জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি ছেড়ে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।
শনিবার ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে মনোনয়ন পত্র বাতিলের ঘোষণা আসার পর তাসনিম জারা বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন তিনি।
“আমি ঢাকা-৯এ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলাম। সেটা আপাতত গৃহীত হয়নি। কিন্তু আমরা আপিল করবো। আপিল করার প্রক্রিয়া আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করেছি,” বলেছেন তাসনিম জারা।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর তরুণদের নিয়ে গঠিত এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব হয়েছিলেন এই চিকিৎসক তাসনিম জারা। পরে দলত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট আসনের এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক সই জমা দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। তাসনিম জারাও তাই করেছিলেন।
কিন্তু সেখানে সই করা দুইজন সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার নন বলে রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে জানানো হয়েছে।
তাসনিম জারা বলেন, “দুইজনের ক্ষেত্রে উনারা মানুষটাকে খুঁজে পেয়েছেন, সত্যতা যাচাই করতে পেরেছেন। কিন্তু সেই দুইজন ঢাকা-৯ এর ভোটার ছিলেন না। কিন্তু তারা জানতেন যে উনারা ঢাকা-৯ এর ভোটার।”
“একজনের বাসা খিলগাঁও। খিলগাঁও যেহেতু ঢাকা-৯ ও ১১ দুইটাতেই পড়ে। উনি জানতেন যে, উনি ঢাকা-৯ এর ভোটার। তার জানার কোনও উপায় ছিল না যে, উনি ঢাকা-৯ এর ভোটার না। উনি ওয়েবসাইটে গিয়ে চেক করেছেন, উনার ভোটার নাম্বারটা পান নাই। এনআইডি যেটা ছিল, উনি জানতেন ঢাকা-৯ এর ভোটার। সেভাবেই উনি স্বাক্ষর করেছেন।”
আরেকজন ভোটারের ক্ষেত্রেও প্রায় একইরকম সমস্যা হয়েছে বলেও জানান তাসনিম জারা।
“আরেকজন যার ব্যতিক্রম এসেছে, তার কাছে যে হার্ড কপি আছে এনআইডির, সেই এনআইডির ঠিকানা অনুযায়ী উনিও ঢাকা-৯ এর ভোটার। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কাছে তথ্য আছে, তিনিও ঢাকা-৯ এর ভোটার না, এটাও (ওই ভোটারের) জানার কোনও উপায় ছিল না।”


এনসিপি ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন তাসনিম জারা 
