প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:১১ এএমআপডেট : ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:১১ এএম
ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক। নতুন করে ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে সতর্ক করে বলেছেন, “তাদের ঠিকভাবে আচরণ করতে হবে।”
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হুমকি তৈরি করতে ব্যবহৃত ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্য করেই বুধবারের হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি, ইরানের বন্দর অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করা একটি জাহাজেও গুলি চালানোর কথা জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আগে ইরান দাবি করে, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে হওয়া প্রাথমিক সমঝোতা কার্যত অচল হয়ে পড়ায় টানা পঞ্চম দিনের মতো দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইরান আলোচনায় না ফিরলে দেশটির সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে। বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি সময়সীমা দিতে চাই না। তবে তারা জানে কী করতে হবে। তাদের ঠিকভাবে আচরণ করতে হবে।”
ইরান সমঝোতা করতে আগ্রহী হলেও শেষ পর্যন্ত আলোচনায় যাওয়া হবে, নাকি সামরিক অভিযান আরও এগিয়ে নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত এখনও খোলা রয়েছে বলেও জানান ট্রাম্প।
ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, সমঝোতা থেকে ইরানের কোনো লাভ না হলে তা মেনে চলার কোনো কারণ নেই। তার ভাষায়, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা জাতীয় স্বার্থের অংশ এবং আলোচনার পাশাপাশি প্রতিরোধও তাদের কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বুধবার দিনের দ্বিতীয় দফা হামলায় গ্রেটার তুনব দ্বীপ, বান্দার আব্বাসসহ বিভিন্ন এলাকায় ইরানের কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা এবং উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে। তাদের দাবি, এসব হামলায় হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা আরও দুর্বল হয়েছে।
সংঘাতের মধ্যেই ডনাল্ড ট্রাম্প জানান, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ইরানে আটক থাকা মার্কিন নাগরিক ডেনা কারারিকে মুক্তি দিয়েছে তেহরান। তিনি এটিকে ইরানের একটি "সদিচ্ছার পদক্ষেপ" হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পুনরায় আরোপ করা বন্দর অবরোধের জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট তেল ও গ্যাস রপ্তানির অন্যান্য পথও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে এই উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রভাব ফেলছে। ট্যাংকার চলাচল কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
ইরানে হামলা চালিয়ে ট্রাম্প বললেন ‘ভালো আচরণ করুন’
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক। নতুন করে ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে সতর্ক করে বলেছেন, “তাদের ঠিকভাবে আচরণ করতে হবে।”
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হুমকি তৈরি করতে ব্যবহৃত ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্য করেই বুধবারের হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি, ইরানের বন্দর অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করা একটি জাহাজেও গুলি চালানোর কথা জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আগে ইরান দাবি করে, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে হওয়া প্রাথমিক সমঝোতা কার্যত অচল হয়ে পড়ায় টানা পঞ্চম দিনের মতো দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইরান আলোচনায় না ফিরলে দেশটির সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে। বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি সময়সীমা দিতে চাই না। তবে তারা জানে কী করতে হবে। তাদের ঠিকভাবে আচরণ করতে হবে।”
ইরান সমঝোতা করতে আগ্রহী হলেও শেষ পর্যন্ত আলোচনায় যাওয়া হবে, নাকি সামরিক অভিযান আরও এগিয়ে নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত এখনও খোলা রয়েছে বলেও জানান ট্রাম্প।
ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, সমঝোতা থেকে ইরানের কোনো লাভ না হলে তা মেনে চলার কোনো কারণ নেই। তার ভাষায়, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা জাতীয় স্বার্থের অংশ এবং আলোচনার পাশাপাশি প্রতিরোধও তাদের কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বুধবার দিনের দ্বিতীয় দফা হামলায় গ্রেটার তুনব দ্বীপ, বান্দার আব্বাসসহ বিভিন্ন এলাকায় ইরানের কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা এবং উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে। তাদের দাবি, এসব হামলায় হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা আরও দুর্বল হয়েছে।
সংঘাতের মধ্যেই ডনাল্ড ট্রাম্প জানান, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ইরানে আটক থাকা মার্কিন নাগরিক ডেনা কারারিকে মুক্তি দিয়েছে তেহরান। তিনি এটিকে ইরানের একটি "সদিচ্ছার পদক্ষেপ" হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পুনরায় আরোপ করা বন্দর অবরোধের জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট তেল ও গ্যাস রপ্তানির অন্যান্য পথও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে এই উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রভাব ফেলছে। ট্যাংকার চলাচল কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
বিষয়: