রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনলো যুক্তরাষ্ট্র
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ০১:০৬ পিএমআপডেট : ২১ মে ২০২৬, ০১:২১ পিএম
কিউবার সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রো।
১৯৯৬ সালে দুটি বেসামরিক বিমান ভূপাতিত করে তিন মার্কিন নাগরিকসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় কিউবার সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
বুধবার প্রকাশিত অভিযোগপত্রে বলা হয়, কিউবান-আমেরিকান সংগঠন “ব্রাদার্স টু দ্য রেসকিউ”-এর একটি বিমান গুলি করে ভূপাতিত করার ঘটনায় কাস্ত্রোসহ আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র, বিমান ধ্বংস এবং পৃথক চারটি হত্যা মামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ সংক্রান্ত তথ্য জানানো হয়েছে।
ঘটনার সময় কিউবার সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ছিলেন রাউল কাস্ত্রো। বর্তমানে তার বয়স ৯৪ বছর। অভিযোগের বিষয়ে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল একে “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” এবং “আইনি ভিত্তিহীন” বলে মন্তব্য করেছেন।
মায়ামির ফ্রিডম টাওয়ারে সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ বলেন, অভিযোগগুলোর মধ্যে বিমান ধ্বংস এবং চারজন নিহতের হত্যার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেদের নাগরিকদের কখনও ভুলে যায় না।”
মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, এসব অভিযোগের বিচার যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে হবে এবং কয়েকটি অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।
এদিকে কিউবার সরকার অভিযোগ করেছে, রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে আনা এই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিউবার প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেলের ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র কিউবার বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে এবং অতীতের ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করতে চাইছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে টড ব্ল্যাঞ্চ জানান, রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তবে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে আনার বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করেননি।
প্রায় এক দশক আগে সক্রিয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও রাউল কাস্ত্রো এখনও কিউবার রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হন।
রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনলো যুক্তরাষ্ট্র
১৯৯৬ সালে দুটি বেসামরিক বিমান ভূপাতিত করে তিন মার্কিন নাগরিকসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় কিউবার সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এনেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
বুধবার প্রকাশিত অভিযোগপত্রে বলা হয়, কিউবান-আমেরিকান সংগঠন “ব্রাদার্স টু দ্য রেসকিউ”-এর একটি বিমান গুলি করে ভূপাতিত করার ঘটনায় কাস্ত্রোসহ আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র, বিমান ধ্বংস এবং পৃথক চারটি হত্যা মামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ সংক্রান্ত তথ্য জানানো হয়েছে।
ঘটনার সময় কিউবার সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ছিলেন রাউল কাস্ত্রো। বর্তমানে তার বয়স ৯৪ বছর। অভিযোগের বিষয়ে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল একে “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” এবং “আইনি ভিত্তিহীন” বলে মন্তব্য করেছেন।
মায়ামির ফ্রিডম টাওয়ারে সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ বলেন, অভিযোগগুলোর মধ্যে বিমান ধ্বংস এবং চারজন নিহতের হত্যার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেদের নাগরিকদের কখনও ভুলে যায় না।”
মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, এসব অভিযোগের বিচার যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে হবে এবং কয়েকটি অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।
এদিকে কিউবার সরকার অভিযোগ করেছে, রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে আনা এই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিউবার প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেলের ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র কিউবার বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে এবং অতীতের ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করতে চাইছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে টড ব্ল্যাঞ্চ জানান, রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তবে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে আনার বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করেননি।
প্রায় এক দশক আগে সক্রিয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও রাউল কাস্ত্রো এখনও কিউবার রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হন।
বিষয়: