প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএমআপডেট : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পাহাড়ধসে নারী-শিশুসহ নয়জন মারা গেছেন।
রবিবার দিবাগত মধ্যে রাতে বালুখালী, কুতুপালং ও জামশিয়া আশ্রয়শিবিরের চারটি স্থানে পৃথকভাবে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।
উখিয়া উপজেলার ইউএনও পান্না আক্তার আলাপ-কে বলেন, “৭, ১১ ও ১৫ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় এ পর্যন্ত মাটিচাপা পড়া নয়জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।“
উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, আটটি মৃতদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এছাড়াও মাটিচাপা পড়ে আরও কয়েকজন আহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
তারা আরও জানাচ্ছেন, পাহাড়ধসের খবর পেয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন আশ্রয়শিবিরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), ফায়ার সার্ভিস ও রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবীরা।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, পাহাড়ধসের খবর পেয়ে তাদের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আটজনের লাশ উদ্ধার করা করে।
নিহতরা হচ্ছেন, ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৬ ব্লকের বাসিন্দা মো. কামাল হোসেন (৪৫), তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯) এবং তাদের ছেলে মো. আনাস (৪)। একই ক্যাম্পে এই তিনজন একই পরিবারের সদস্য ছিলেন।
১১ নাম্বার রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের সি-১১ ব্লকে উম্মে হাবিবা (২৭), তানজিনা আক্তার (১৩), মো. রিহান (৫) ও হারুনুর রশিদ (৩) নিহত হন।
এছাড়াও ৭ নাম্বার রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের ডি-৭ ব্লকে পাহাড়ধসে মো. একরাম (৮) নিহত হন।
কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৯ জনের মৃত্যু
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পাহাড়ধসে নারী-শিশুসহ নয়জন মারা গেছেন।
রবিবার দিবাগত মধ্যে রাতে বালুখালী, কুতুপালং ও জামশিয়া আশ্রয়শিবিরের চারটি স্থানে পৃথকভাবে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।
উখিয়া উপজেলার ইউএনও পান্না আক্তার আলাপ-কে বলেন, “৭, ১১ ও ১৫ নাম্বার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় এ পর্যন্ত মাটিচাপা পড়া নয়জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।“
উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, আটটি মৃতদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এছাড়াও মাটিচাপা পড়ে আরও কয়েকজন আহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
তারা আরও জানাচ্ছেন, পাহাড়ধসের খবর পেয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন আশ্রয়শিবিরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), ফায়ার সার্ভিস ও রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবীরা।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, পাহাড়ধসের খবর পেয়ে তাদের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আটজনের লাশ উদ্ধার করা করে।
নিহতরা হচ্ছেন, ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৬ ব্লকের বাসিন্দা মো. কামাল হোসেন (৪৫), তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯) এবং তাদের ছেলে মো. আনাস (৪)। একই ক্যাম্পে এই তিনজন একই পরিবারের সদস্য ছিলেন।
১১ নাম্বার রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের সি-১১ ব্লকে উম্মে হাবিবা (২৭), তানজিনা আক্তার (১৩), মো. রিহান (৫) ও হারুনুর রশিদ (৩) নিহত হন।
এছাড়াও ৭ নাম্বার রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের ডি-৭ ব্লকে পাহাড়ধসে মো. একরাম (৮) নিহত হন।
বিষয়: