ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা বন্ধে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস
বুধবার ২১৫-২০৮ ভোটে অনুমোদিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন না দিলে ট্রাম্পকে ইরান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৫ এএমআপডেট : ০৪ জুন ২০২৬, ১১:৩৫ এএম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাব পাস করেছে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাব পাস করেছে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ। রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত কক্ষেই চার রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয, বুধবার ২১৫-২০৮ ভোটে অনুমোদিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন না দিলে ট্রাম্পকে ইরান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।
প্রায় তিন মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধ নিয়ে রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেও অস্বস্তি বাড়ছে। সেই অসন্তোষই এবার প্রতিনিধি পরিষদের ভোটে প্রকাশ্যে উঠে এসেছে। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন রিপাবলিকান সদস্য টম ব্যারেট, ওয়ারেন ডেভিডসন, ব্রায়ান ফিটজপ্যাট্রিক ও থমাস ম্যাসি।
যদিও প্রস্তাবটি এখনই আইনে পরিণত হচ্ছে না। কার্যকর হতে হলে সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন। তবুও রাজনৈতিকভাবে এই ভোটকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে, কারণ সামরিক অভিযান শুরুর পর এটিই প্রথমবার যখন ট্রাম্পের নিজ দলের সদস্যরা প্রকাশ্যে তার যুদ্ধনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। তাদের দাবি, মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের নয়, কংগ্রেসের হাতে।
প্রস্তাবটির উদ্যোক্তা ও প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য গ্রেগরি মিকস ভোটের পর বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি অনির্দিষ্টকালীন যুদ্ধ চান না তারা।
ইরান যুদ্ধের প্রভাব ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি, খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধিকে সামনে এনে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা জোরদার করেছে।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানো হচ্ছে। তাদের দাবি, তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
তবে প্রতিনিধি পরিষদের সর্বশেষ ভোট ইঙ্গিত দিচ্ছে, যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, ততই প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত নিয়ে কংগ্রেসে প্রশ্ন বাড়ছে। সিনেটে একই ধরনের একটি প্রস্তাবের ভবিষ্যৎ ভোট এখন তাই ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা বন্ধে প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাব পাস
বুধবার ২১৫-২০৮ ভোটে অনুমোদিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন না দিলে ট্রাম্পকে ইরান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাব পাস করেছে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ। রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত কক্ষেই চার রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয, বুধবার ২১৫-২০৮ ভোটে অনুমোদিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন না দিলে ট্রাম্পকে ইরান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।
প্রায় তিন মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধ নিয়ে রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেও অস্বস্তি বাড়ছে। সেই অসন্তোষই এবার প্রতিনিধি পরিষদের ভোটে প্রকাশ্যে উঠে এসেছে। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন রিপাবলিকান সদস্য টম ব্যারেট, ওয়ারেন ডেভিডসন, ব্রায়ান ফিটজপ্যাট্রিক ও থমাস ম্যাসি।
যদিও প্রস্তাবটি এখনই আইনে পরিণত হচ্ছে না। কার্যকর হতে হলে সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন। তবুও রাজনৈতিকভাবে এই ভোটকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে, কারণ সামরিক অভিযান শুরুর পর এটিই প্রথমবার যখন ট্রাম্পের নিজ দলের সদস্যরা প্রকাশ্যে তার যুদ্ধনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। তাদের দাবি, মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের নয়, কংগ্রেসের হাতে।
প্রস্তাবটির উদ্যোক্তা ও প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য গ্রেগরি মিকস ভোটের পর বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি অনির্দিষ্টকালীন যুদ্ধ চান না তারা।
ইরান যুদ্ধের প্রভাব ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি, খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধিকে সামনে এনে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা জোরদার করেছে।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানো হচ্ছে। তাদের দাবি, তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখাই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
তবে প্রতিনিধি পরিষদের সর্বশেষ ভোট ইঙ্গিত দিচ্ছে, যুদ্ধ যত দীর্ঘ হচ্ছে, ততই প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত নিয়ে কংগ্রেসে প্রশ্ন বাড়ছে। সিনেটে একই ধরনের একটি প্রস্তাবের ভবিষ্যৎ ভোট এখন তাই ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।
বিষয়: