ভোলায় গ্যাস থাকতে বাংলাদেশ সংকটে কেন

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৭ পিএম

ভোলায় গ্যাস থাকতে বাংলাদেশ সংকটে কেন? পদ্মা সেতু তৈরিতে খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। আর গত আট বছরে ঘাটতি মেটাতে এলএনজি আমদানিতে বাংলাদেশ ব্যয় করেছে ২ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকা, যা দিয়ে অনায়াসেই ৯টি পদ্মা সেতু বানিয়ে ফেলা যেত!

অথচ বাংলাদেশের ভূগর্ভে বিশেষ করে ভোলার মাটির নিচে পড়ে রয়েছে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার। দেশের মোট চাহিদার একটি বড় অংশ মেটানোর সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কেন কাজে লাগানো যাচ্ছে না ভোলায় থাকা বিপুল গ্যাস? কূপ আছে, উৎপাদন সক্ষমতা আছে, তবুও কেন বিলিয়ন ডলার খরচ করে এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে?

তিন দশক আগে ভোলায় গ্যাস আবিষ্কৃত হলেও কেন আজও তা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো না? ট্রান্সমিশন পাইপলাইনের অভাব, দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি পরিকল্পনার ঘাটতি নাকি প্রভাবশালী মহলের স্বার্থ? কোন বৃত্তে আটকে আছে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা? 

এই বিশ্লেষণে থাকছে- 

- এলএনজি আমদানির বিশাল ব্যয়: পদ্মা সেতুর খরচের সঙ্গে এলএনজি আমদানির বাস্তব তুলনা। সুরমা বনাম বেঙ্গল বেসিন: দেশের ৮০ শতাংশ গ্যাস দেওয়া সুরমা বেসিনের মজুত কেন ফুরিয়ে আসছে?

- ভোলার গ্যাসের বাস্তব চিত্র: শাহবাজপুর, ভোলা নর্থ ও ইলিশা ক্ষেত্র থেকে কত টিসিএফ গ্যাস পাওয়া সম্ভব? বেঙ্গল বেসিনে কত গ্যাস আছে এবং সেখান থেকে এখনো তোলা হয়নি কে? পরিকাঠামোগত ব্যর্থতা: ১০০ কিলোমিটারের একটি পাইপলাইন তৈরিতে কেন বছরের পর বছর লেগে যাচ্ছে?

- টেকসই সমাধান: জাতীয় গ্রিডে সংযোগ নাকি ভোলাতেই শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা? কোন পথ বেছে নেওয়া উচিত?

ভোলার গ্যাস কি জাতীয় গ্রিডে আনা উচিত, নাকি ভোলাতেই গ্যাসভিত্তিক শিল্পাঞ্চল তৈরি করা ভালো? আপনার মতামত জানান কমেন্ট বক্সে।