‘প্রোপাগান্ডা’ চালিয়ে মনোবল দুর্বল করার অভিযোগ পুলিশের 

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪০ পিএম

মনোবল দুর্বল করতে ‘ঘাপটি মেরে থাকা গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টদের দোসররা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ তথ্য ছড়িয়ে পুলিশের মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। 

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শামীমা পারভীনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন অভিযোগ উঠে এসেছে। 

এতে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও নামধারী সাংবাদিকের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করছেন। পরে যাচাই-বাছাই ছাড়াই সেসব তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

“২০২৪ সালের ৫ই অগাস্টের পর পুলিশের ভঙ্গুর মনোবল যখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছিলো, তখন পলাতক, জনবিচ্ছিন্ন ফ্যাসিস্ট শক্তি এবং কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে,” বলা হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে। 

অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ, পুলিশ বাহিনীর বাইরে ও অভ্যন্তরে থাকা ‘গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টদের দোসর’ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও নামধারী সাংবাদিকের কাছে ‘মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর’ তথ্য দিচ্ছেন।

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, এসব তথ্যের সত্যতা, প্রেক্ষাপট ও যথার্থতা যাচাই না করে কথিত সাংবাদিক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা তা অতিরঞ্জিত করছেন। পরে নানা মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর গল্প তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রচার করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, শুরুতে ব্যক্তিবিশেষকে ঘিরে এসব অপতথ্য ও প্রচারণা থাকলেও তা ধীরে ধীরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং এমনকি পুলিশ বাহিনীর প্রধানের বিরুদ্ধেও কুৎসা ও অপপ্রচারে রূপ নিচ্ছে।

এতে দায়িত্ব পালনে ফিরে আসা পুলিশ সদস্যদের মনোবল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। 

তাদের মতে, এর ফলে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর কর্মস্পৃহা ও কার্যক্ষমতাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।