রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউরেনিয়াম লোডিং মঙ্গলবার, বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে কবে?
প্রথম ধাপে দেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মিলবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৮ পিএমআপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ‘ফুয়েল লোডিং’ কার্যক্রমের মাধ্যমে পারমানবিক যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ‘ইউরেনিয়াম’ দেশে আসে। এতদিন সর্বোচ্চ সতর্কতায় প্রকল্প এলাকায় সংরক্ষিত করা ছিল পারমানবিক জ্বালানি।
মঙ্গলবার এই জ্বালানি রিয়েক্টর প্রেসার ভেসেল বা চুল্লিপাত্রে বসানো হবে বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্ঠ একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
অগাস্টের মাঝামাঝি সময়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে এ বিদ্যুৎ।
তবে, প্রথম ধাপে দেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মিলবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।
এই কেন্দ্রে মাত্র ১ গ্রাম ইউরেনিয়াম দিয়ে ২৪ হাজার ইউনিট (কিলোওয়াট আওয়ার) বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
আলোচিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০১৩ সালে সমীক্ষা চুক্তি এবং ২০১৫ সালে নির্মাণ চুক্তি সম্পন্ন হয় ।
চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া প্রকল্পটিতে অর্থায়ন এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে ।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউরেনিয়াম লোডিং মঙ্গলবার, বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে কবে?
প্রথম ধাপে দেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মিলবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ‘ফুয়েল লোডিং’ কার্যক্রমের মাধ্যমে পারমানবিক যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ‘ইউরেনিয়াম’ দেশে আসে। এতদিন সর্বোচ্চ সতর্কতায় প্রকল্প এলাকায় সংরক্ষিত করা ছিল পারমানবিক জ্বালানি।
মঙ্গলবার এই জ্বালানি রিয়েক্টর প্রেসার ভেসেল বা চুল্লিপাত্রে বসানো হবে বলে প্রকল্প সংশ্লিষ্ঠ একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
অগাস্টের মাঝামাঝি সময়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে এ বিদ্যুৎ।
তবে, প্রথম ধাপে দেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মিলবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।
এই কেন্দ্রে মাত্র ১ গ্রাম ইউরেনিয়াম দিয়ে ২৪ হাজার ইউনিট (কিলোওয়াট আওয়ার) বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
আলোচিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০১৩ সালে সমীক্ষা চুক্তি এবং ২০১৫ সালে নির্মাণ চুক্তি সম্পন্ন হয় ।
চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া প্রকল্পটিতে অর্থায়ন এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে ।