১. ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়েদার হামলায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৩ হাজার মানুষ প্রাণ হারান।২. হামলার মূল পরিকল্পনাকারী খালিদ শেখ মোহাম্মদ ২০০৩ সালে পাকিস্তানে গ্রেপ্তার হলেও আজও তার চূড়ান্ত বিচার সম্পন্ন হয়নি।৩. সিআইএ-র গোপন বন্দিশালা বা 'ব্ল্যাক সাইটে' তার ওপর চালানো চরম নির্যাতন মার্কিন বিচারব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে বড় আইনি বাধা হয়ে দাঁড়ায়।৪. আন্তর্জাতিক ও আমেরিকান আইন অনুযায়ী নির্যাতনের মাধ্যমে আদায় করা স্বীকারোক্তি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে অগ্রহণযোগ্য।৫. সাধারণ আদালতের সুযোগ এড়াতে অভিযুক্তকে গুয়ান্তানামো বে-র বিশেষ 'মিলিটারি কমিশনে' বিচারে সোপর্দ করা হলেও জটিলতা আরও বাড়ে।৬. ২০২৪ সালে খালিদ শেখ মোহাম্মদের সঙ্গে হওয়া দোষ স্বীকারের চুক্তিটি নিহতদের স্বজনদের ক্ষোভ ও রাজনৈতিক চাপে বাতিল হয়ে যায়।৭. সাধারণ ক্ষমা বা প্লি ডিল বাতিল হওয়ায় আসামি নিজে অপরাধ স্বীকার করতে চাইলেও মামলাটি আবার দীর্ঘ বিচারের মুখোমুখি হয়।৮. রাজনৈতিক টানাপোড়েন, সাক্ষ্য সংক্রান্ত জটিলতা এবং মৃত্যুদণ্ডের আবেদনের কারণে গত দুই দশক ধরে এই প্রক্রিয়া বারবার পিছিয়েছে।৯. সাম্প্রতিক সামরিক আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে ২০২৮ সালের ৫ জুন এই মামলার বিচার শুরুর দিন ধার্য করা হয়েছে।১০. আড়াই দশকের এই দীর্ঘসূত্রতা একদিকে যেমন ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর বিচারপ্রাপ্তিকে বিলম্বিত করছে, তেমনি আইনি ও নৈতিক ব্যবস্থার জটিলতাকেও প্রকাশ করছে।
নাইন-ইলেভেন হা'মলার পূর্ণ বিচার আজও হয়নি, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই কি বিচার চায়?
১. ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়েদার হামলায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৩ হাজার মানুষ প্রাণ হারান।
২. হামলার মূল পরিকল্পনাকারী খালিদ শেখ মোহাম্মদ ২০০৩ সালে পাকিস্তানে গ্রেপ্তার হলেও আজও তার চূড়ান্ত বিচার সম্পন্ন হয়নি।
৩. সিআইএ-র গোপন বন্দিশালা বা 'ব্ল্যাক সাইটে' তার ওপর চালানো চরম নির্যাতন মার্কিন বিচারব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে বড় আইনি বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
৪. আন্তর্জাতিক ও আমেরিকান আইন অনুযায়ী নির্যাতনের মাধ্যমে আদায় করা স্বীকারোক্তি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে অগ্রহণযোগ্য।
৫. সাধারণ আদালতের সুযোগ এড়াতে অভিযুক্তকে গুয়ান্তানামো বে-র বিশেষ 'মিলিটারি কমিশনে' বিচারে সোপর্দ করা হলেও জটিলতা আরও বাড়ে।
৬. ২০২৪ সালে খালিদ শেখ মোহাম্মদের সঙ্গে হওয়া দোষ স্বীকারের চুক্তিটি নিহতদের স্বজনদের ক্ষোভ ও রাজনৈতিক চাপে বাতিল হয়ে যায়।
৭. সাধারণ ক্ষমা বা প্লি ডিল বাতিল হওয়ায় আসামি নিজে অপরাধ স্বীকার করতে চাইলেও মামলাটি আবার দীর্ঘ বিচারের মুখোমুখি হয়।
৮. রাজনৈতিক টানাপোড়েন, সাক্ষ্য সংক্রান্ত জটিলতা এবং মৃত্যুদণ্ডের আবেদনের কারণে গত দুই দশক ধরে এই প্রক্রিয়া বারবার পিছিয়েছে।
৯. সাম্প্রতিক সামরিক আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে ২০২৮ সালের ৫ জুন এই মামলার বিচার শুরুর দিন ধার্য করা হয়েছে।
১০. আড়াই দশকের এই দীর্ঘসূত্রতা একদিকে যেমন ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর বিচারপ্রাপ্তিকে বিলম্বিত করছে, তেমনি আইনি ও নৈতিক ব্যবস্থার জটিলতাকেও প্রকাশ করছে।