প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ০২:২৯ পিএমআপডেট : ০১ মে ২০২৬, ০২:২৯ পিএম
অং সান সু চি ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে বন্দি অবস্থায় আছেন।
মিয়ানমারের শান্তিতে নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সু চিকে কারাগার থেকে আবারও গৃহবন্দি করা হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
সু চি’র আইনজীবীরা শুক্রবার রয়টার্সকে জানিয়েছে যে গৃহবন্দি করার বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তারা অভিযোগ করেন তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে সু চি’র সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না।
অং সান সু চি ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে বন্দি অবস্থায় আছেন। ধারণা করা হয়, তাকে রাজধানী নেপিদোতে একটি সামরিক কারাগারে রাখা হয়েছিল।
প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং জানিয়েছেন, তার বাকি সাজা এখন থেকে নির্ধারিত বাসভবনে গৃহবন্দি অবস্থায় কাটবে।
এই ঘোষণার আগ পর্যন্ত সু চির স্বাস্থ্য বা জীবনযাত্রার অবস্থা সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের দিন তাকে গ্রেপ্তার করার পর থেকে সু চিকে খুব কমই দেখা গেছে এবং কোনো ধরনের তথ্যও প্রকাশিত হয়নি।
অং সান সু চির ছেলে কিম অ্যারিস বিবিসিকে বলেছেন, তিনি এখনো মায়ের অবস্থান নিয়ে কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাননি। তিনি বলেন, “আমি আশা করি এটা সত্য, কিন্তু তাকে সরানো হয়েছে, এমন কোনো বাস্তব প্রমাণ আমি এখনো দেখিনি।”
তিনি আরও জানান, যতক্ষণ না তিনি সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পান, ততক্ষণ তিনি কোনো কিছুই নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করবেন না।
সু চি’র সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা শন টার্নেল বিবিসিকে বলেন, মিয়ানমারের সামরিক শাসকরা এখন একটি বড় ধরনের ‘পাবলিক রিলেশনস অভিযান’ চালাচ্ছে।
তার মতে, সামরিক সরকার আন্তর্জাতিক মহলকে বোঝাতে চাইছে যে তারা একটি বৈধ সরকার, আর অং সান সু চিকে গৃহবন্দি করার খবরও সেই প্রচারণার একটি অংশ হতে পারে।
সু চি’র পরিবার দুই বছরের বেশি সময় ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগহীন। তার শেষ প্রকাশ্য ছবি ছিল ২০২১ সালের মে মাসে একটি আদালতে হাজিরার সময়।
এর পর থেকে সামরিক আদালতে একাধিক মামলায় তাকে মোট ৩৩ বছরের সাজা দেওয়া হয়, যা পরে কিছুটা কমানো হয়।
অং সান সু চি ২০১৫ সালে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন। এর আগে তিনি দীর্ঘ সময় সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন এবং প্রায় ১৫ বছরের বেশি সময় তিনি গৃহবন্দি ছিলেন।
উসকানি, দুর্নীতি, নির্বাচনে জালিয়াতি এবং রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন ভাঙার মতো একাধিক অভিযোগে সু চি সাজা ভোগ করছেন।
কারাবাস থেকে ফের গৃহবন্দি অং সান সু চি
মিয়ানমারের শান্তিতে নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সু চিকে কারাগার থেকে আবারও গৃহবন্দি করা হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
সু চি’র আইনজীবীরা শুক্রবার রয়টার্সকে জানিয়েছে যে গৃহবন্দি করার বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তারা অভিযোগ করেন তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে সু চি’র সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না।
অং সান সু চি ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে বন্দি অবস্থায় আছেন। ধারণা করা হয়, তাকে রাজধানী নেপিদোতে একটি সামরিক কারাগারে রাখা হয়েছিল।
প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং জানিয়েছেন, তার বাকি সাজা এখন থেকে নির্ধারিত বাসভবনে গৃহবন্দি অবস্থায় কাটবে।
এই ঘোষণার আগ পর্যন্ত সু চির স্বাস্থ্য বা জীবনযাত্রার অবস্থা সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের দিন তাকে গ্রেপ্তার করার পর থেকে সু চিকে খুব কমই দেখা গেছে এবং কোনো ধরনের তথ্যও প্রকাশিত হয়নি।
অং সান সু চির ছেলে কিম অ্যারিস বিবিসিকে বলেছেন, তিনি এখনো মায়ের অবস্থান নিয়ে কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাননি। তিনি বলেন, “আমি আশা করি এটা সত্য, কিন্তু তাকে সরানো হয়েছে, এমন কোনো বাস্তব প্রমাণ আমি এখনো দেখিনি।”
তিনি আরও জানান, যতক্ষণ না তিনি সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পান, ততক্ষণ তিনি কোনো কিছুই নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করবেন না।
সু চি’র সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা শন টার্নেল বিবিসিকে বলেন, মিয়ানমারের সামরিক শাসকরা এখন একটি বড় ধরনের ‘পাবলিক রিলেশনস অভিযান’ চালাচ্ছে।
তার মতে, সামরিক সরকার আন্তর্জাতিক মহলকে বোঝাতে চাইছে যে তারা একটি বৈধ সরকার, আর অং সান সু চিকে গৃহবন্দি করার খবরও সেই প্রচারণার একটি অংশ হতে পারে।
সু চি’র পরিবার দুই বছরের বেশি সময় ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগহীন। তার শেষ প্রকাশ্য ছবি ছিল ২০২১ সালের মে মাসে একটি আদালতে হাজিরার সময়।
এর পর থেকে সামরিক আদালতে একাধিক মামলায় তাকে মোট ৩৩ বছরের সাজা দেওয়া হয়, যা পরে কিছুটা কমানো হয়।
অং সান সু চি ২০১৫ সালে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন। এর আগে তিনি দীর্ঘ সময় সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন এবং প্রায় ১৫ বছরের বেশি সময় তিনি গৃহবন্দি ছিলেন।
উসকানি, দুর্নীতি, নির্বাচনে জালিয়াতি এবং রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন ভাঙার মতো একাধিক অভিযোগে সু চি সাজা ভোগ করছেন।