নির্বাচনের আগে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা ঢাবি উপাচার্যের
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:০০ পিএমআপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:০০ পিএম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিয়াজ আহমেদ খান। মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি।
নির্বাচনের আগে হঠাত সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসাবে আগামীর রাজনৈতিক সরকারের কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, “উপাচার্যের চাকরিটা আমার কাছে আমানতের মতোই ছিল। আমি সরে দাঁড়াতে চাই, যাতে রাজনৈতিক সরকার তার মতো করে প্রশাসন সাজিয়ে নিতে পারে।”
তবে এই মুহূর্তে যেন কোনো শূন্যতা না হয়, ধারাবাহিকতা যেন কোনো অসুবিধায় না পড়ে তা বিবেচনা করে সরকার চাইলে আরও বেশ কিছুদিন দায়িত্বে থাকার কথা বিবেচনা করে দেখবেন বলে জানিয়েছেন নিয়াজ আহমেদ খান।
নিয়াজ আহমেদ খান জানান, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অগাস্টের শেষ দিকে ক্রান্তিকালীন এক বিশেষ পরিস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি।
সেই প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, “খুবই আপদকালীন একটি পরিস্থিতি, বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অচল ছিল, অ্যাকাডেমিক কর্মকাণ্ড বন্ধ ছিল। হলগুলো ভাসমান অবস্থায় ছিল এবং প্রশাসনিক কাঠামো অকেজো হয়ে পড়েছিল।”
তার ভাষ্যমতে, সেই বিশেষ পরিস্থিতি আর নেই।
সেই আপদকালীন বিশেষ পরিস্থিতি ভালো ভাবেই উত্তরণ করতে পেরেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট সরকারের পতনের পর ১০ অগাস্ট তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল পদত্যাগ করেন। ২৭ অগাস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাময়িক উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।
নির্বাচনের আগে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা ঢাবি উপাচার্যের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিয়াজ আহমেদ খান। মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি।
নির্বাচনের আগে হঠাত সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসাবে আগামীর রাজনৈতিক সরকারের কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, “উপাচার্যের চাকরিটা আমার কাছে আমানতের মতোই ছিল। আমি সরে দাঁড়াতে চাই, যাতে রাজনৈতিক সরকার তার মতো করে প্রশাসন সাজিয়ে নিতে পারে।”
তবে এই মুহূর্তে যেন কোনো শূন্যতা না হয়, ধারাবাহিকতা যেন কোনো অসুবিধায় না পড়ে তা বিবেচনা করে সরকার চাইলে আরও বেশ কিছুদিন দায়িত্বে থাকার কথা বিবেচনা করে দেখবেন বলে জানিয়েছেন নিয়াজ আহমেদ খান।
নিয়াজ আহমেদ খান জানান, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অগাস্টের শেষ দিকে ক্রান্তিকালীন এক বিশেষ পরিস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি।
সেই প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, “খুবই আপদকালীন একটি পরিস্থিতি, বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অচল ছিল, অ্যাকাডেমিক কর্মকাণ্ড বন্ধ ছিল। হলগুলো ভাসমান অবস্থায় ছিল এবং প্রশাসনিক কাঠামো অকেজো হয়ে পড়েছিল।”
তার ভাষ্যমতে, সেই বিশেষ পরিস্থিতি আর নেই।
সেই আপদকালীন বিশেষ পরিস্থিতি ভালো ভাবেই উত্তরণ করতে পেরেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট সরকারের পতনের পর ১০ অগাস্ট তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল পদত্যাগ করেন। ২৭ অগাস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাময়িক উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।