বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে কী আছে জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন কোম্পানিগুলোর আগ্রহ বাড়ছে, জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএমআপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তিতে কোনো গোপনীয়তা নেই জানিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শেষ সময়ে হওয়া চুক্তিটিতে কী আছে, তা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
মঙ্গলবার ঢাকার শেরাটন হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের নীতিসংলাপে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
তিনি বলেন, “আপনি যদি আমাদের কাছে বিক্রি করেন, তাহলে আমাদের কাছ থেকেও কেনার চেষ্টা করতে হবে।”
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের মাধ্যমে পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সময় এসেছে বলেও মনে করেন তিনি।
বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, “১৭ কোটির বেশি জনসংখ্যা, তরুণ কর্মশক্তি এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম বড় উৎপাদনকেন্দ্র হতে পারে।”
এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি লাভবান হবে বলেও মনে করেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত জানান, এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি পণ্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কহার ৩৫ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশে নামানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে নিজস্ব বাজারে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কমানোর প্রতিশ্রুতি দিতে হয়েছে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য এবং আগামী ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।”
যা বাংলাদেশজুড়ে জ্বালানি সহজলভ্য করবে বলেও মনে করেন তিনি।
“এগুলো কোনো সহায়তা প্যাকেজ নয়, এগুলো বাণিজ্যিক চুক্তি, যা আমাদের উভয় দেশে কর্মসংস্থান ও সুযোগ তৈরি করে,” যোগ করেন ক্রিস্টেনসেন।
‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’-এ বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরাসরি ক্রয়ের পাশাপাশি ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে বলে জানান তিনি।
যা প্রত্যেক বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ এবং ভোক্তার দ্বারা প্রশংসিত হওয়া উচিত বলেও মনে করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
তার ভাষায়, “এগুলো সহায়তা নয়, বরং দুই দেশের জন্য কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টিকারী বাণিজ্যিক উদ্যোগ।”
তাই বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ আরও সহজ, স্বচ্ছ ও স্থিতিশীল করার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, “বড় বিনিয়োগ আনতে হলে চুক্তির নিশ্চয়তা, নীতির ধারাবাহিকতা এবং আধুনিক ব্যবসা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।”
বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন কোম্পানিগুলোর আগ্রহ বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “জ্বালানি, প্রযুক্তি, ডিজিটাল আর্থিক সেবা, অবকাঠামো, রেল, বন্দর ও বিমান চলাচল খাতে মার্কিন বড় বড় কোম্পানিগুলোর আগ্রহ রয়েছে।”
তবে অর্থনৈতিক সুযোগের দ্বার খুলতে হলে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় আইন সংস্কার, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করার পরামর্শ দেন তিনি।
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে কী আছে জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন কোম্পানিগুলোর আগ্রহ বাড়ছে, জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তিতে কোনো গোপনীয়তা নেই জানিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শেষ সময়ে হওয়া চুক্তিটিতে কী আছে, তা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
মঙ্গলবার ঢাকার শেরাটন হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের নীতিসংলাপে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
তিনি বলেন, “আপনি যদি আমাদের কাছে বিক্রি করেন, তাহলে আমাদের কাছ থেকেও কেনার চেষ্টা করতে হবে।”
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের মাধ্যমে পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সময় এসেছে বলেও মনে করেন তিনি।
বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, “১৭ কোটির বেশি জনসংখ্যা, তরুণ কর্মশক্তি এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম বড় উৎপাদনকেন্দ্র হতে পারে।”
এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি লাভবান হবে বলেও মনে করেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত জানান, এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি পণ্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কহার ৩৫ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশে নামানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে নিজস্ব বাজারে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা কমানোর প্রতিশ্রুতি দিতে হয়েছে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য এবং আগামী ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।”
যা বাংলাদেশজুড়ে জ্বালানি সহজলভ্য করবে বলেও মনে করেন তিনি।
“এগুলো কোনো সহায়তা প্যাকেজ নয়, এগুলো বাণিজ্যিক চুক্তি, যা আমাদের উভয় দেশে কর্মসংস্থান ও সুযোগ তৈরি করে,” যোগ করেন ক্রিস্টেনসেন।
‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’-এ বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরাসরি ক্রয়ের পাশাপাশি ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে বলে জানান তিনি।
যা প্রত্যেক বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ এবং ভোক্তার দ্বারা প্রশংসিত হওয়া উচিত বলেও মনে করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
তার ভাষায়, “এগুলো সহায়তা নয়, বরং দুই দেশের জন্য কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টিকারী বাণিজ্যিক উদ্যোগ।”
তাই বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ আরও সহজ, স্বচ্ছ ও স্থিতিশীল করার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, “বড় বিনিয়োগ আনতে হলে চুক্তির নিশ্চয়তা, নীতির ধারাবাহিকতা এবং আধুনিক ব্যবসা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।”
বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন কোম্পানিগুলোর আগ্রহ বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “জ্বালানি, প্রযুক্তি, ডিজিটাল আর্থিক সেবা, অবকাঠামো, রেল, বন্দর ও বিমান চলাচল খাতে মার্কিন বড় বড় কোম্পানিগুলোর আগ্রহ রয়েছে।”
তবে অর্থনৈতিক সুযোগের দ্বার খুলতে হলে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় আইন সংস্কার, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করার পরামর্শ দেন তিনি।