মিরপুরে অভিযানে ২০ ককটেল উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করেছে এসআরইউ
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৩ পিএমআপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪২ পিএম
রাজধানীর পাইকপাড়া এলাকায় যৌথ অভিযানে চালিয়ে ২০টি ককটেল উদ্ধার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ ও এসআরইউ এসময় ৪১টি মশাল তৈরির লাঠি এবং দুই লিটার কেরোসিন জব্দ করে পুলিশ।
মিরপুর বিভাগের ডিসি হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার জানান, বুধবার গভীর রাতে মিরপুর মডেল থানা ও ঢাকা মহানগর পুলিশের স্পেশাল রেসপন্স ইউনিটের (এসআরইউ) সদস্যরা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাত ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ পাইকপাড়া এলাকার তানিন ভবনের সামনে সন্দেহজনক বস্তু পড়ে থাকার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর মিরপুর মডেল থানার একজন এসআই ঘটনাস্থলে যান।
তখন থানার ওসিসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ককটেলসদৃশ বস্তু ও মশাল লাঠি দেখতে পান। এরপর সেখানে এসআরইউর সদস্যদের ডাকা হয়।
এসআরইউর দলটি সেখানে গিয়ে তল্লাশি শুরু করে। সেসময় তিনটি কাগজের ব্যাগে ১৫টি ককটেল পাওয়া যায়। সড়কের ওপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আরও পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। একটি ব্যাগের ভেতর দুটি বোতলে রাখা প্রায় দুই লিটার কেরোসিন, ৪১টি মশাল লাঠি এবং জড়ো করে রাখা নরম ককশিটও পাওয়া যায়।
পরে উদ্ধার করার পর ককটেলগুলো কল্যাণপুরের গৃহায়ণ ও গণপূর্তের নির্মাণাধীন ভবনের খোলা স্থানে নিয়ে সেগুলো ধ্বংস করা হয়।
রাত ২টা ২০ মিনিটে দুই দফায় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়।
এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। তবে এসব ককটেলসহ উদ্ধার হওয়া জিনিসপত্র কারা রেখে গেছে সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।
মিরপুরে অভিযানে ২০ ককটেল উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করেছে এসআরইউ
রাজধানীর পাইকপাড়া এলাকায় যৌথ অভিযানে চালিয়ে ২০টি ককটেল উদ্ধার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ ও এসআরইউ এসময় ৪১টি মশাল তৈরির লাঠি এবং দুই লিটার কেরোসিন জব্দ করে পুলিশ।
মিরপুর বিভাগের ডিসি হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার জানান, বুধবার গভীর রাতে মিরপুর মডেল থানা ও ঢাকা মহানগর পুলিশের স্পেশাল রেসপন্স ইউনিটের (এসআরইউ) সদস্যরা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাত ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ পাইকপাড়া এলাকার তানিন ভবনের সামনে সন্দেহজনক বস্তু পড়ে থাকার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর মিরপুর মডেল থানার একজন এসআই ঘটনাস্থলে যান।
তখন থানার ওসিসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ককটেলসদৃশ বস্তু ও মশাল লাঠি দেখতে পান। এরপর সেখানে এসআরইউর সদস্যদের ডাকা হয়।
এসআরইউর দলটি সেখানে গিয়ে তল্লাশি শুরু করে। সেসময় তিনটি কাগজের ব্যাগে ১৫টি ককটেল পাওয়া যায়। সড়কের ওপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আরও পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। একটি ব্যাগের ভেতর দুটি বোতলে রাখা প্রায় দুই লিটার কেরোসিন, ৪১টি মশাল লাঠি এবং জড়ো করে রাখা নরম ককশিটও পাওয়া যায়।
পরে উদ্ধার করার পর ককটেলগুলো কল্যাণপুরের গৃহায়ণ ও গণপূর্তের নির্মাণাধীন ভবনের খোলা স্থানে নিয়ে সেগুলো ধ্বংস করা হয়।
রাত ২টা ২০ মিনিটে দুই দফায় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়।
এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। তবে এসব ককটেলসহ উদ্ধার হওয়া জিনিসপত্র কারা রেখে গেছে সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।
বিষয়: