প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৪ পিএমআপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) নেতৃত্বে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১ (এসআরবি-১)-এর করা যৌথ অভিযানে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
আমদানি করা মদ ও বিয়ার সংরক্ষণ এবং হিসাব ব্যবস্থাপনায় একাধিক অভিযোগে শেখ নুরুল ইসলামের মালিকানাধীন ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এর ওয়্যারহাউস সিলগালা করা হয়েছে। শেখ নুরুল ইসলাম কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালকারী দলের একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) নেতৃত্বে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১ (এসআরবি-১)-এর করা যৌথ অভিযানে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর(ডিএনসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে হওয়া এই অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির আমদানি করা মদ ও বিয়ার সংরক্ষণ এবং হিসাব ব্যবস্থাপনায় একাধিক অনিয়ম ও অসংগতি পাওয়া যায়।
অভিযানে কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের রেজিস্টার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) অনুমোদিত সফটওয়্যার এবং গুদামে সংরক্ষিত পণ্যের সরেজমিন তথ্য যাচাই করেন।
এ সময় সফটওয়্যারে এক্সবন্ড দেখানো হলেও বাস্তবে প্রতিষ্ঠানের ওয়্যারহাউজে থাকা ১৪৪ ক্যান বিয়ার, ১২ বোতল হুইস্কি এবং ৬ বোতল নেমিরফ পাওয়া যায়।
অর্থাৎ, সফটওয়্যারে পণ্যগুলো প্রতিষ্ঠান থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে দেখানো হলেও সরেজমিনে সেগুলো প্রতিষ্ঠানের হেফাজতে পাওয়া যায়।
আমদানি করা ২ হাজার ২৫০টি কার্টন হেইনেকেন বিয়ার প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যার সিস্টেমে চলতি বছরের ৩রা সেপ্টেম্বর ইনবাউন্ড হিসেবে যুক্ত দেখানো হয়। কিন্তু যৌথ অভিযানে যাচাই করে দেখা যায়, সেইসব পণ্যগুলো প্রতিষ্ঠানের ওয়্যারহাউজে বাস্তবে পাওয়া যায়নি।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের মোট চারটি মধ্যে দুটি ফ্লোরের কাস্টমসের অনুমোদন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ওয়্যারহাউস সিলগালা
আমদানি করা মদ ও বিয়ার সংরক্ষণ এবং হিসাব ব্যবস্থাপনায় একাধিক অভিযোগে শেখ নুরুল ইসলামের মালিকানাধীন ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এর ওয়্যারহাউস সিলগালা করা হয়েছে। শেখ নুরুল ইসলাম কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালকারী দলের একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) নেতৃত্বে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১ (এসআরবি-১)-এর করা যৌথ অভিযানে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর(ডিএনসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে হওয়া এই অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির আমদানি করা মদ ও বিয়ার সংরক্ষণ এবং হিসাব ব্যবস্থাপনায় একাধিক অনিয়ম ও অসংগতি পাওয়া যায়।
অভিযানে কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের রেজিস্টার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) অনুমোদিত সফটওয়্যার এবং গুদামে সংরক্ষিত পণ্যের সরেজমিন তথ্য যাচাই করেন।
এ সময় সফটওয়্যারে এক্সবন্ড দেখানো হলেও বাস্তবে প্রতিষ্ঠানের ওয়্যারহাউজে থাকা ১৪৪ ক্যান বিয়ার, ১২ বোতল হুইস্কি এবং ৬ বোতল নেমিরফ পাওয়া যায়।
অর্থাৎ, সফটওয়্যারে পণ্যগুলো প্রতিষ্ঠান থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে দেখানো হলেও সরেজমিনে সেগুলো প্রতিষ্ঠানের হেফাজতে পাওয়া যায়।
আমদানি করা ২ হাজার ২৫০টি কার্টন হেইনেকেন বিয়ার প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যার সিস্টেমে চলতি বছরের ৩রা সেপ্টেম্বর ইনবাউন্ড হিসেবে যুক্ত দেখানো হয়। কিন্তু যৌথ অভিযানে যাচাই করে দেখা যায়, সেইসব পণ্যগুলো প্রতিষ্ঠানের ওয়্যারহাউজে বাস্তবে পাওয়া যায়নি।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের মোট চারটি মধ্যে দুটি ফ্লোরের কাস্টমসের অনুমোদন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বিষয়: