মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত নেতার মৃত্যুদণ্ড
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৩ পিএমআপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
সব আসামিই পলাতক।
ট্রাইব্যুনাল কাদের, নাছিম, আরাফাত, পরশ ও মাইনুলের অর্ধেক সম্পদ বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দিয়েছেন। বাজেয়াপ্ত এসব সম্পদ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের পরিবারের মধ্যে ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায়ের পর চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা চারটি করে অভিযোগই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে ছিল আন্দোলন দমনের নির্দেশ, উসকানি, ষড়যন্ত্র, অপহরণ ও হত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ।
রায়ে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করে তা জুলাই ফাউন্ডেশন এবং গণঅভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলো ট্রাইব্যুনাল। সেই রায়ের প্রায় ১০ মাস পর ওবায়দুল কাদের ও অন্য ছয় আসামির মামলায় এই রায় দেওয়া হলো।
মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত নেতার মৃত্যুদণ্ড
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
সব আসামিই পলাতক।
ট্রাইব্যুনাল কাদের, নাছিম, আরাফাত, পরশ ও মাইনুলের অর্ধেক সম্পদ বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দিয়েছেন। বাজেয়াপ্ত এসব সম্পদ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের পরিবারের মধ্যে ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায়ের পর চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা চারটি করে অভিযোগই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে ছিল আন্দোলন দমনের নির্দেশ, উসকানি, ষড়যন্ত্র, অপহরণ ও হত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ।
রায়ে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করে তা জুলাই ফাউন্ডেশন এবং গণঅভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলো ট্রাইব্যুনাল। সেই রায়ের প্রায় ১০ মাস পর ওবায়দুল কাদের ও অন্য ছয় আসামির মামলায় এই রায় দেওয়া হলো।
বিষয়: