প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ১২:৪৭ পিএমআপডেট : ০১ মে ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি থাকলেও পরিস্থিতি এখনো স্থিতিশীল নয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মার্কিন সংবাদ মাধ্যম টাইম জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধে থাকা মার্কিন সেনাদের ফিরিয়ে আনতে ডেমোক্র্যাটদের আনা একটি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নাকচ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার সিনেটে প্রস্তাবটি ৪৭-৫০ ভোটে বাতিল হয়।
রয়টার্সকে ইরানের কর্মকর্তাদের জানিয়েছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র আবারও হামলা শুরু করে এবং হরমুজ প্রণালির দাবি করে, তাহলে তারা মার্কিন অবস্থানগুলোর ওপর ‘দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক হামলা’ চালাবে।
এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার নতুন করে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে একটি ব্রিফিং পাওয়ার কথা ছিল। এর লক্ষ্য হলো ইরানকে আবার আলোচনায় বসতে বাধ্য করা।
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা আগেও মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর কী হয়েছে তা দেখেছে এবং ভবিষ্যতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোকেও একই ধরনের আক্রমণের মুখে পড়তে হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় দ্রুত কোনো সমাধান আশা করা বাস্তবসম্মত নয়। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সিকে তিনি বলেন, “যে কোনো মধ্যস্থতাকারী থাকুক না কেন, খুব অল্প সময়ে ফল পাওয়া যাবে,এটা আমার মতে বাস্তবসম্মত নয়।”
একই দিনে ইরানের রাজধানী তেহরানের কিছু এলাকায় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছে আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহর।
আঞ্চলিক পরিস্থিতির অবনতির কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত তার নাগরিকদের ইরান, লেবানন এবং ইরাকে ভ্রমণ নিষিদ্ধ করেছে। যারা বর্তমানে এসব দেশে আছেন, তাদের দ্রুত ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের কাছে আবারও বলেন যে ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে দেওয়া হবে না।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই হামলা চালাতে পারে বলে সংবাদ মাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছেন মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্থাল।
তিনি জানান, সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্রিফিং ও বিভিন্ন সূত্র থেকে তিনি এমন আভাস পেয়েছেন যে, ইরানে হামলা চালানোর বিষয়টি এখন মার্কিন প্রশাসনের ‘টেবিলে’ রয়েছে।
ফের দানা বাঁধছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংকট
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বাড়ছে। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি থাকলেও পরিস্থিতি এখনো স্থিতিশীল নয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মার্কিন সংবাদ মাধ্যম টাইম জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধে থাকা মার্কিন সেনাদের ফিরিয়ে আনতে ডেমোক্র্যাটদের আনা একটি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নাকচ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার সিনেটে প্রস্তাবটি ৪৭-৫০ ভোটে বাতিল হয়।
রয়টার্সকে ইরানের কর্মকর্তাদের জানিয়েছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র আবারও হামলা শুরু করে এবং হরমুজ প্রণালির দাবি করে, তাহলে তারা মার্কিন অবস্থানগুলোর ওপর ‘দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক হামলা’ চালাবে।
এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার নতুন করে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে একটি ব্রিফিং পাওয়ার কথা ছিল। এর লক্ষ্য হলো ইরানকে আবার আলোচনায় বসতে বাধ্য করা।
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা আগেও মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর কী হয়েছে তা দেখেছে এবং ভবিষ্যতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোকেও একই ধরনের আক্রমণের মুখে পড়তে হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় দ্রুত কোনো সমাধান আশা করা বাস্তবসম্মত নয়। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সিকে তিনি বলেন, “যে কোনো মধ্যস্থতাকারী থাকুক না কেন, খুব অল্প সময়ে ফল পাওয়া যাবে,এটা আমার মতে বাস্তবসম্মত নয়।”
একই দিনে ইরানের রাজধানী তেহরানের কিছু এলাকায় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছে আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহর।
আঞ্চলিক পরিস্থিতির অবনতির কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাত তার নাগরিকদের ইরান, লেবানন এবং ইরাকে ভ্রমণ নিষিদ্ধ করেছে। যারা বর্তমানে এসব দেশে আছেন, তাদের দ্রুত ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের কাছে আবারও বলেন যে ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে দেওয়া হবে না।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগিরই হামলা চালাতে পারে বলে সংবাদ মাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছেন মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্থাল।
তিনি জানান, সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্রিফিং ও বিভিন্ন সূত্র থেকে তিনি এমন আভাস পেয়েছেন যে, ইরানে হামলা চালানোর বিষয়টি এখন মার্কিন প্রশাসনের ‘টেবিলে’ রয়েছে।
রয়টার্স, টাইম, সিএনএন অবলম্বনে