প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন। তার এই বক্তব্যের প্রতিবাদ করছেন অনেকেই। এক বিশ্লেষক বলেছেন, উনি যদি বাংলাদেশের জন্মদিন বদলাতে চানও। উনি সফল হবেন না।
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএমআপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম
বাংলাদেশের সংবিধানে ‘প্রোক্লেমেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স’ বা ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’কে স্বাধীনতার মূল দলিল বলা হয়েছে। স্বাধীনতার সেই ঘোষণাপত্র ১৯৭১ সনের ২৬শে মার্চ তারিখে কার্যকর বলা হয়েছে। প্রশ্নাতীতভাবে সেটাই বাংলাদেশ জন্ম দিন।
তবে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়া শেষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দাবি করেছেন, ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন।
তার ভাষায়, “আজকে মহা আনন্দের দিন। আজকে নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন।”
“সারাদিনব্যাপী আমরা এই জন্মদিন উৎসব পালন করব” বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
রাজধানীর গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেওয়া শেষে তিনি আরও বলেন, “আজ থেকে আমরা প্রতিটি পদে নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টির সুযোগ পেলাম। আজ জন্মদিন পালন করি আমরা, দিনব্যাপী উৎসব করি। জাতির সবাই মিলে উৎসব করি এবং এটা নিশ্চিত হবে গণভোটটা দিয়ে।”
তার এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর বাংলাদেশের নতুন করে জন্ম নেওয়ার কিছু নেই বলে মনে করেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাবির মুস্তফা।
তিনি আলাপকে বলেন, “একটা নির্বাচন হচ্ছে, নির্বাচন হয়ে নতুন সরকার গঠন হবে। নতুন বাংলাদেশের জন্মদিনের কী আছে? বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ১৯৭১ সাল থেকে স্বাধীন হয়ে পৃথিবীর মানচিত্রে আছে। নতুন করে জন্ম নেওয়ার কিছু নাই।”
২৬শে মার্চই বাংলাদেশের জন্মদিন উল্লেখ করে সাবির মুস্তফা বলেন, “বাংলাদেশের জন্মদিন হচ্ছে ২৬শে মার্চ, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ নয়।”
চাইলেও বাংলাদেশের জন্মদিন বদলানো যাবে না বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
সাবির মুস্তাফা বলেন, “উনি যদি বাংলাদেশের জন্মদিন বদলাতে চানও। উনি সফল হবেন না।”
এ ধরনের কথা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সারক্ষণই বলেন বলে মনে করেন সাবির মুস্তফা।
তিনি জুলাই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের দিন প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “জুলাই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের দিন তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ এখন বর্বরতার যুগ থেকে সভ্য যুগে প্রবেশ করল’। একটি কাগজে সই দিয়ে আমি সভ্য হয়ে গেলাম?”
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. আব্দুন নূর তুষারও মনে করেন এমন অনেক ধরনের কথাই প্রধান উপদেষ্টা বলেন যেটা আসলে তিনি ভুলে যান।
তার ভাষায়, “উনি এমন নানান কথাবার্তা বলেন। আমার ধারণা উনি সকালে যেটা বলেন বিকালে সেটা ভুলে যান।”
প্রধান উপদেষ্টার এমন কয়েকটি বক্তব্যের উদারণ টেনেছেন তিনিও।
আব্দুন নূর তুষার বলেন, “উনি অনেক ধরনের অনেক কথা বলেন, উনি একবার বাংলাদেশকে রিসেট করিয়েছেন। উনি মবকে সেলিব্রেশন বলেছিলেন।”
বাংলাদেশের জন্মদিনের মতো বক্তব্যগুলো ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘বাকওয়াস’ বলে মনে করেন সাবির মুস্তফা।
“ড. ইউনূস, উনি আবার একটু ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে কথা বলেন। তিলকে তাল করতে তিনি পছন্দ করেন। এখন নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন মানেটা কী,” প্রশ্ন রেখেছেন এই সাংবাদিক।
বাংলাদেশের জন্মদিন আসলে কবে?
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন। তার এই বক্তব্যের প্রতিবাদ করছেন অনেকেই। এক বিশ্লেষক বলেছেন, উনি যদি বাংলাদেশের জন্মদিন বদলাতে চানও। উনি সফল হবেন না।
বাংলাদেশের সংবিধানে ‘প্রোক্লেমেশন অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স’ বা ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’কে স্বাধীনতার মূল দলিল বলা হয়েছে। স্বাধীনতার সেই ঘোষণাপত্র ১৯৭১ সনের ২৬শে মার্চ তারিখে কার্যকর বলা হয়েছে। প্রশ্নাতীতভাবে সেটাই বাংলাদেশ জন্ম দিন।
তবে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়া শেষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দাবি করেছেন, ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন।
তার ভাষায়, “আজকে মহা আনন্দের দিন। আজকে নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন।”
“সারাদিনব্যাপী আমরা এই জন্মদিন উৎসব পালন করব” বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
রাজধানীর গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেওয়া শেষে তিনি আরও বলেন, “আজ থেকে আমরা প্রতিটি পদে নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টির সুযোগ পেলাম। আজ জন্মদিন পালন করি আমরা, দিনব্যাপী উৎসব করি। জাতির সবাই মিলে উৎসব করি এবং এটা নিশ্চিত হবে গণভোটটা দিয়ে।”
তার এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর বাংলাদেশের নতুন করে জন্ম নেওয়ার কিছু নেই বলে মনে করেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাবির মুস্তফা।
তিনি আলাপকে বলেন, “একটা নির্বাচন হচ্ছে, নির্বাচন হয়ে নতুন সরকার গঠন হবে। নতুন বাংলাদেশের জন্মদিনের কী আছে? বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ১৯৭১ সাল থেকে স্বাধীন হয়ে পৃথিবীর মানচিত্রে আছে। নতুন করে জন্ম নেওয়ার কিছু নাই।”
২৬শে মার্চই বাংলাদেশের জন্মদিন উল্লেখ করে সাবির মুস্তফা বলেন, “বাংলাদেশের জন্মদিন হচ্ছে ২৬শে মার্চ, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ নয়।”
চাইলেও বাংলাদেশের জন্মদিন বদলানো যাবে না বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
সাবির মুস্তাফা বলেন, “উনি যদি বাংলাদেশের জন্মদিন বদলাতে চানও। উনি সফল হবেন না।”
এ ধরনের কথা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সারক্ষণই বলেন বলে মনে করেন সাবির মুস্তফা।
তিনি জুলাই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের দিন প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “জুলাই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের দিন তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ এখন বর্বরতার যুগ থেকে সভ্য যুগে প্রবেশ করল’। একটি কাগজে সই দিয়ে আমি সভ্য হয়ে গেলাম?”
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. আব্দুন নূর তুষারও মনে করেন এমন অনেক ধরনের কথাই প্রধান উপদেষ্টা বলেন যেটা আসলে তিনি ভুলে যান।
তার ভাষায়, “উনি এমন নানান কথাবার্তা বলেন। আমার ধারণা উনি সকালে যেটা বলেন বিকালে সেটা ভুলে যান।”
প্রধান উপদেষ্টার এমন কয়েকটি বক্তব্যের উদারণ টেনেছেন তিনিও।
আব্দুন নূর তুষার বলেন, “উনি অনেক ধরনের অনেক কথা বলেন, উনি একবার বাংলাদেশকে রিসেট করিয়েছেন। উনি মবকে সেলিব্রেশন বলেছিলেন।”
বাংলাদেশের জন্মদিনের মতো বক্তব্যগুলো ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘বাকওয়াস’ বলে মনে করেন সাবির মুস্তফা।
“ড. ইউনূস, উনি আবার একটু ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে কথা বলেন। তিলকে তাল করতে তিনি পছন্দ করেন। এখন নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন মানেটা কী,” প্রশ্ন রেখেছেন এই সাংবাদিক।