ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছে ককরোচ জনতা পার্টি ও বিরোধী জোট। এই বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে অন্তত ৩৭ সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম অধিকার রক্ষা সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)।
এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, সাংবাদিকদের আটকের পাশাপাশি কয়েকজনকে মারধরও করা হয়েছে।
সংবাদ প্রতিবেদন, সরাসরি সাক্ষাৎকার এবং সাংবাদিক ও তাদের সংবাদমাধ্যমের সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট যাচাই করে এ তথ্য পেয়েছে সিপিজে।
সংস্থাটি জানায়, নয়াদিল্লিতে দুই দিনে অন্তত ৩৫ সাংবাদিককে আটক করা হয়। অন্য শহরে সংহতি কর্মসূচির খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আটক হন আরও দুই সাংবাদিক।
১১ই অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা সাংবাদিক, আইনজীবী ও অন্যান্য পেশাজীবীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হবে না বলে সরকারের কাছ থেকে আশ্বাস পান। এরপরও সাংবাদিকদের আটক করা হয়।
আদালত নির্দেশ দেন, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে আটক করা যাবে না। ১৩ই অক্টোবর বিষয়টি আবার আদালতে শুনানির কথা রয়েছে।
সিপিজের এশিয়া-প্যাসিফিক কর্মসূচির সমন্বয়ক কুনাল মজুমদার বিবৃতিতে বলেন, “১০ ও ১১ই অক্টোবর ভারতের পুলিশ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের খবর সংগ্রহের সময় অন্তত ৩৭ সাংবাদিককে আটক করে। তাদের কয়েকজনকে মারধর ও হেনস্তা করা হয়। অনেকে পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধার মুখে পড়েন।”
তিনি বলেন, “এসব ঘটনা ভারতের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের জন্য উদ্বেগজনক। এ ধরনের ঘটনা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং সাংবাদিকদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে।”
মজুমদার সাংবাদিকদের কাজে হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং তাদের ওপর হামলা বা দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।



