প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৬ পিএমআপডেট : ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। টানা তৃতীয় দিনের মতো ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও দ্বীপগুলোতে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
মার্কিন হামলার জবাবে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি)। তাদের দাবি, এই হামলায় মার্কিন ঘাঁটিটির জ্বালানি ডিপো এবং প্যাট্রিয়ট রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া জর্ডানের একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতেও তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে আইআরজিসি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় এক ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আবারও নৌ-অবরোধ আরোপ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি প্রস্তাব করেছেন, এই পথ ব্যবহারকারী সকল বাণিজ্যিক কার্গোর ওপর ২০ শতাংশ শুল্কের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালির ‘অভিভাবকের' দায়িত্ব নেওয়ার। ট্রাম্পের এই প্রস্তাবকে ‘জলদস্যুতা’ বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা।
দীর্ঘ আলোচনার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় জুনের মাঝামাঝি একটি সমঝোতায় পৌঁছেছিলো দুই দেশ। সমঝোতার অধীনে উভয়পক্ষ সব ফ্রন্টে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করতে রাজি হয়। ইরানও কোনো শুল্ক ছাড়াই হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তুলে নিতে শুরু করে ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ।
এই চুক্তির এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে অন্তত তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালায় ইরান। তাদের দাবি, নির্দেশনা না মানায় চালানো হয়েছে এসব হামলা।
জবাবে ৭ই জুলাই ইরানের ওপর পুনরায় বোমাবর্ষণ শুরু করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শান্তি চুক্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মৃত’ ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
তৃতীয় দিনে সংঘাত, ইরান-মার্কিন শান্তি চুক্তি 'মৃত'
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। টানা তৃতীয় দিনের মতো ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও দ্বীপগুলোতে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
মার্কিন হামলার জবাবে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি)। তাদের দাবি, এই হামলায় মার্কিন ঘাঁটিটির জ্বালানি ডিপো এবং প্যাট্রিয়ট রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া জর্ডানের একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতেও তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে আইআরজিসি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় এক ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আবারও নৌ-অবরোধ আরোপ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি প্রস্তাব করেছেন, এই পথ ব্যবহারকারী সকল বাণিজ্যিক কার্গোর ওপর ২০ শতাংশ শুল্কের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালির ‘অভিভাবকের' দায়িত্ব নেওয়ার। ট্রাম্পের এই প্রস্তাবকে ‘জলদস্যুতা’ বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা।
দীর্ঘ আলোচনার পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় জুনের মাঝামাঝি একটি সমঝোতায় পৌঁছেছিলো দুই দেশ। সমঝোতার অধীনে উভয়পক্ষ সব ফ্রন্টে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করতে রাজি হয়। ইরানও কোনো শুল্ক ছাড়াই হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তুলে নিতে শুরু করে ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ।
এই চুক্তির এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে অন্তত তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালায় ইরান। তাদের দাবি, নির্দেশনা না মানায় চালানো হয়েছে এসব হামলা।
জবাবে ৭ই জুলাই ইরানের ওপর পুনরায় বোমাবর্ষণ শুরু করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শান্তি চুক্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মৃত’ ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
বিষয়: