এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন, তবে থাকবেন রাজনীতির মাঠেই
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএমআপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম
জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোট গঠনকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগ করলেন দলটির নেত্রী সামান্তা শারমিন। আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে দেওয়া পদত্যাগপত্রে এনসিপি নিয়ে নিজের মূল্যায়ন ও পদত্যাগের কারণ তুলে ধরেছেন।
এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নিজের আপত্তি তুলে ধরে পদত্যাগপত্রে সামান্তা শারমিন লিখেছেন, “আজ থেকে প্রায় এক বছর আগে আমি জাতীয় নাগরিক পার্টির জোট গঠনের প্রশ্নে একটা আলাদা অবস্থান নিয়েছিলাম। আমি বলেছিলাম জামায়াত ইসলামী নীতিগত বা কৌশলগত কোন ক্ষেত্রেই মিত্র হওয়ার যোগ্য না এবং তাদের সাথে জোট করার জন্য এনসিপিকে কঠিন মূল্য চুকাতে হবে।”
সামান্তা শারমিন উল্লেখ করেছেন যে, গত ১১ মাস তিনি এনসিপির অতীত কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন, প্রস্তাব দিয়েছেন। তর্ক-বিতর্ক বা আলাপও করেছেন।
তবে হতাশা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, “আজ প্রায় এক বছরের এই সংগ্রামের ইতি ঘোষণা করলাম কারণ এনসিপির পক্ষে তার দলের প্রারম্ভের মূল্যবোধের প্রতি আর আন্তরিক হওয়া সম্ভব বলে মনে করি না।”
জামায়াতে ইসলামীর সাথে এনসিপির নির্বাচনি জোটের বিরোধিতার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি লিখেছেন, “জামায়াত প্রকৃত অর্থে সংস্কারের রাজনীতি ধারণ করে না। সংগঠনটির দার্শনিক ভিত্তি ও প্রস্তাবিত রাষ্ট্রপ্রকল্প গণতান্ত্রিক রাষ্টপ্রকল্প নয়।”
তিনি লিখেছেন, “এনসিপি যখন জামায়াতকে সংস্কারের পথে বন্ধু মনে করেছে তখন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ, যারা স্বভাবজাত কারণেই উদার, গণতান্ত্রিক, যারা সংস্কারের প্রকৃত শক্তি, তারা সংস্কারের রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।”
পদত্যাগপত্রে তিনি নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও তুলে ধরেছেন। লিখেছেন, “বাংলাদেশকে আজ নানা বিভাজনের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অথচ অভ্যুত্থানপরবর্তী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন ছিল এমন একটি রাজনৈতিক স্বপ্ন ও সম্ভাবনা তৈরি করা, যা মানুষকে পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড় করাবে না। বরং ভিন্নমত, ভিন্ন বিশ্বাস ও ভিন্ন পরিচয় সত্ত্বেও একটি অভিন্ন জাতীয় আকাঙ্ক্ষার জায়গায় ঐক্যবদ্ধ করবে।”
পদত্যাগের বিষয়ে সামান্তা শারমিন আলাপ-কে জানিয়েছেন তিনি ভেবে চিন্তেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বলেন, “আমি রাজনীতি করবো। কোথায় কিভাবে করবো সেটা এখনও ভাবিনি। তবে রাজনীতির মাঠ ছাড়বো না।”
এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন, তবে থাকবেন রাজনীতির মাঠেই
জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোট গঠনকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগ করলেন দলটির নেত্রী সামান্তা শারমিন। আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে দেওয়া পদত্যাগপত্রে এনসিপি নিয়ে নিজের মূল্যায়ন ও পদত্যাগের কারণ তুলে ধরেছেন।
এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নিজের আপত্তি তুলে ধরে পদত্যাগপত্রে সামান্তা শারমিন লিখেছেন, “আজ থেকে প্রায় এক বছর আগে আমি জাতীয় নাগরিক পার্টির জোট গঠনের প্রশ্নে একটা আলাদা অবস্থান নিয়েছিলাম। আমি বলেছিলাম জামায়াত ইসলামী নীতিগত বা কৌশলগত কোন ক্ষেত্রেই মিত্র হওয়ার যোগ্য না এবং তাদের সাথে জোট করার জন্য এনসিপিকে কঠিন মূল্য চুকাতে হবে।”
সামান্তা শারমিন উল্লেখ করেছেন যে, গত ১১ মাস তিনি এনসিপির অতীত কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন, প্রস্তাব দিয়েছেন। তর্ক-বিতর্ক বা আলাপও করেছেন।
তবে হতাশা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, “আজ প্রায় এক বছরের এই সংগ্রামের ইতি ঘোষণা করলাম কারণ এনসিপির পক্ষে তার দলের প্রারম্ভের মূল্যবোধের প্রতি আর আন্তরিক হওয়া সম্ভব বলে মনে করি না।”
জামায়াতে ইসলামীর সাথে এনসিপির নির্বাচনি জোটের বিরোধিতার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি লিখেছেন, “জামায়াত প্রকৃত অর্থে সংস্কারের রাজনীতি ধারণ করে না। সংগঠনটির দার্শনিক ভিত্তি ও প্রস্তাবিত রাষ্ট্রপ্রকল্প গণতান্ত্রিক রাষ্টপ্রকল্প নয়।”
তিনি লিখেছেন, “এনসিপি যখন জামায়াতকে সংস্কারের পথে বন্ধু মনে করেছে তখন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ, যারা স্বভাবজাত কারণেই উদার, গণতান্ত্রিক, যারা সংস্কারের প্রকৃত শক্তি, তারা সংস্কারের রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।”
পদত্যাগপত্রে তিনি নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও তুলে ধরেছেন। লিখেছেন, “বাংলাদেশকে আজ নানা বিভাজনের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অথচ অভ্যুত্থানপরবর্তী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন ছিল এমন একটি রাজনৈতিক স্বপ্ন ও সম্ভাবনা তৈরি করা, যা মানুষকে পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড় করাবে না। বরং ভিন্নমত, ভিন্ন বিশ্বাস ও ভিন্ন পরিচয় সত্ত্বেও একটি অভিন্ন জাতীয় আকাঙ্ক্ষার জায়গায় ঐক্যবদ্ধ করবে।”
পদত্যাগের বিষয়ে সামান্তা শারমিন আলাপ-কে জানিয়েছেন তিনি ভেবে চিন্তেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বলেন, “আমি রাজনীতি করবো। কোথায় কিভাবে করবো সেটা এখনও ভাবিনি। তবে রাজনীতির মাঠ ছাড়বো না।”
বিষয়: