের সংস্কার শর্ত বাস্তবায়ন করতে গেলে ভর্তুকি, বিনিময় হার ও রাজস্বনীতিতে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার এই টানাপড়েন হবে তারেক রহমানের সরকারের বড় পরীক্ষা।

এলডিসি উত্তরণ ও বাণিজ্য বাস্তবতা

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ মানে শুল্ক সুবিধা ধীরে ধীরে কমে যাওয়া। তৈরি পোশাকনির্ভর রপ্তানি কাঠামোতে বৈচিত্র্য না আনলে প্রতিযোগিতা কঠিন হবে।

আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি ও নতুন বাজার অনুসন্ধান তাই এখন কৌশলগত অগ্রাধিকার।

ফজলুল হক বলেন, “রপ্তানিতে আমাদের অনেক সমস্যা রয়েছে। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পিছিয়ে দেওয়া যায় কি না। আমরাও ভারত-ইইউ চুক্তির বিপরীতে কাউন্টার চুক্তি করতে পারি কি না, আমাদের সক্ষমতা কীভাবে বাড়ানো যায় ইত্যাদি নিয়ে তিনি কাজ করতে পারেন “

ব্যবসায়িদের এমন অনুরোধ মেনে বিএনপি কি এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পেছানোর আবেদন করবে নাকি ভিন্ন কিছু ভাববে সেটা দেখার অপেক্ষা।

সরকার পরিচালনায় অন্তবর্তীকালীন সরকারের ব্যবসায়িদের দূরে সরিয়ে রাখা বিষয়েও আফসোস প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, “আমাদের কথা শুনতে পারেন। আমরা বলছি না আমাদের কথাই বাস্তবায়ন করবেন। আমরা অন্তত বলতে চাই, সিদ্ধান্ত সরকারই নিক।”

রাষ্ট্র পরিচালনায় সবচেয়ে বড় লড়াই হয় সংখ্যার সঙ্গে নয়, আস্থার সঙ্গে। আর সেই আস্থাই হবে সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্বের প্রথম ও সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা।

সেই আস্থা তারেক রহমান ফেরাতে পারলে ঘুরতে শুরু করবে অর্থনীতির চাকাও।