অর্ডার প্রতিষ্ঠিত না হলে ইসিকে সহায়তা করতে পারব না: আইজিপি
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:১৭ পিএমআপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:১৭ পিএম
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতা চেয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
অর্ডার প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে ইসিকে ’সর্বাত্মক সহায়তা’ করা সম্ভব হবে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার সকালে আগারগাঁওয়ে মাঠ প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন আইজিপি।
তিনি বলেন, “আমরা যদি সব জায়গায় অর্ডার প্রতিষ্ঠিত করতে না পারি, আমাদের পক্ষে নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে না।”
ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান আইজিপি।
“আমি এ প্রসঙ্গে বিভিন্ন আইন ও বিধির মাধ্যমে এবং তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটিকে সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অনেক অপরাধ বিচার করার ক্ষমতা দিয়েছে।”
বাহারুল বলেন, একইসাথে ইলেক্টোরাল ইনকোয়েরি কমিটি এবং যেসব মেজেস্ট্রিয়াল টিম থাকবে, তারা শুধুমাত্র পুলিশ নয়, যেকোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের কাছ থেকে তারা সাহায্য চাইতে পারবেন- এমন প্রবিধানও আরপিওতে রয়ে গেছে। আমি এর জন্য নির্বাচন কমিশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”
আইজিপি বলেন, “জুলাই আন্দোলনোত্তর বাংলাদেশে বাস্তব কারণে আমরা আইন প্রয়োগ, শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ সময় নানান অসুবিধা ভোগ করেছি। আমাদেরকে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে।
“আমরা মনে করি এই ইলেকশনের আগে, নির্বাচনের আগে এই পর্যায়ে আমরা আমাদের সক্ষমতা যথেষ্ট পরিমাণে অর্জন করতে পেরেছি। আমি নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে আমাদের এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যাপারে অব্যাহত সমর্থন চাই।”
বিভিন্ন বিষয়ে সড়ক অবরোধ ও সমাজে ‘অস্থিরতা সৃষ্টির প্রচেষ্টা’ বন্ধ করার সময় এসেছে বলে জানান তিনি।
অর্ডার প্রতিষ্ঠিত না হলে ইসিকে সহায়তা করতে পারব না: আইজিপি
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতা চেয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
অর্ডার প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে ইসিকে ’সর্বাত্মক সহায়তা’ করা সম্ভব হবে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার সকালে আগারগাঁওয়ে মাঠ প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন আইজিপি।
তিনি বলেন, “আমরা যদি সব জায়গায় অর্ডার প্রতিষ্ঠিত করতে না পারি, আমাদের পক্ষে নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে না।”
ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান আইজিপি।
“আমি এ প্রসঙ্গে বিভিন্ন আইন ও বিধির মাধ্যমে এবং তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটিকে সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অনেক অপরাধ বিচার করার ক্ষমতা দিয়েছে।”
বাহারুল বলেন, একইসাথে ইলেক্টোরাল ইনকোয়েরি কমিটি এবং যেসব মেজেস্ট্রিয়াল টিম থাকবে, তারা শুধুমাত্র পুলিশ নয়, যেকোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের কাছ থেকে তারা সাহায্য চাইতে পারবেন- এমন প্রবিধানও আরপিওতে রয়ে গেছে। আমি এর জন্য নির্বাচন কমিশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”
আইজিপি বলেন, “জুলাই আন্দোলনোত্তর বাংলাদেশে বাস্তব কারণে আমরা আইন প্রয়োগ, শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ সময় নানান অসুবিধা ভোগ করেছি। আমাদেরকে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে।
“আমরা মনে করি এই ইলেকশনের আগে, নির্বাচনের আগে এই পর্যায়ে আমরা আমাদের সক্ষমতা যথেষ্ট পরিমাণে অর্জন করতে পেরেছি। আমি নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে আমাদের এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যাপারে অব্যাহত সমর্থন চাই।”
বিভিন্ন বিষয়ে সড়ক অবরোধ ও সমাজে ‘অস্থিরতা সৃষ্টির প্রচেষ্টা’ বন্ধ করার সময় এসেছে বলে জানান তিনি।