আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সমন্বয় কথা জানিয়েছে সরকার।
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৬, ১১:০৯ পিএমআপডেট : ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম
ভোক্তা পর্যায়ে অকটেন, পেট্রল ও কেরোসিনের দাম লিটার প্রতি পাঁচ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। পহেলা জুন অর্থাৎ সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
রবিবার রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার অকটেন ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪৫ টাকা, পেট্রল ১৩৫ টাকা থেকে ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হবে। তবে বাড়ানো হয়নি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জ্বালানি ডিজেলের দাম; বিক্রি হবে প্রতি লিটার ১১৫ টাকায়।
দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সমন্বয়ের কথা জানিয়েছে সরকার।
গত ১৮ই এপ্রিল ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল ও অকটেনের দাম বাড়িয়ে যথাক্রমে ১১৫ টাকা ও ১৪০ টাকা করা হয়েছিল। একই সঙ্গে পেট্রলের দাম ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিলো, যা ১৯এ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়। মাত্র ৪৩ দিনের মাথায় দেশের বাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ালো সরকার।
হরমুজে চড়ছে আন্তর্জাতিক বাজারের দাম
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থাগুলোর সর্বশেষ তথ্য বলছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এই মুহূর্তে তীব্র সরবরাহ ঘাটতি ও অস্থিরতা চলছে।
ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) মে ২০২৬-এর 'অয়েল মার্কেট রিপোর্ট' অনুযায়ী, বছরের প্রথম প্রান্তিকে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম রেকর্ড ওঠানামার মধ্যে রয়েছে। আইএ জানিয়েছে, মার্চ ও এপ্রিলে বৈশ্বিক তেলের মজুত আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পেয়েছে।
আইইএ'র মে ২০২৬-এর 'শর্ট-টার্ম এনার্জি আউটলুক' অনুযায়ী, সরবরাহ ঘাটতি ও রিফাইনারিগুলোর ওপর চাপের কারণে মে ও জুন মাসজুড়ে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের গড় মূল্য প্রতি ব্যারেল ১০৬ মার্কিন ডলারের আশেপাশে অবস্থান করছে।
এর আগে মার্চ-এপ্রিলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি সর্বোচ্চ ১২০ থেকে ১৪৪ ডলার পর্যন্ত স্পর্শ করেছিলো।
অন্যদিকে, কমার্জব্যাংক এবং জেপি মরগানের বৈশ্বিক কমডিটি কৌশলগত পূর্বাভাসে সতর্ক করা হয়েছে যে, হরমুজ প্রণালির দীর্ঘায়িত প্রভাব ও বৈশ্বিক মজুত কমে যাওয়ার কারণে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৯০ থেকে ১০৫ ডলারের উচ্চ সীমায় স্থিতি পেতে পারে।
সাপ্লাই চেইনের এই ঘাটতির প্রভাব সরাসরি এশিয়ার আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর পড়ছে বলেই সংবাদ প্রকাশ করছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।
অকটেন, পেট্রল, কেরোসিনের দাম বাড়লো পাঁচ টাকা
আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সমন্বয় কথা জানিয়েছে সরকার।
ভোক্তা পর্যায়ে অকটেন, পেট্রল ও কেরোসিনের দাম লিটার প্রতি পাঁচ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। পহেলা জুন অর্থাৎ সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
রবিবার রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার অকটেন ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪৫ টাকা, পেট্রল ১৩৫ টাকা থেকে ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হবে। তবে বাড়ানো হয়নি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জ্বালানি ডিজেলের দাম; বিক্রি হবে প্রতি লিটার ১১৫ টাকায়।
দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সমন্বয়ের কথা জানিয়েছে সরকার।
গত ১৮ই এপ্রিল ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল ও অকটেনের দাম বাড়িয়ে যথাক্রমে ১১৫ টাকা ও ১৪০ টাকা করা হয়েছিল। একই সঙ্গে পেট্রলের দাম ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিলো, যা ১৯এ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়। মাত্র ৪৩ দিনের মাথায় দেশের বাজারে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ালো সরকার।
হরমুজে চড়ছে আন্তর্জাতিক বাজারের দাম
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থাগুলোর সর্বশেষ তথ্য বলছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এই মুহূর্তে তীব্র সরবরাহ ঘাটতি ও অস্থিরতা চলছে।
ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) মে ২০২৬-এর 'অয়েল মার্কেট রিপোর্ট' অনুযায়ী, বছরের প্রথম প্রান্তিকে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম রেকর্ড ওঠানামার মধ্যে রয়েছে। আইএ জানিয়েছে, মার্চ ও এপ্রিলে বৈশ্বিক তেলের মজুত আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পেয়েছে।
আইইএ'র মে ২০২৬-এর 'শর্ট-টার্ম এনার্জি আউটলুক' অনুযায়ী, সরবরাহ ঘাটতি ও রিফাইনারিগুলোর ওপর চাপের কারণে মে ও জুন মাসজুড়ে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের গড় মূল্য প্রতি ব্যারেল ১০৬ মার্কিন ডলারের আশেপাশে অবস্থান করছে।
এর আগে মার্চ-এপ্রিলে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি সর্বোচ্চ ১২০ থেকে ১৪৪ ডলার পর্যন্ত স্পর্শ করেছিলো।
অন্যদিকে, কমার্জব্যাংক এবং জেপি মরগানের বৈশ্বিক কমডিটি কৌশলগত পূর্বাভাসে সতর্ক করা হয়েছে যে, হরমুজ প্রণালির দীর্ঘায়িত প্রভাব ও বৈশ্বিক মজুত কমে যাওয়ার কারণে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৯০ থেকে ১০৫ ডলারের উচ্চ সীমায় স্থিতি পেতে পারে।
সাপ্লাই চেইনের এই ঘাটতির প্রভাব সরাসরি এশিয়ার আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর পড়ছে বলেই সংবাদ প্রকাশ করছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।
বিষয়: