এলডিসির অন্তর্ভুক্ত থাকলে একটি দেশের লাভ কী, আর ক্ষতিই বা কী?
প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৪ পিএমআপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৪ পিএম
সোশ্যাল সাইন্স বইতে আমরা সবসময় পড়েছি, বাংলাদেশ একটা উন্নয়নশীল দেশ। তবে আন্তর্জাতিক চোখে বাংলাদেশ একটি স্বল্পোন্নত দেশ। এই তালিকা থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশ নানা সুযোগ সুবিধা হারাবে, যা স্বল্পোন্নত দেশগুলো পেয়ে থাকে।
এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছলো ২০১৮ সালে। তখন উত্তরণ হওয়ার কথা ছিলো সালে। করোনা মহামারীর কারণে সে তারিখ পিছিয়ে করা হলো ২০২৬ সাল। তবে ২০২৪ সালের ৫ই অগাস্টের পর এসেছে অর্থনীতিতে ধাক্কা।
এখন আবার এসে বর্তমান অবস্থায় উত্তরণের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীরা। কেন এখনও প্রস্তুত হয়নি সেই প্রশ্নও এসেছে। ফলে সরকার ও ব্যবসায়ীদের প্রচেষ্টায় উত্তরণের তারিখ আবার পেছানো হয়েছে। এবার শেষ সময় ২০২৬ সালের ২৪এ নভেম্বর। তিন বছর সময়সীমা তো বাড়লো, তবে বাংলাদেশ কি এই তিন বছরে প্রস্তুত হতে পারবে?
এলডিসির অন্তর্ভুক্ত থাকলে একটি দেশের লাভ কী, আর ক্ষতিই বা কী?
সোশ্যাল সাইন্স বইতে আমরা সবসময় পড়েছি, বাংলাদেশ একটা উন্নয়নশীল দেশ। তবে আন্তর্জাতিক চোখে বাংলাদেশ একটি স্বল্পোন্নত দেশ। এই তালিকা থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশ নানা সুযোগ সুবিধা হারাবে, যা স্বল্পোন্নত দেশগুলো পেয়ে থাকে।
এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছলো ২০১৮ সালে। তখন উত্তরণ হওয়ার কথা ছিলো সালে। করোনা মহামারীর কারণে সে তারিখ পিছিয়ে করা হলো ২০২৬ সাল। তবে ২০২৪ সালের ৫ই অগাস্টের পর এসেছে অর্থনীতিতে ধাক্কা।
এখন আবার এসে বর্তমান অবস্থায় উত্তরণের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীরা। কেন এখনও প্রস্তুত হয়নি সেই প্রশ্নও এসেছে। ফলে সরকার ও ব্যবসায়ীদের প্রচেষ্টায় উত্তরণের তারিখ আবার পেছানো হয়েছে। এবার শেষ সময় ২০২৬ সালের ২৪এ নভেম্বর। তিন বছর সময়সীমা তো বাড়লো, তবে বাংলাদেশ কি এই তিন বছরে প্রস্তুত হতে পারবে?