একটি বাক্য, দুটি ভিন্ন অংশ এবং ৫৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও; সামাজিক মাধ্যমে মাহরাং বালোচের বক্তব্যকে ঘিরে ছড়ানো দাবির পেছনের সত্য কী?
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএমআপডেট : ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ পিএম
“ইয়ে বাঙ্গাল নেহি হ্যায়। ইয়ে বালোচিস্তান হ্যায়। হাম কাভি নেহি ভুলেঙ্গে হামারে শাহিদো কো” (এটা বাংলা না, এটা বালোচিস্তান। আমরা আমাদের শহীদদের কখনো ভুলবো না)। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো এক ভিডিওতে এ কথা বলতে শোনা যায় বালোচিস্তানের রাজনৈতিক নেত্রী মাহরাং বালোচকে। তার ভাষণের খণ্ডিত অংশ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অনেকেই দাবি করছেন, বাংলাদেশের সমালোচনা করতে এ কথা বলেছেন মাহরাং বালোচ।
বিতর্কের সূত্র খুঁজতে পুরো ভিডিও বিশ্লেষণ করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থা ডিসমিসল্যাব।
ডিসমিসল্যাবের ওয়েবসাইটে ভাষণের একটি অংশ কেটে প্রকাশ করা বিভিন্ন পোস্টের লিংক দেওয়া হয়েছে। সেসব পোস্টে ভাষণের অংশটিকে বাংলাদেশের প্রতি ‘টিটকারি’ কিংবা বাংলাদেশকে ‘লজ্জা’ দেওয়া হিসেবে দেখা হয়েছে। ইন্সটাগ্রামের এক পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “এই বক্তব্য শোনার পর উপলব্ধি হচ্ছে, সারাবিশ্ব এখন জানে, বাংলাদেশ তার দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান ছাড়া সম্মান করতে জানে না।”
ফেসবুকের এক পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “বাঙালির দেশপ্রেম নিয়ে টিপ্পনী কাটছে বালুচের নেত্রী মাহরাং বালোচ।”
ডিসমিসল্যাবের বিশ্লেষণে বলা হয়, ড. মাহরাং বালোচের ৫৫ সেকেন্ড ভাষণটি কয়েকটি ক্লিপ জোড়া দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়।
“এটা বাংলা নয়, এটা বালোচিস্তান” এবং “আমরা আমাদের শহীদদের কখনো ভুলবো না” - এই বাক্য দু’টির মাঝে একটি অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ডিসমিসল্যাব। ভাষণের দু’টি ভিন্ন জায়গা থেকে লাইনগুলো কেটে একসাথে করে ৫৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ডিসমিসল্যাব।
মাহরাং বালোচের সংগঠন বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৪ সালে এই ভাষণের পূর্ণাঙ্গ ভিডিও প্রকাশ করা হয়।
পুরো ভিডিও বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়, ভাষণে একাধিকবার মাহরাং বালোচ বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামের কথা উল্লেখ করেন। ভিডিওটির ১০ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের দিকে মাহরাং বালোচকে উর্দুতে বলতে শোনা যায়, “যেভাবে ২১এ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় সেই জোয়ানদের হত্যা করা হয়েছিলো, যারা নিজেদের ভাষার জন্য লড়ছিলো, যেভাবে ২১এ ডিসেম্বর আপনাদের নারীদের সালওয়ারে টান দিয়েছিলো, সেই দিনগুলো মনে রাখতে হবে।”
ভাষণে তিনি পাকিস্তানের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে বালোচিস্তানের নারীদের হেনস্তার অভিযোগ তোলেন। এই হেনস্তার সাথে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের নারীদের ওপর হওয়া নির্যাতনের তুলনাও টানেন।
“এই জাতিকে দেখো, এই হতভাগা সেই একই জাতি যারা বাঙালি নারীদের ইজ্জত লুণ্ঠন করেছিলো। ওরা আমাদের ওপর কখনো দয়া করবে না, ওরা কখনো দয়া করতে পারে না,” ভাষণে বলেছেন মাহরাং।
ভাষণের ১৩ মিনিট ২৭ সেকেন্ডে তিনি আরও বলেন, “এটা সেই জাতি, যাদের প্যান্ট বাঙালিরা খুলে দিয়েছিলো।”
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর নানা অত্যাচার ও নিপীড়নের কথা উল্লেখ করে ১৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে দিকে তিনি বলেন, “এটা ১৯৪৭ না, এটা ২০২৩। আর এটা বাংলা না, এটা বালোচিস্তান।” ভাষণের এ পর্যায়ে তিনি “আমরা আমাদের শহীদদের কখনো ভুলবো না” এ কথাটি বলেননি, যেমনটা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওগুলোয় দেখা যাচ্ছিলো।
ভাষণের শেষদিকে ‘বালোচ গণহত্যা দিবস’ ঘোষণা করতে গিয়ে তিনি পাকিস্তানের সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, “ওই মানুষদের স্মরণ করবো, যাদের আপনারা আপনাদের টর্চার সেলে হত্যা করেছেন, যারা শহীদ হওয়ার সময় এই বিপ্লবের স্বপ্ন দেখেছিলেন; যা আজ আমার সামনে উপস্থিত। আমরা মনে করিয়ে দিতে থাকবো যে আমাদের কতো প্রজন্মকে আপনাদের কামান দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন।”
একথা বলার পর তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের মনে করিয়ে দিতে থাকবো যে আমরা আমাদের শহীদদের কখনো ভুলবো না।” এই বাক্যটিই মূলত কেটে অন্য বাক্যের সাথে জুড়ে দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছিলো।
সামাজিক মাধ্যমে ৫৫ সেকেন্ডের সেই ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয় বাংলাদেশে ২০২৪ সালের অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের নানা স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংসের প্রেক্ষাপটে মাহরাং বালোচ এ কথা বলেন।
তবে মাহরাং বালোচের পূর্ণাঙ্গ ভাষণের ভিডিওটি ২০২৪ সালের ৩০এ জানুয়ারি ইউটিউবে প্রকাশিত হয়। ভিডিও প্রকাশের সময় ‘২৪ এর অভ্যুত্থানও হয়নি, এবং মুক্তিযুদ্ধের কোনো স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংসও হয়নি।
২০১১ সালে পুলিশের হেফাজতে মাহরাং বালোচের বাবার মৃত্যু হয়। ২০১৭ সালে তার ভাই গ্রেপ্তার হন। এ সময়ই মূলত তিনি গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন এবং বালোচিস্তানে জনপ্রিয়তা পান।
তার প্রতিষ্ঠান ‘বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটি’ একটি মানবাধিকার সংস্থা, যা বালোচিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে কাজ করে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময় সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। টাইম ম্যাগাজিনের ‘ইমার্জিং ইনফ্লুয়েনশিয়াল ফিগারস’ তালিকায় ২০২৪ সালের অক্টোবরে তার নাম আসে।
২০২৫ সালে বালোচিস্তানের কেত্তা শহর থেকে পাকিস্তানের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাহরাং বালোচকে গ্রেপ্তার করে এবং তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের মামলা দেওয়া হয়। পাকিস্তানের মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস কমিশন অফ পাকিস্তান’ এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা তার গ্রেপ্তার নিয়ে নিন্দা প্রকাশ করে। আন্তর্জাতিক মহল থেকে পরিবেশ ও মানবাধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ ও নোবেল বিজয়ী মালালা ইউসাফজাই তার কাজের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ নিয়ে আসলে কী বলেছিলেন মাহরাং বালোচ?
একটি বাক্য, দুটি ভিন্ন অংশ এবং ৫৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও; সামাজিক মাধ্যমে মাহরাং বালোচের বক্তব্যকে ঘিরে ছড়ানো দাবির পেছনের সত্য কী?
“ইয়ে বাঙ্গাল নেহি হ্যায়। ইয়ে বালোচিস্তান হ্যায়। হাম কাভি নেহি ভুলেঙ্গে হামারে শাহিদো কো” (এটা বাংলা না, এটা বালোচিস্তান। আমরা আমাদের শহীদদের কখনো ভুলবো না)। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো এক ভিডিওতে এ কথা বলতে শোনা যায় বালোচিস্তানের রাজনৈতিক নেত্রী মাহরাং বালোচকে। তার ভাষণের খণ্ডিত অংশ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অনেকেই দাবি করছেন, বাংলাদেশের সমালোচনা করতে এ কথা বলেছেন মাহরাং বালোচ।
বিতর্কের সূত্র খুঁজতে পুরো ভিডিও বিশ্লেষণ করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থা ডিসমিসল্যাব।
ডিসমিসল্যাবের ওয়েবসাইটে ভাষণের একটি অংশ কেটে প্রকাশ করা বিভিন্ন পোস্টের লিংক দেওয়া হয়েছে। সেসব পোস্টে ভাষণের অংশটিকে বাংলাদেশের প্রতি ‘টিটকারি’ কিংবা বাংলাদেশকে ‘লজ্জা’ দেওয়া হিসেবে দেখা হয়েছে। ইন্সটাগ্রামের এক পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “এই বক্তব্য শোনার পর উপলব্ধি হচ্ছে, সারাবিশ্ব এখন জানে, বাংলাদেশ তার দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান ছাড়া সম্মান করতে জানে না।”
ফেসবুকের এক পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “বাঙালির দেশপ্রেম নিয়ে টিপ্পনী কাটছে বালুচের নেত্রী মাহরাং বালোচ।”
ডিসমিসল্যাবের বিশ্লেষণে বলা হয়, ড. মাহরাং বালোচের ৫৫ সেকেন্ড ভাষণটি কয়েকটি ক্লিপ জোড়া দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়।
“এটা বাংলা নয়, এটা বালোচিস্তান” এবং “আমরা আমাদের শহীদদের কখনো ভুলবো না” - এই বাক্য দু’টির মাঝে একটি অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ডিসমিসল্যাব।
ভাষণের দু’টি ভিন্ন জায়গা থেকে লাইনগুলো কেটে একসাথে করে ৫৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ডিসমিসল্যাব।
