প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৩ পিএমআপডেট : ১১ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
এখন থেকে রাইড শেয়ারিং এ নিয়োজিত মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৫ লিটার পর্যন্ত পেট্রোল বা অকটেন নেওয়া যাবে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মহানগরে রাইড শেয়ারিং এ নিয়োজিত মোটরসাইকেল চালকরাই এই সুবিধা পাবেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা আছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে তেল আমদানি করা হচ্ছে। একইসাথে প্রধান স্থাপনা থেকে রেল ওয়াগন ও ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে দেশের সব ডিপোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে রাইড শেয়ারের চালকরা এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে বিপিসির বিজ্ঞপ্তিতে তিনটি শর্ত উল্লেখ করা হয়। ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় রাইড শেয়ারিং অ্যাপে অবশ্যই তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য লিখে ক্রয় রশিদ জমা দিতে হবে। প্রতিবার তেল নেওয়ার সময় আগেরবারের ক্রয় রশিদ বা বিলের মূল কপি জমা দিতে হবে। সবশেষে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও চালকের তথ্যাদি রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের সাথে যাচাই করে তারপর জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তির শেষে বলা আছে, সরকার নির্ধারিত জ্বালানি মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনত অপরাধ। বলা হয়েছে যে এখন পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
এর আগে, ৬ই মার্চ শুক্রবার বিপিসির এক নির্দেশনায় মোটরসাইকেলে একবারে সর্বোচ্চ ২ লিটার তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।
রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলে তেল নেওয়ার সীমা বাড়ল
এখন থেকে রাইড শেয়ারিং এ নিয়োজিত মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৫ লিটার পর্যন্ত পেট্রোল বা অকটেন নেওয়া যাবে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মহানগরে রাইড শেয়ারিং এ নিয়োজিত মোটরসাইকেল চালকরাই এই সুবিধা পাবেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা আছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে তেল আমদানি করা হচ্ছে। একইসাথে প্রধান স্থাপনা থেকে রেল ওয়াগন ও ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে দেশের সব ডিপোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে রাইড শেয়ারের চালকরা এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে বিপিসির বিজ্ঞপ্তিতে তিনটি শর্ত উল্লেখ করা হয়। ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় রাইড শেয়ারিং অ্যাপে অবশ্যই তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য লিখে ক্রয় রশিদ জমা দিতে হবে। প্রতিবার তেল নেওয়ার সময় আগেরবারের ক্রয় রশিদ বা বিলের মূল কপি জমা দিতে হবে। সবশেষে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও চালকের তথ্যাদি রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের সাথে যাচাই করে তারপর জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তির শেষে বলা আছে, সরকার নির্ধারিত জ্বালানি মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনত অপরাধ। বলা হয়েছে যে এখন পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
এর আগে, ৬ই মার্চ শুক্রবার বিপিসির এক নির্দেশনায় মোটরসাইকেলে একবারে সর্বোচ্চ ২ লিটার তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।