পাঁচ মাসে তারেক রহমান সরকারের পাঁচ সাফল্যের কথা জানালেন মাহ্দী আমিন
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএমআপডেট : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৬ পিএম
সংবাদ সম্মেলনে পিএমও মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১৫০ দিন বা পাঁচ মাস পূর্ণ করেছে। এ সময়ে স্বচ্ছতা, সুশাসন, জনকল্যাণ ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করেছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।
রবিবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচিত সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
মাহ্দী আমিন বলেন, “গত পাঁচ মাসে জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও সমর্থন অর্জন, নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বার্থ রক্ষা, স্বল্প সময়ে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অনবদ্য সাফল্য, জনগণের স্বাধীনতা ও দেশের সার্বভৌমত্বকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং গণমানুষের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্ব- এই পাঁচটি দিক দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে।”
তার ভাষ্য, “বিগত দিনের ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামো পুনরুদ্ধারের ম্যান্ডেট পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি মানুষের আস্থার চূড়ায় অবস্থান করছেন।”
মাহ্দী আমিন আরও বলেন, জনগণের সরাসরি ভোটে দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ এবং উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় সাশ্রয়ী ও দুর্নীতিমুক্ত পর্যালোচনার মাধ্যমে সুশাসনের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে।
গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য প্রতিটি দিনই জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের সুযোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের প্রতিটি মুহূর্ত দায়িত্ব ও জবাবদিহিতার পরীক্ষা। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসই যেকোনো সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই সরকারের প্রতিটি উদ্যোগ, অর্জন, সংস্কার ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করাকে সরকার নৈতিক দায়িত্ব মনে করে।
একই সঙ্গে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ও লুট হওয়া স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত পুনর্গঠনের কাজ চলছে বলেও জানান পিএমও মুখপাত্র।
তিনি বলেন, স্বল্প সময়ে অর্জিত সাফল্যের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারের কার্যক্রমের চূড়ান্ত বিচারক জনগণ। তাদের আস্থা, সমর্থন ও গঠনমূলক মতামতই সরকারের আগামী দিনের পথচলার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।
সংবাদ সম্মেলনে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, দুই বছর আগে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের কণ্ঠ রোধ করতে তৎকালীন সরকার গুলি চালিয়ে হত্যার পথ বেছে নিয়েছিল। রংপুরের আবু সাঈদ, চট্টগ্রামের ওয়াসিম আকরাম, ঢাকার ফারহান ফাইয়াজসহ অসংখ্য শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ আন্দোলনকে আরও বেগবান করে।
সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে সেই আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং তৎকালীন সরকারের পতন ঘটে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পিএমও মুখপাত্র বলেন, এরপর দীর্ঘ ১৬ বছর গুম, হত্যা, হামলা, মিথ্যা মামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার বিএনপি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেয়।
সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে তিনি বলেন, মাত্র ১৫০ দিনে সরকার শুধু তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান করেনি; বরং একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপনের কাজ শুরু করেছে। ভবিষ্যতেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে একই উদ্যম ও দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করবে সরকার।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করছে সরকার। একই সাথে যেভাবে জাতীয় সনদ স্বাক্ষর হয়েছে, তাও বাস্তবায়ন করছে বর্তমান সরকার। নির্বাচনী ইশতেহার ও জুলাই সনদ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করছে সরকার।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডিপিএস-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এবং প্রেস উইংয়ের সদস্যরা।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সরকারের ১৫০ দিন
পাঁচ মাসে তারেক রহমান সরকারের পাঁচ সাফল্যের কথা জানালেন মাহ্দী আমিন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১৫০ দিন বা পাঁচ মাস পূর্ণ করেছে। এ সময়ে স্বচ্ছতা, সুশাসন, জনকল্যাণ ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করেছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।
রবিবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচিত সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
মাহ্দী আমিন বলেন, “গত পাঁচ মাসে জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও সমর্থন অর্জন, নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বার্থ রক্ষা, স্বল্প সময়ে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অনবদ্য সাফল্য, জনগণের স্বাধীনতা ও দেশের সার্বভৌমত্বকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং গণমানুষের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্ব- এই পাঁচটি দিক দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে।”
তার ভাষ্য, “বিগত দিনের ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামো পুনরুদ্ধারের ম্যান্ডেট পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি মানুষের আস্থার চূড়ায় অবস্থান করছেন।”
মাহ্দী আমিন আরও বলেন, জনগণের সরাসরি ভোটে দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ এবং উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় সাশ্রয়ী ও দুর্নীতিমুক্ত পর্যালোচনার মাধ্যমে সুশাসনের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে।
গণতান্ত্রিক সরকারের জন্য প্রতিটি দিনই জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের সুযোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের প্রতিটি মুহূর্ত দায়িত্ব ও জবাবদিহিতার পরীক্ষা। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসই যেকোনো সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই সরকারের প্রতিটি উদ্যোগ, অর্জন, সংস্কার ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করাকে সরকার নৈতিক দায়িত্ব মনে করে।
একই সঙ্গে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ও লুট হওয়া স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত পুনর্গঠনের কাজ চলছে বলেও জানান পিএমও মুখপাত্র।
তিনি বলেন, স্বল্প সময়ে অর্জিত সাফল্যের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারের কার্যক্রমের চূড়ান্ত বিচারক জনগণ। তাদের আস্থা, সমর্থন ও গঠনমূলক মতামতই সরকারের আগামী দিনের পথচলার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।
সংবাদ সম্মেলনে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, দুই বছর আগে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের কণ্ঠ রোধ করতে তৎকালীন সরকার গুলি চালিয়ে হত্যার পথ বেছে নিয়েছিল। রংপুরের আবু সাঈদ, চট্টগ্রামের ওয়াসিম আকরাম, ঢাকার ফারহান ফাইয়াজসহ অসংখ্য শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ আন্দোলনকে আরও বেগবান করে।
সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে সেই আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং তৎকালীন সরকারের পতন ঘটে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পিএমও মুখপাত্র বলেন, এরপর দীর্ঘ ১৬ বছর গুম, হত্যা, হামলা, মিথ্যা মামলা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার বিএনপি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেয়।
সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে তিনি বলেন, মাত্র ১৫০ দিনে সরকার শুধু তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান করেনি; বরং একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপনের কাজ শুরু করেছে। ভবিষ্যতেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে একই উদ্যম ও দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করবে সরকার।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করছে সরকার। একই সাথে যেভাবে জাতীয় সনদ স্বাক্ষর হয়েছে, তাও বাস্তবায়ন করছে বর্তমান সরকার। নির্বাচনী ইশতেহার ও জুলাই সনদ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করছে সরকার।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডিপিএস-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এবং প্রেস উইংয়ের সদস্যরা।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
বিষয়: