এখন বৈদ্যুতিক গাড়ি বা ইভির উপর ৯৩ শতাংশ আমদানি কর প্রযোজ্য। এবারের বাজেটে তা কমিয়ে ২৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে ৬৪ শতাংশ এবং ইভির মূল্য ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত হলে, সেক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ আমদানি কর নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৬, ০১:৩৭ পিএমআপডেট : ১১ জুন ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম
বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ি বা ইভির উপর ৯৩ শতাংশ আমদানি কর প্রযোজ্য।
চলতি অর্থবছরে কমতে পারে বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বৈদ্যুতিক গাড়ি(ইভি), প্লাগ-ইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (পিএইচইভি) এবং চার্জিং স্টেশন বা চার্জারের উপর ব্যাপক হারে করছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই প্রস্তাব করতে পারেন বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
এখন বৈদ্যুতিক গাড়ি বা ইভির উপর ৯৩ শতাংশ আমদানি কর প্রযোজ্য। এবারের বাজেটে তা কমিয়ে ২৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে ৬৪ শতাংশ এবং ইভির মূল্য ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত হলে, সেক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ আমদানি কর নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
নতুন প্লাগ-ইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল বা পিএইচইভি আমদানির ক্ষেত্রেও করছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। ১৮০০ সিসি পর্যন্ত নতুন গাড়ির ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের এবং ২ হাজার সিসির গাড়ির ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
এতে করে ১৮০০ সিসির হাইব্রিড গাড়ির মোট করভার ৯৩.১৬ শতাংশ থেকে কমে ৭৩.৪৩৭ শতাংশে নেমে আসবে। আর ২ হাজার সিসির ক্ষেত্রে পিএইচইভি গাড়ির মোট করভার ১৩২.৩৬ শতাংশ থেকে কমে ৯৬.১০ শতাংশ হবে।
এ ছাড়া বৈদ্যুতিক গাড়ির চার্জার বা চার্জিং স্টেশনের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক একেবারেই বাতিল করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
আমদানি ছাড়া দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির বিনিয়োগ বাড়াতে যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে করছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। যে সকল প্রতিষ্ঠান চার এবং তিন চাকার বৈদ্যুতিক গাড়ির বডি তৈরি, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং এবং এসেম্বলিং- এর কাজ করে, তারা যদি উচ্চ মূল্য সংযোজন করে, সেক্ষেত্রে উপকরণ ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ৩ শতাংশ আমদানি শুল্ক ছাড়া বাকি সকম শুল্ক মওকুফ করার প্রস্তাবনা পেশ করা হয়েছে। আর কম মূল্য সংযোজন করলে ১৫ শতাংশ আমদানি কর ছাড়া বাকি সকল শুল্ক বাতিল করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ সকল করছাড় ২০৩১ সালের ৩০এ জুন পর্যন্ত বহাল রাখার প্রস্তাব করেছে।
জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭
কমতে পারে বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম
এখন বৈদ্যুতিক গাড়ি বা ইভির উপর ৯৩ শতাংশ আমদানি কর প্রযোজ্য। এবারের বাজেটে তা কমিয়ে ২৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে ৬৪ শতাংশ এবং ইভির মূল্য ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত হলে, সেক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ আমদানি কর নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
চলতি অর্থবছরে কমতে পারে বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বৈদ্যুতিক গাড়ি(ইভি), প্লাগ-ইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (পিএইচইভি) এবং চার্জিং স্টেশন বা চার্জারের উপর ব্যাপক হারে করছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই প্রস্তাব করতে পারেন বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
এখন বৈদ্যুতিক গাড়ি বা ইভির উপর ৯৩ শতাংশ আমদানি কর প্রযোজ্য। এবারের বাজেটে তা কমিয়ে ২৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্ষেত্রে ৬৪ শতাংশ এবং ইভির মূল্য ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত হলে, সেক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ আমদানি কর নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
নতুন প্লাগ-ইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল বা পিএইচইভি আমদানির ক্ষেত্রেও করছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। ১৮০০ সিসি পর্যন্ত নতুন গাড়ির ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের এবং ২ হাজার সিসির গাড়ির ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
এতে করে ১৮০০ সিসির হাইব্রিড গাড়ির মোট করভার ৯৩.১৬ শতাংশ থেকে কমে ৭৩.৪৩৭ শতাংশে নেমে আসবে। আর ২ হাজার সিসির ক্ষেত্রে পিএইচইভি গাড়ির মোট করভার ১৩২.৩৬ শতাংশ থেকে কমে ৯৬.১০ শতাংশ হবে।
এ ছাড়া বৈদ্যুতিক গাড়ির চার্জার বা চার্জিং স্টেশনের ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক একেবারেই বাতিল করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
আমদানি ছাড়া দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির বিনিয়োগ বাড়াতে যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে করছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। যে সকল প্রতিষ্ঠান চার এবং তিন চাকার বৈদ্যুতিক গাড়ির বডি তৈরি, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং এবং এসেম্বলিং- এর কাজ করে, তারা যদি উচ্চ মূল্য সংযোজন করে, সেক্ষেত্রে উপকরণ ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ৩ শতাংশ আমদানি শুল্ক ছাড়া বাকি সকম শুল্ক মওকুফ করার প্রস্তাবনা পেশ করা হয়েছে। আর কম মূল্য সংযোজন করলে ১৫ শতাংশ আমদানি কর ছাড়া বাকি সকল শুল্ক বাতিল করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ সকল করছাড় ২০৩১ সালের ৩০এ জুন পর্যন্ত বহাল রাখার প্রস্তাব করেছে।
বিষয়: