প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৫ এএমআপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
বুধবার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিজেপির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দিল্লির জন্তর মন্তরে ভারতের জাতীয় পতাকা হাতে বিক্ষোভের ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে পাঁচ দিনের বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই ঘটনায় সিজেপি নেতা অজিঙ্কা শিন্ডেকে ব্যক্তিগত মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য স্টেটসম্যানের প্রতিবেদন বলছে, মঙ্গলবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিরোধে জড়ান আন্দোলনকারীরা। এর এক দিন আগেই জায়গাটিকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে বাদ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলো দিল্লি পুলিশ। ফলে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদের অধিকার এবং পুলিশের বিধিনিষেধ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এর তীব্র সমালোচনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করাই কি তাদের অপরাধ? দীপকের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের ভয় দেখাতেই তাদের হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
একই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া অজিঙ্কা শিন্ডের দাবি, তারা জাতীয় পতাকা হাতে জন্তর মন্তরের দিকে গিয়েছিলেন এবং ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগান দিয়েছিলেন। তবে এই পদক্ষেপে তাদের আন্দোলন থামবে না বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, গ্রেপ্তার হওয়া সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার আইনজীবী অভিষেক হেলা তাদের হেফাজতে পাঠানোর আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার অভিযোগ, পুলিশ কেবল ভবিষ্যতে অপরাধ ঘটতে পারে, এমন আশঙ্কার ভিত্তিতে তাদের হেফাজতে পাঠিয়েছে। আগেরবার মুক্তি পাওয়ার পর তারা কোনো শর্ত ভঙ্গ করেছেন কি না, তা নিয়েও পুলিশের দাবির বিরোধিতা করেছেন এই আইনজীবী। বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এ ধরনের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
তবে দিল্লি পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার ওই তিন কর্মী ব্যারিকেড পেরিয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জন্তর মন্তরে প্রবেশ করেন। তালা দেওয়া দরজা টপকে ভেতরে ঢুকে স্লোগান দেন এবং জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় একটি মামলাও হয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, এর আগে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাওয়া সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকা এবার সেই শর্ত ভঙ্গ করেছেন।
এদিকে, সিজেপির আইনবিষয়ক প্রধান রত্না সিং অভিযোগ করেছেন, ের পর কয়েক ঘণ্টা ওই তিন কর্মীকে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি। তাদের এক থানা থেকে অন্য থানায় নেওয়ার প্রক্রিয়া এবং গ্রেপ্তারের কারণ জানানো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কয়েকদিন ধরেই সিজেপির এই আন্দোলন চলছে। ভারতের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। তবে নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন বিজেপি নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
সিজেপি দুই নেতার পাঁচ দিনের জেল
দিল্লির জন্তর মন্তরে ভারতের জাতীয় পতাকা হাতে বিক্ষোভের ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে পাঁচ দিনের বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই ঘটনায় সিজেপি নেতা অজিঙ্কা শিন্ডেকে ব্যক্তিগত মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য স্টেটসম্যানের প্রতিবেদন বলছে, মঙ্গলবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিরোধে জড়ান আন্দোলনকারীরা। এর এক দিন আগেই জায়গাটিকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে বাদ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলো দিল্লি পুলিশ। ফলে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদের অধিকার এবং পুলিশের বিধিনিষেধ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এর তীব্র সমালোচনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করাই কি তাদের অপরাধ? দীপকের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের ভয় দেখাতেই তাদের হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
একই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া অজিঙ্কা শিন্ডের দাবি, তারা জাতীয় পতাকা হাতে জন্তর মন্তরের দিকে গিয়েছিলেন এবং ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগান দিয়েছিলেন। তবে এই পদক্ষেপে তাদের আন্দোলন থামবে না বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, গ্রেপ্তার হওয়া সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার আইনজীবী অভিষেক হেলা তাদের হেফাজতে পাঠানোর আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার অভিযোগ, পুলিশ কেবল ভবিষ্যতে অপরাধ ঘটতে পারে, এমন আশঙ্কার ভিত্তিতে তাদের হেফাজতে পাঠিয়েছে। আগেরবার মুক্তি পাওয়ার পর তারা কোনো শর্ত ভঙ্গ করেছেন কি না, তা নিয়েও পুলিশের দাবির বিরোধিতা করেছেন এই আইনজীবী। বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এ ধরনের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
তবে দিল্লি পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার ওই তিন কর্মী ব্যারিকেড পেরিয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জন্তর মন্তরে প্রবেশ করেন। তালা দেওয়া দরজা টপকে ভেতরে ঢুকে স্লোগান দেন এবং জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় একটি মামলাও হয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, এর আগে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাওয়া সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকা এবার সেই শর্ত ভঙ্গ করেছেন।
এদিকে, সিজেপির আইনবিষয়ক প্রধান রত্না সিং অভিযোগ করেছেন, ের পর কয়েক ঘণ্টা ওই তিন কর্মীকে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি। তাদের এক থানা থেকে অন্য থানায় নেওয়ার প্রক্রিয়া এবং গ্রেপ্তারের কারণ জানানো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কয়েকদিন ধরেই সিজেপির এই আন্দোলন চলছে। ভারতের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। তবে নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন বিজেপি নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিষয়: