খামেইনির শেষ বিদায়, সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক শুরু
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএমআপডেট : ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
শুক্রবার ইরানের রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদের প্রার্থনাকক্ষে খামেইনির মরদেহ জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়।
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেইনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।
শুক্রবার ইরানের রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদের প্রার্থনাকক্ষে তার মরদেহ জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। সেখানে দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতা, বিদেশি প্রতিনিধিদল এবং হাজারো শোকাহত মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ২৮শে ফেব্রুয়ারি নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেইনি। এক সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ও বিদায় আয়োজনের মাধ্যমে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি জনসমর্থন এবং নিজস্ব ধর্মীয় ঐতিহ্য তুলে ধরতে চাইছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার রাতে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে আনা হয় খামেইনির কফিন। শোকাহত সমর্থকদের কান্না, শোকগাথা এবং ফুল ছুড়ে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয় রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা।
শুক্রবার তার কফিনের পাশাপাশি হামলায় নিহত পরিবারের সদস্যদের মরদেহও রাখা হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুধু তেহরানেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। সোমবার রাজধানীতে প্রধান শোকযাত্রা শেষে মরদেহ নেওয়া হবে ধর্মীয় নগরী কুমে। এরপর ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় পৃথক শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে আগামী বৃহস্পতিবার নিজ শহর মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে খামেইনির শেষ বিদায়কে কেন্দ্র করে তেহরানজুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বাসিজ বাহিনীর সদস্যদের টহল বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে যেকোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেইনির কফিনের ওপর রাখা হয়েছে একটি কালো পাগড়ি, যা নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর বংশধরদের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। পাশাপাশি একটি চেক নকশার স্কার্ফ রাখা হয়েছে, যা ইরানে বিপ্লবী আদর্শ ও ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
শেষ বিদায়ে রাশিয়া ও চীনের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি ইরাক, আর্মেনিয়া ও পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। এছাড়া লেবাননের হেজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ এবং শীর্ষ কমান্ডার ইমাদ মুগনিয়াহর পরিবারের সদস্যরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামী রীতি অনুযায়ী সাধারণত মৃত্যুর পর দ্রুত দাফন সম্পন্ন করা হলেও, যুদ্ধকালীন নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে খামেইনির দাফন বিলম্বিত করা হয়েছে। যুদ্ধবিরতির পর এখন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষ বিদায়ের আয়োজন করছে ইরান।
খামেইনির শেষ বিদায়, সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক শুরু
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেইনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।
শুক্রবার ইরানের রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদের প্রার্থনাকক্ষে তার মরদেহ জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। সেখানে দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতা, বিদেশি প্রতিনিধিদল এবং হাজারো শোকাহত মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ২৮শে ফেব্রুয়ারি নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেইনি। এক সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ও বিদায় আয়োজনের মাধ্যমে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি জনসমর্থন এবং নিজস্ব ধর্মীয় ঐতিহ্য তুলে ধরতে চাইছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার রাতে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে আনা হয় খামেইনির কফিন। শোকাহত সমর্থকদের কান্না, শোকগাথা এবং ফুল ছুড়ে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয় রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা।
শুক্রবার তার কফিনের পাশাপাশি হামলায় নিহত পরিবারের সদস্যদের মরদেহও রাখা হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুধু তেহরানেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। সোমবার রাজধানীতে প্রধান শোকযাত্রা শেষে মরদেহ নেওয়া হবে ধর্মীয় নগরী কুমে। এরপর ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় পৃথক শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে আগামী বৃহস্পতিবার নিজ শহর মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে খামেইনির শেষ বিদায়কে কেন্দ্র করে তেহরানজুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বাসিজ বাহিনীর সদস্যদের টহল বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে যেকোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেইনির কফিনের ওপর রাখা হয়েছে একটি কালো পাগড়ি, যা নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর বংশধরদের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। পাশাপাশি একটি চেক নকশার স্কার্ফ রাখা হয়েছে, যা ইরানে বিপ্লবী আদর্শ ও ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
শেষ বিদায়ে রাশিয়া ও চীনের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি ইরাক, আর্মেনিয়া ও পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। এছাড়া লেবাননের হেজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ এবং শীর্ষ কমান্ডার ইমাদ মুগনিয়াহর পরিবারের সদস্যরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামী রীতি অনুযায়ী সাধারণত মৃত্যুর পর দ্রুত দাফন সম্পন্ন করা হলেও, যুদ্ধকালীন নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে খামেইনির দাফন বিলম্বিত করা হয়েছে। যুদ্ধবিরতির পর এখন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষ বিদায়ের আয়োজন করছে ইরান।
বিষয়: