যেকোনো মুহূর্তে হতে পারে হিমবাহ ধস! মহাবিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ
প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ পিএমআপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
হিমালয়ের বরফ গলে কিংবা হিমবাহ ধসে প্রলয়ংকরী হড়পা বান (Flash Flood) বা GLOF (Glacial Lake Outburst Flood)-এর ঘটনা ইদানীং আশঙ্কা জনকভাবে বেড়েছে। সম্প্রতি নেপালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ হিমবাহ ধস এবং ২০২৩ সালে ভারতের সিকিমে 'দক্ষিণ লোনাক লেক' ফেটে যাওয়া বিপর্যয় তারই প্রমাণ।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, উৎস অন্য দেশে হলেও এর ধাক্কা কীভাবে এসে লাগছে বাংলাদেশে?
ভাটির দেশ হিসেবে হিমালয় থেকে নেমে আসা তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার শেষ প্রান্তে অবস্থিত বাংলাদেশ। সিকিম ও তিব্বত অঞ্চলে থাকা শত শত ঝুঁকিপূর্ণ হিমবাহ লেকের যেকোনো একটি হঠাৎ বিস্ফোরিত হলে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রলয়ংকরী ঢল আঘাত হানবে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলসহ নানা এলাকায়। সিকিমের ঘটনার সময় দেখেছি, কীভাবে হঠাৎ পানি বেড়ে তিস্তা অববাহিকা প্লাবিত হয়েছিল, এমনকি সীমান্ত পেরিয়ে ভেসে এসেছিল সামরিক সরঞ্জাম ও মরদেহ।
হিমালয়ের এসব ‘হিমালয়ান সুনামি’র কতটা ঝুঁকিতে বাংলাদেশ? বাংলাদেশের মাথার ওপর কতগুলো বিপজ্জনক হিমবাহ লেক রয়েছে? আর এককভাবে কিংবা আন্তর্জাতিক কূটনীতির মাধ্যমে এই মহাবিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে বাংলাদেশের এখনই কী কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত?
সম্পূর্ণ বিষয়টি বৈজ্ঞানিক তথ্য ও সাম্প্রতিক ঘটনার বিশ্লেষণে রয়েছে:
- নেপাল-সিকিমের ঘটনা
- ২০২৩ সিকিম হিমবাহ ধস ও বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতি
- নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বিপর্যয়ের বিশ্লেষণ
- GLOF বা হড়পা বান আসলে কী?
- হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চল ও গলে যাওয়া হিমবাহ
- বাংলাদেশের উজানে কতগুলো ঝুঁকিপূর্ণ লেক রয়েছে?
- ভারতের ব্যারেজ, বাঁধ ও বাংলাদেশের মহাবিপদ
- বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় ও বাংলাদেশের করণীয়
যেকোনো মুহূর্তে হতে পারে হিমবাহ ধস! মহাবিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ
হিমালয়ের বরফ গলে কিংবা হিমবাহ ধসে প্রলয়ংকরী হড়পা বান (Flash Flood) বা GLOF (Glacial Lake Outburst Flood)-এর ঘটনা ইদানীং আশঙ্কা জনকভাবে বেড়েছে। সম্প্রতি নেপালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ হিমবাহ ধস এবং ২০২৩ সালে ভারতের সিকিমে 'দক্ষিণ লোনাক লেক' ফেটে যাওয়া বিপর্যয় তারই প্রমাণ।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, উৎস অন্য দেশে হলেও এর ধাক্কা কীভাবে এসে লাগছে বাংলাদেশে?
ভাটির দেশ হিসেবে হিমালয় থেকে নেমে আসা তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার শেষ প্রান্তে অবস্থিত বাংলাদেশ। সিকিম ও তিব্বত অঞ্চলে থাকা শত শত ঝুঁকিপূর্ণ হিমবাহ লেকের যেকোনো একটি হঠাৎ বিস্ফোরিত হলে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রলয়ংকরী ঢল আঘাত হানবে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলসহ নানা এলাকায়। সিকিমের ঘটনার সময় দেখেছি, কীভাবে হঠাৎ পানি বেড়ে তিস্তা অববাহিকা প্লাবিত হয়েছিল, এমনকি সীমান্ত পেরিয়ে ভেসে এসেছিল সামরিক সরঞ্জাম ও মরদেহ।
হিমালয়ের এসব ‘হিমালয়ান সুনামি’র কতটা ঝুঁকিতে বাংলাদেশ? বাংলাদেশের মাথার ওপর কতগুলো বিপজ্জনক হিমবাহ লেক রয়েছে? আর এককভাবে কিংবা আন্তর্জাতিক কূটনীতির মাধ্যমে এই মহাবিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে বাংলাদেশের এখনই কী কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত?
সম্পূর্ণ বিষয়টি বৈজ্ঞানিক তথ্য ও সাম্প্রতিক ঘটনার বিশ্লেষণে রয়েছে:
- নেপাল-সিকিমের ঘটনা
- ২০২৩ সিকিম হিমবাহ ধস ও বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতি
- নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বিপর্যয়ের বিশ্লেষণ
- GLOF বা হড়পা বান আসলে কী?
- হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চল ও গলে যাওয়া হিমবাহ
- বাংলাদেশের উজানে কতগুলো ঝুঁকিপূর্ণ লেক রয়েছে?
- ভারতের ব্যারেজ, বাঁধ ও বাংলাদেশের মহাবিপদ
- বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় ও বাংলাদেশের করণীয়