মাহরাং বালোচের সংগঠন বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৪ সালে এই ভাষণের পূর্ণাঙ্গ ভিডিও প্রকাশ করা হয়।
পুরো ভিডিও বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়, ভাষণে একাধিকবার মাহরাং বালোচ বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামের কথা উল্লেখ করেন। ভিডিওটির ১০ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের দিকে মাহরাং বালোচকে উর্দুতে বলতে শোনা যায়, “যেভাবে ২১এ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় সেই জোয়ানদের হত্যা করা হয়েছিলো, যারা নিজেদের ভাষার জন্য লড়ছিলো, যেভাবে ২১এ ডিসেম্বর আপনাদের নারীদের সালওয়ারে টান দিয়েছিলো, সেই দিনগুলো মনে রাখতে হবে।”
ভাষণে তিনি পাকিস্তানের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে বালোচিস্তানের নারীদের হেনস্তার অভিযোগ তোলেন। এই হেনস্তার সাথে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের নারীদের ওপর হওয়া নির্যাতনের তুলনাও টানেন।
“এই জাতিকে দেখো, এই হতভাগা সেই একই জাতি যারা বাঙালি নারীদের ইজ্জত লুণ্ঠন করেছিলো। ওরা আমাদের ওপর কখনো দয়া করবে না, ওরা কখনো দয়া করতে পারে না,” ভাষণে বলেছেন মাহরাং।
ভাষণের ১৩ মিনিট ২৭ সেকেন্ডে তিনি আরও বলেন, “এটা সেই জাতি, যাদের প্যান্ট বাঙালিরা খুলে দিয়েছিলো।”
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর নানা অত্যাচার ও নিপীড়নের কথা উল্লেখ করে ১৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে দিকে তিনি বলেন, “এটা ১৯৪৭ না, এটা ২০২৩। আর এটা বাংলা না, এটা বালোচিস্তান।” ভাষণের এ পর্যায়ে তিনি “আমরা আমাদের শহীদদের কখনো ভুলবো না” এ কথাটি বলেননি, যেমনটা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওগুলোয় দেখা যাচ্ছিলো।
ভাষণের শেষদিকে ‘বালোচ গণহত্যা দিবস’ ঘোষণা করতে গিয়ে তিনি পাকিস্তানের সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, “ওই মানুষদের স্মরণ করবো, যাদের আপনারা আপনাদের টর্চার সেলে হত্যা করেছেন, যারা শহীদ হওয়ার সময় এই বিপ্লবের স্বপ্ন দেখেছিলেন; যা আজ আমার সামনে উপস্থিত। আমরা মনে করিয়ে দিতে থাকবো যে আমাদের কতো প্রজন্মকে আপনাদের কামান দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন।”
একথা বলার পর তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের মনে করিয়ে দিতে থাকবো যে আমরা আমাদের শহীদদের কখনো ভুলবো না।” এই বাক্যটিই মূলত কেটে অন্য বাক্যের সাথে জুড়ে দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছিলো।
সামাজিক মাধ্যমে ৫৫ সেকেন্ডের সেই ভিডিওটি নিয়ে বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয় বাংলাদেশে ২০২৪ সালের অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের নানা স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংসের প্রেক্ষাপটে মাহরাং বালোচ এ কথা বলেন।
তবে মাহরাং বালোচের পূর্ণাঙ্গ ভাষণের ভিডিওটি ২০২৪ সালের ৩০এ জানুয়ারি ইউটিউবে প্রকাশিত হয়। ভিডিও প্রকাশের সময় ‘২৪ এর অভ্যুত্থানও হয়নি, এবং মুক্তিযুদ্ধের কোনো স্মৃতিচিহ্ন ধ্বংসও হয়নি।
২০১১ সালে পুলিশের হেফাজতে মাহরাং বালোচের বাবার মৃত্যু হয়। ২০১৭ সালে তার ভাই গ্রেপ্তার হন। এ সময়ই মূলত তিনি গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন এবং বালোচিস্তানে জনপ্রিয়তা পান।
তার প্রতিষ্ঠান ‘বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটি’ একটি মানবাধিকার সংস্থা, যা বালোচিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে কাজ করে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময় সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। টাইম ম্যাগাজিনের ‘ইমার্জিং ইনফ্লুয়েনশিয়াল ফিগারস’ তালিকায় ২০২৪ সালের অক্টোবরে তার নাম আসে।
২০২৫ সালে বালোচিস্তানের কেত্তা শহর থেকে পাকিস্তানের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাহরাং বালোচকে গ্রেপ্তার করে এবং তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের মামলা দেওয়া হয়। পাকিস্তানের মানবাধিকার সংস্থা ‘হিউম্যান রাইটস কমিশন অফ পাকিস্তান’ এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা তার গ্রেপ্তার নিয়ে নিন্দা প্রকাশ করে। আন্তর্জাতিক মহল থেকে পরিবেশ ও মানবাধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ ও নোবেল বিজয়ী মালালা ইউসাফজাই তার কাজের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন।
বিষয়: