প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএমআপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
র্যাব-৪ এর অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া নূর মোহাম্মদ রুদ্র, রাকিব মিয়া, ছাব্বির আহম্মেদ ও ওয়াসিম।
ঢাকা জেলার আমিন বাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এসআই আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা পরিকল্পিত নয় বলে জানিয়েছে র্যাব। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতরা কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। এ ঘটনায় পৃথক পৃথক অভিযানে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র্যাব-১০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, সেখানে পুলিশ সদস্য 'টার্গেট ছিলো না'। এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামী জহুরুলের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
র্যাবের সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বর্ণনায় বলা হয়, সাভারের আমিন বাজারের বড়দেশী মদিনা সিটি এলাকায়, শনিবার রাতে আলতাফ হোসেন ও তার ছেলে আরিফুল ইসলামকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। তার ছেলে আরিফ এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। হত্যার ঘটনায় নিহত এসবি পুলিশের কর্মকর্তার স্ত্রী শিউলি বেগম সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। রবিবার রাতে মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ৪ এবং আমিনবাজার থেকে আরেক অভিযান আরো ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
মুন্সিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার ৪ জনের নাম- আলাউদ্দিন, আপন, জিহাদ ও ইমরান। অন্যদিকে র্যাব-৪ এর অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ জন- নূর মোহাম্মদ রুদ্র, রাকিব মিয়া, ছাব্বির আহম্মেদ ও ওয়াসিম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে জানায় র্যাব। আপন ও জিহাদ ওই অঞ্চলের কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দেয় এবং তারা সবাই মাদকের সাথে সম্পৃক্ত, নেশাগ্রস্ত বলেও জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, শনিবার রাতে একটি অটোরিকশা রাখাকে কেন্দ্র করে গ্যারেজের মালিককে মারধর করার সময় এসআই আলতাফ হোসেন প্রতিবাদ করেন। তখন প্রাইভেটকারে থাকা ৫ জন মিলে গ্যারেজ মালিকের উপর হামলা চালালে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। তখন হামলাকারীদের সঙ্গে এসআই আলতাফ হোসেন ও তার ছেলের তর্ক শুরু হয়। এর এক পর্যায়ে আসামিরা সবাই আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে বুঝতে, আলতাফ হোসেন নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। এতে আসামিরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠলে প্রাণ বাঁচাতে আলতাফ হোসেন দৌড়ে তার ছেলের পোশাক কারখানার ভেতরে আশ্রয় নেন। হামলাকারীরা আরো ১৫ থেকে ২০ জনকে ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়ে এসে ওই কারখানার গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে যায় এবং দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে এসআই আলতাফ হোসেন ও তার ছেলে আরিফুলকে বেধড়ক মারপিট করে।
র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ৮
কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরাই পিটিয়ে মেরেছে পুলিশকে
ঢাকা জেলার আমিন বাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এসআই আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা পরিকল্পিত নয় বলে জানিয়েছে র্যাব। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতরা কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। এ ঘটনায় পৃথক পৃথক অভিযানে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র্যাব-১০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, সেখানে পুলিশ সদস্য 'টার্গেট ছিলো না'। এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামী জহুরুলের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
র্যাবের সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বর্ণনায় বলা হয়, সাভারের আমিন বাজারের বড়দেশী মদিনা সিটি এলাকায়, শনিবার রাতে আলতাফ হোসেন ও তার ছেলে আরিফুল ইসলামকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। তার ছেলে আরিফ এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। হত্যার ঘটনায় নিহত এসবি পুলিশের কর্মকর্তার স্ত্রী শিউলি বেগম সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। রবিবার রাতে মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ৪ এবং আমিনবাজার থেকে আরেক অভিযান আরো ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
মুন্সিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার ৪ জনের নাম- আলাউদ্দিন, আপন, জিহাদ ও ইমরান। অন্যদিকে র্যাব-৪ এর অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ জন- নূর মোহাম্মদ রুদ্র, রাকিব মিয়া, ছাব্বির আহম্মেদ ও ওয়াসিম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে জানায় র্যাব। আপন ও জিহাদ ওই অঞ্চলের কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দেয় এবং তারা সবাই মাদকের সাথে সম্পৃক্ত, নেশাগ্রস্ত বলেও জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, শনিবার রাতে একটি অটোরিকশা রাখাকে কেন্দ্র করে গ্যারেজের মালিককে মারধর করার সময় এসআই আলতাফ হোসেন প্রতিবাদ করেন। তখন প্রাইভেটকারে থাকা ৫ জন মিলে গ্যারেজ মালিকের উপর হামলা চালালে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। তখন হামলাকারীদের সঙ্গে এসআই আলতাফ হোসেন ও তার ছেলের তর্ক শুরু হয়। এর এক পর্যায়ে আসামিরা সবাই আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে বুঝতে, আলতাফ হোসেন নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। এতে আসামিরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠলে প্রাণ বাঁচাতে আলতাফ হোসেন দৌড়ে তার ছেলের পোশাক কারখানার ভেতরে আশ্রয় নেন। হামলাকারীরা আরো ১৫ থেকে ২০ জনকে ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়ে এসে ওই কারখানার গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে যায় এবং দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে এসআই আলতাফ হোসেন ও তার ছেলে আরিফুলকে বেধড়ক মারপিট করে।
বিষয়: