শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া এই বিরতিহীন বর্ষণে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসের সকালেই কার্যত পানির নিচে তলিয়ে গেছে পুরো ঢাকা।
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:২৭ পিএমআপডেট : ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম
শনিবার রাতভর বৃষ্টি। রবিবার সকাল থেকেও কমার নাম নেই। আবহাওয়া পূর্ভাবাস বলছে চলতে পারে আরো দু-তিন দিন।
ঢাকা কার্যত পানিবন্দি। সীমাহীন দুর্ভোগে পরেছেন শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ। রাস্তায় বন্ধ হয়ে গেছে অসংখ্য মোটরযান।
জমে থাকা পানিতে যানবাহনের গতি এমনিতেই কম, তার ওপর গাড়ি নষ্ট হয়ে তৈরি হয়েছে অসহনীয় যানজট।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপ আর আষাঢ়ের শেষে এসে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রাজধানী ঢাকায় এই রেকর্ডভাঙা মুষলধারে বৃষ্টি।
শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া এই বিরতিহীন বর্ষণে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসের সকালেই কার্যত পানির নিচে তলিয়ে গেছে পুরো ঢাকা।
গুরুত্বপূর্ণ প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি, সবখানেই থইথই করছে পানি। ভোর থেকে শুরু হওয়া এই ‘জলযট’ আর যানজটের ধাক্কায় নাকাল নগরবাসী।
৩ঘণ্টায়২৭ মি.মি. বৃষ্টি, ২৪ঘণ্টায়রেকর্ড৯৭মি.মি.
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, রবিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ঢাকায় ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
আর শনিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৭৬ মিলিমিটার। সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
রবিবার দুপুর পর্যন্তও বৃষ্টির দাপট থামেনি। থেমে থেমে চলছেই। এতে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
সড়কেযানবাহনের ‘জলসমাধি’
ভোর থেকেই মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, ধানমন্ডি, গ্রিনরোড, পান্থপথ, কারওয়ান বাজার, প্রগতি সরণি, তেজতুরী বাজার, খিলগাঁও, বনানী, মহাখালীসহ অধিকাংশ এলাকায় পানি জমে যায়।
কোথাও হাঁটু সমান, কোথাও কোমর সমান পানিতে তলিয়ে যায় রাস্তা। ব্যস্ত সড়কে পানি জমে থাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল এবং ব্যক্তিগত গাড়ির ইঞ্জিনে পানি ঢুকে মাঝরাস্তায় বিকল হয়ে পড়েছে।
এতে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ যানজট। গণপরিবহনের তীব্র সংকট থাকায় অফিসযাত্রীদের অনেককেই বাধ্য হয়ে হাঁটু পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে হয়েছে। রিকশাচালকরাও ভাড়া হাঁকিয়েছেন কয়েকগুন।
আরও৪৮ ঘণ্টার ঝক্কি
নগরবাসীর জন্য আপাতত স্বস্তির খবর দিতে পারছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টি থাকতে পারে আরো ৪৮ ঘণ্টা।
আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান আলাপ-কে বলেন, “সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। সারা দেশেই আরো অন্তত ৪৮ ঘণ্টা বৃষ্টি চলতে পারে। তবে সোমবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কমে আসবে।”
আবহাওয়া অফিস বলছে, ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায় আগামী আরও ২ থেকে ৩ দিন আকাশ মেঘলাসহ দফায় দফায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
১৪ই জুলাই থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কমে আসতে পারে। তাই এর আগ পর্যন্ত জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
টানা বৃষ্টির কারণে ঢাকার তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও, কর্মব্যস্ত দিনে চরম ভোগান্তি আর অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কী আবারো মনে করিয়ে দিলো ‘তিলোত্তমা’ ঢাকার স্বরূপ?
মুষলধারে বৃষ্টিতে ‘ডুবলো’ ঢাকা: দুর্ভোগের রবিবারে পণ্ড জনজীবন
শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া এই বিরতিহীন বর্ষণে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসের সকালেই কার্যত পানির নিচে তলিয়ে গেছে পুরো ঢাকা।
শনিবার রাতভর বৃষ্টি। রবিবার সকাল থেকেও কমার নাম নেই। আবহাওয়া পূর্ভাবাস বলছে চলতে পারে আরো দু-তিন দিন।
ঢাকা কার্যত পানিবন্দি। সীমাহীন দুর্ভোগে পরেছেন শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ। রাস্তায় বন্ধ হয়ে গেছে অসংখ্য মোটরযান।
জমে থাকা পানিতে যানবাহনের গতি এমনিতেই কম, তার ওপর গাড়ি নষ্ট হয়ে তৈরি হয়েছে অসহনীয় যানজট।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপ আর আষাঢ়ের শেষে এসে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রাজধানী ঢাকায় এই রেকর্ডভাঙা মুষলধারে বৃষ্টি।
শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া এই বিরতিহীন বর্ষণে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসের সকালেই কার্যত পানির নিচে তলিয়ে গেছে পুরো ঢাকা।
গুরুত্বপূর্ণ প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি, সবখানেই থইথই করছে পানি। ভোর থেকে শুরু হওয়া এই ‘জলযট’ আর যানজটের ধাক্কায় নাকাল নগরবাসী।
৩ ঘণ্টায় ২৭ মি.মি. বৃষ্টি, ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৯৭ মি.মি.
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, রবিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ঢাকায় ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
আর শনিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ৭৬ মিলিমিটার। সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
রবিবার দুপুর পর্যন্তও বৃষ্টির দাপট থামেনি। থেমে থেমে চলছেই। এতে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
সড়কে যানবাহনের ‘জলসমাধি’
ভোর থেকেই মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, ধানমন্ডি, গ্রিনরোড, পান্থপথ, কারওয়ান বাজার, প্রগতি সরণি, তেজতুরী বাজার, খিলগাঁও, বনানী, মহাখালীসহ অধিকাংশ এলাকায় পানি জমে যায়।
কোথাও হাঁটু সমান, কোথাও কোমর সমান পানিতে তলিয়ে যায় রাস্তা। ব্যস্ত সড়কে পানি জমে থাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল এবং ব্যক্তিগত গাড়ির ইঞ্জিনে পানি ঢুকে মাঝরাস্তায় বিকল হয়ে পড়েছে।
এতে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ যানজট। গণপরিবহনের তীব্র সংকট থাকায় অফিসযাত্রীদের অনেককেই বাধ্য হয়ে হাঁটু পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে হয়েছে। রিকশাচালকরাও ভাড়া হাঁকিয়েছেন কয়েকগুন।
আরও ৪৮ ঘণ্টার ঝক্কি
নগরবাসীর জন্য আপাতত স্বস্তির খবর দিতে পারছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টি থাকতে পারে আরো ৪৮ ঘণ্টা।
আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান আলাপ-কে বলেন, “সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। সারা দেশেই আরো অন্তত ৪৮ ঘণ্টা বৃষ্টি চলতে পারে। তবে সোমবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কমে আসবে।”
আবহাওয়া অফিস বলছে, ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায় আগামী আরও ২ থেকে ৩ দিন আকাশ মেঘলাসহ দফায় দফায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
১৪ই জুলাই থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কমে আসতে পারে। তাই এর আগ পর্যন্ত জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
টানা বৃষ্টির কারণে ঢাকার তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও, কর্মব্যস্ত দিনে চরম ভোগান্তি আর অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কী আবারো মনে করিয়ে দিলো ‘তিলোত্তমা’ ঢাকার স্বরূপ?