'ভেঙে গেছে' যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি: মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:২১ পিএমআপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সই হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে গেছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তুরস্কের আঙ্কারায় চলমান নেটো শীর্ষ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই কথা জানান ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের সূচনা হয়। ইরানের হরমুজগান প্রদেশ এবং মাহশাহর অঞ্চলের উপকূলীয় ঘাঁটি ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের ৬০টিরও বেশি ছোট স্পিডবোটসহ মোট ৮০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার কথা জানায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে এই আঘাত বলে জানায় সেন্টকম।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। ইরানের ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের নৌ ও বিমানবাহিনী যৌথভাবে ড্রোন এবং মিসাইল অপারেশন চালিয়েছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, তারা বাহরাইনের সালমান পোর্টে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরসহ প্রায় ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় একযোগে আঘাত হেনেছে। এছাড়া কুয়েতের আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে ইরান।
গত জুনে সই হওয়া যুদ্ধবিরতি কি 'মৃত' কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, "আমার বিবেচনায় এটি শেষ। আমি ওদের সাথে আর কোনো লেনদেন করতে চাই না, ওরা আবর্জনা, অসুস্থ মানুষ, এবং চরম সহিংস। যদি ওদের কাছে পরমাণু অস্ত্র থাকতো, তবে ওরা সেটা ব্যবহার করতো"।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো। এর মূল লক্ষ্য ছিলো মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে একটি অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা।
চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশ সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ রাখতে এবং ৬০ দিনের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে সম্মত হয়েছিলো। এছাড়া, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, তাদের জব্দকৃত অর্থ অবমুক্ত করা এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখা ছিলো এই চুক্তির অন্যতম শর্ত।
তবে বর্তমানে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় এই চুক্তি অকার্যকর হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়াকে শুধুই ‘সময়ের অপচয়’ বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পরপরই বিশ্ববাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে তেলের দাম। ট্রাম্পের বক্তব্যের আগে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ছিলো ৭৬ ডলারের নিচে। কিন্তু ট্রাম্পের বক্তব্যের পর তা মুহূর্তেই ৭৮ ডলার ছাড়িয়ে যায়। যা ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।
'ভেঙে গেছে' যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি: মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সই হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে গেছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তুরস্কের আঙ্কারায় চলমান নেটো শীর্ষ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই কথা জানান ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের সূচনা হয়। ইরানের হরমুজগান প্রদেশ এবং মাহশাহর অঞ্চলের উপকূলীয় ঘাঁটি ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের ৬০টিরও বেশি ছোট স্পিডবোটসহ মোট ৮০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার কথা জানায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে এই আঘাত বলে জানায় সেন্টকম।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। ইরানের ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের নৌ ও বিমানবাহিনী যৌথভাবে ড্রোন এবং মিসাইল অপারেশন চালিয়েছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, তারা বাহরাইনের সালমান পোর্টে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরসহ প্রায় ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় একযোগে আঘাত হেনেছে। এছাড়া কুয়েতের আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে ইরান।
গত জুনে সই হওয়া যুদ্ধবিরতি কি 'মৃত' কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, "আমার বিবেচনায় এটি শেষ। আমি ওদের সাথে আর কোনো লেনদেন করতে চাই না, ওরা আবর্জনা, অসুস্থ মানুষ, এবং চরম সহিংস। যদি ওদের কাছে পরমাণু অস্ত্র থাকতো, তবে ওরা সেটা ব্যবহার করতো"।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো। এর মূল লক্ষ্য ছিলো মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে একটি অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা।
চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশ সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ রাখতে এবং ৬০ দিনের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে সম্মত হয়েছিলো। এছাড়া, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, তাদের জব্দকৃত অর্থ অবমুক্ত করা এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখা ছিলো এই চুক্তির অন্যতম শর্ত।
তবে বর্তমানে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় এই চুক্তি অকার্যকর হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়াকে শুধুই ‘সময়ের অপচয়’ বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পরপরই বিশ্ববাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে তেলের দাম। ট্রাম্পের বক্তব্যের আগে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ছিলো ৭৬ ডলারের নিচে। কিন্তু ট্রাম্পের বক্তব্যের পর তা মুহূর্তেই ৭৮ ডলার ছাড়িয়ে যায়। যা ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।