ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঐতিহাসিক গণভোট, যেখানে সাংবিধানিক নানা সংস্কার প্রশ্নে জনগণ ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ এই দুই বিকল্পের যেকোনো একটিতে মত দিতে পারবেন।
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাঠে সরকারের ভূমিকা নিরপেক্ষ এবং পক্ষপাতহীন নির্বাচন আয়োজনের কথা থাকলেও এবারের বাস্তবতা কি ভিন্ন ইঙ্গিত দিচ্ছে?
অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যেই প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণায় নেমে পড়েছে। প্রধান উপদেষ্টা থেকে শুরু করে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একটি নির্দিষ্ট পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘হ্যাঁ’-তে সিল দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফটোকার্ড শেয়ার করা হয়েছে। ভিডিও বার্তাতেও তিনি জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এমনকি ব্যাংক কর্মকর্তা, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশাজীবীকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সরকারের একটি বড় অংশ কার্যত একটি পক্ষের প্রচারযন্ত্রে রূপ নিচ্ছে।
অন্যদিকে, দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে গণভোট নিয়ে তেমন কোনো দৃশ্যমান প্রচার-প্রচারণা চোখে পড়ছে না।
ভোটের মাঠে তৈরি হচ্ছে স্পষ্ট একপাক্ষিকতা, যেখানে একদিকে সরকারের পূর্ণ প্রভাব, অন্যদিকে দৃশ্যমান নীরবতা।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, গণভোট কি আদৌ সমান সুযোগ ও ন্যায্য প্রতিযোগিতার পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে? অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব কি ভোটের ফল নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করা, নাকি জনগণকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া?
বিশ্লেষকরা দুই ধরনের মতামত দিয়েছেন। কেউ কেউ মনে করছেন, গণভোট আয়োজনে সরকারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু তারা একটি পক্ষ নিতে পারে না।
আবার এমনও বলা হচ্ছে যে, এবারের গণভোটের সরাসরি অংশীদার অন্তর্বর্তী সরকার। তাই তাদের পক্ষ নিতেই হবে।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক মনে করছেন, সরকার একটি পক্ষ নিয়ে নিয়েছে। হ্যাঁ যদি জিতেও, ভবিষ্যতে অনেক আইনি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে।
জুলাই সনদ ও গণভোট

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে বিভিন্ন সংস্কার কর্মসূচি হাতে নেয়।
প্রথমে ছয়টি কমিশনের সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এরপর জুলাই সনদে সংস্কার প্রস্তাবগুলো অন্তর্ভুক্ত করে তা বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের সিদ্ধান্ত হয়।
গণভোটের ব্যালটে চারটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:
"আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংশোধন) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে নিম্নলিখিত সাংবিধানিক সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবসমূহের প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করিতেছেন?" (হ্যাঁ/না):
(ক): নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হইবে।
(খ): আগামী জাতীয় সংসদ হইবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হইবে এবং সংবিধান সংশোধন করিতে হইলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হইবে।
(গ): সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল হইতে ডেপুটি স্পীকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ তফসিলে বর্ণিত যে ৩০টি বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে একমতো হইয়াছে- সেগুলো বাস্তবায়ন জাতীয় সংসদ নিশ্চিত করিতে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য থাকিবে।
(ঘ): জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অপরাপর সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হইবে।
সরকারে পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, গণভোটে হ্যাঁ বিজয়ী হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে সরকার ও বিরোধীদল একসঙ্গে কাজ করবে। সরকার ইচ্ছেমতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না, গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য জনগণের সম্মতি নিতে হবে।
আরও বলা আছে, বিরোধীদল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতিরা নির্বাচিত হবেন। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে, সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়বে। ক্ষমতার ভাসসাম্য রক্ষায় সংসদে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না এবং সব ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে থাকবে না বলেও জুলাই সনদে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে প্রচারণা

গণভোটে হ্যাঁ জয়ী করতে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টার ফেইসবুক পেইজ থেকে হ্যাঁ-এর পক্ষে নিয়মিত পোস্ট করা হচ্ছে।
এক ভিডিও বার্তায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আপনাদের সম্মতি প্রয়োজন। এর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। এই গণভোটে অংশ নিন। সনদে আপনার সম্মতি দিন।”
“গণভোটে আপনি হ্যাঁ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন থেকে মুক্ত হবে বাংলাদেশ।”
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেছেন, “আমি আপনাদের সকলের প্রতি আহ্বান জানাই, আগামী নির্বাচনে গণভোটে অংশ নেন। রাষ্ট্রকে আপনার প্রত্যাশামতো গড়ে তোলার জন্য হ্যাঁ-তে সিল দেন।”
“নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবি এখন আপনার হাতে। হ্যাঁ-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে।”
তিনি আরও বলেছেন, “হ্যাঁ-তে আপনি নিজে সিল দেন, আপনার পরিচিত সবাইকে সিল দিতে উদ্বুদ্ধ করুন এবং তাদেরকে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসুন। দেশ পাল্টে দিন।”
সরকার হ্যাঁ ভোটের পক্ষ নেওয়ায় বিতর্ক যে কারণে?
বিশ্লেষকরা দুই রকম মতামত দিচ্ছেন। কেউ কেউ বলছেন, সরকার প্রচারণা চালাতে পারে। আবার কেউ বলছেন চালাতে পারে না।
সরকার সরাসরি একটি পক্ষে অবস্থান নিলেও গণভোট পক্ষপাতিত্ব হবে না বলে মনে করেন নির্বাচন বিশ্লেষক ও নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য আব্দুল আলিম।
“আমি যদি বাংলাদেশের গণভোটের ইতিহাসে যাই, তাহলে আগে যতগুলো হয়েছিল, সবগুলোতেই সরকার হ্যাঁ-এর পক্ষে ক্যাম্পেইন করেছিল। সরকার, সরকারের প্রশাসন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান- সবারই এক ধরনের হ্যাঁ-এর পক্ষে অবস্থান ছিল,” বলেন তিনি।
আব্দুল আলিম বলেন, “আর এই সরকার বরং আরও বেশি করে করার কথা। কারণ, এই সরকারের জন্মই হয়েছে জুলাই মুভমেন্টের মাধ্যমে। আর জুলাই মুভমেন্টের লক্ষ্যটা কী- পরিবর্তন, চেইঞ্জ, ট্রান্সফর্মেশন।”
তিনি মনে করেন, এই সরকারের জন্ম হয়েছে ‘জুলাই মুভমেন্টের’ মধ্য দিয়ে। তাদের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা– সংস্কার ও পরিবর্তন। আর সেই ধারাবাহিকতাতেই এতগুলো সংস্কার কমিশন গঠন এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশন হয়েছে।
“কাজেই সরকারতো আগে থেকেই পার্ট হয়ে গেছে। এত নতুন কোনোকিছু না। তারা যে সংস্কারের জন্য কমিশনগুলো করেছে, এটা দিনশেষে গণভোটে চলে এসেছে। এখানে সরকারতো একটা পার্ট হবেই। এটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। এটা নিয়ে প্রশ্ন তোলার খুব সুযোগ আছে বলে মনে হয় না,” বলেন আব্দুল আলিম।
কিন্তু সংস্কার ও পরিবর্তন সরকারের লক্ষ্য হলেও তারা ভোটের মাঠে পক্ষ হতে পারে না মনে করেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী।
“এই এজেন্ডাতো সরকারেরই সংস্কার … সবকিছু মিলিয়েইতো সরকার। সরকারের ভালো মেরিটগুলো কী কী, সব ব্যাখ্যাগুলো করতে পারে। কিন্তু একেবারে সরাসরি ভোটারকে কোন পক্ষে ভোট দেবে, সেটা ভোটারের ওপর ছাড়াটাই যথার্থ বলে আমি মনে করি।”
তিনি বলেন, “আপনি আমাকে বলে দিতে পারেন না যে, আমি কী করবো? সেইটাতো কাউকে বলতে পারা উচিত না ভোটারকে, তাই না?”
হ্যাঁ ভোট দিতে সরকারের বিস্তৃত প্রচারণা

হ্যাঁ ভোট দিতে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল ও মাদ্রাসা পর্যায়ে প্রচার চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
এ লক্ষ্যে ‘হ্যাঁ’ শিরোনামের লিফলেট ও পুস্তিকা বিতরণ, মোবাইল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে গণভোট নিয়ে ডকুমেন্টারি, ভিডিও ক্লিপ ও গান রিলিজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজে ব্যানার, ফেস্টুন ও স্টিকার সাঁটানো হবে।
গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের বিভাগীয় কর্মকর্তা-প্রতিনিধিদের সঙ্গে গত শনিবার মতবিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
সেখানে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচার চালাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের কোনো আইনগত বাধা নেই।
এরপর একটি টেলিভিশন টকশোতে গিয়ে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের সাবেক এই প্রধান।
তিনি বলেন, “আইনিভাবে যারা সমালোচনা করছেন, তারাও কিন্তু এটা স্বীকার করছেন, আইনিভাবে সরকার এটা করতে পারে। তার কোনো বাধা নেই। কোনোভাবেই সরকারকে এটা বারিত করে না যে তারা এই প্রচার করতে পারবেন না।”
সরকারের পক্ষ নেওয়া এমনকি গণভোট নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক। সম্প্রতি একটি সংবাদপত্রে ভিডিও সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন তিনি।
শাহদীন মালিকের কাছে প্রশ্ন ছিল, “অন্তর্বর্তী সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। এ সরকার কি কোনো পক্ষ হয়ে গণভোটের প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারে?”
জবাবে তিনি বলেন, “এটাও সরকার আরেকটা ভুল করছে। নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার পরে আমাদের প্রত্যাশা ছিল, অন্তর্বর্তী সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো কাজ করবে। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড- সব পক্ষের সমান সুবিধা নিশ্চিত করবে। কিন্তু, তার পরিবর্তে সরকার করছে কী?”
“গণভোট তো একটা ভোটের ব্যাপার। এখানে হ্যাঁ, না-এর ব্যাপার। সরকার হ্যাঁ-এর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। এই প্রচারণা চালিয়ে কিন্তু সরকার… হয়ত তর্কের খাতিরে বলা যেতে পারে যে, সরকার ওইরকম সরাসরি কোনো আইন লঙ্ঘন করেননি। কিন্তু নির্বাচন প্রক্রিয়াতে অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত থাকবেন। স্কুল কলেজের মাস্টাররা সংযুক্ত থাকবেন। তাদের মাধ্যমেই তো প্রচারণা চালানো হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগ করা হচ্ছে, কর্মচারীদের নিয়োগ করা হচ্ছে।”
শাহদীন মালিক বলেন, “অর্থাৎ সরকার একটি ভোটের ব্যাপারে অলরেডি পক্ষ নিয়ে নিয়েছে। এটা ভবিষ্যতে হ্যাঁ যদি জিতেও, এটা ভবিষ্যতে অনেক আইনি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে।”
গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সমর্থন ‘কেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ’ তা নিয়ে একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার ফেইসবুকে এক পোস্টে লেখা হয়েছে, “সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মন্তব্যে বলা হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের ওপর আসন্ন গণভোটে “হ্যাঁ”ভোটের পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রকাশ্য সমর্থন একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসনের নিরপেক্ষতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে।”


এনসিপির কৌশল কি ইসির ওপর চাপ সৃষ্টি করা? 
