তনু হত্যার ১০ বছর পর আসামি গ্রেপ্তার, ৩ দিনের রিমান্ড
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৬ পিএমআপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম
আলোচিত তনু হত্যা মামলায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১০ বছর ধরে চলা মামলায় এই প্রথম কাউকে গ্রেপ্তার করা হলো। বুধবার সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে তার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেন তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে।
এরপর বিকেলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হকের আদালতে হাজির করা হলে আদালত শুনানি শেষে তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই মামলায় এখন পর্যন্ত চারটি ভিন্ন সংস্থার সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেছেন। গত এক দশকে অন্তত ৮০টি শুনানির তারিখ পার হলেও প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা নিয়ে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তা ছিল।
গত ৬ এপ্রিল সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে দেখার জন্য আদালতের অনুমতি চান মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা।
আদালতের নির্দেশনার পরই তদন্তকারী সংস্থা গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেয়।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ উদ্ধার হয়। এরপর বছরের পর বছর তদন্ত চললেও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, যা নিয়ে দেশজুড়ে সকলের মাঝে প্রশ্ন ও ক্ষোভ তৈরি হয়ে আছে!
তনু হত্যার ১০ বছর পর আসামি গ্রেপ্তার, ৩ দিনের রিমান্ড
আলোচিত তনু হত্যা মামলায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১০ বছর ধরে চলা মামলায় এই প্রথম কাউকে গ্রেপ্তার করা হলো। বুধবার
সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে তার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেন তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে।
এরপর বিকেলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হকের আদালতে হাজির করা হলে আদালত শুনানি শেষে তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই মামলায় এখন পর্যন্ত চারটি ভিন্ন সংস্থার সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেছেন। গত এক দশকে অন্তত ৮০টি শুনানির তারিখ পার হলেও প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা নিয়ে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তা ছিল।
গত ৬ এপ্রিল সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে দেখার জন্য আদালতের অনুমতি চান মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা।
আদালতের নির্দেশনার পরই তদন্তকারী সংস্থা গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেয়।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ উদ্ধার হয়। এরপর বছরের পর বছর তদন্ত চললেও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, যা নিয়ে দেশজুড়ে সকলের মাঝে প্রশ্ন ও ক্ষোভ তৈরি হয়ে আছে!