প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৫ পিএমআপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৫ পিএম
মৃত্যুর পর মানুষের শেষ ঠিকানা কবর কিংবা চিতা। মৃত মানুষকে সব সমাজেই সম্মানের সাথে বিদায় দেওয়া হয়। এটাই সভ্যতার রীতি। কিন্তু মৃত্যুর পরও যদি একটা মরদেহ কারও যৌন লালসার শিকার হয়, তাহলে মরদেহের নিরাপত্তা কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আলাপ-এর অনুসন্ধানে এমন কিছু তথ্য উঠে এসেছে, যা অস্বস্তিকর, ভয়াবহ এবং বিকৃত মানসিকতার নিকৃষ্ট দৃষ্টান্ত। বিষয়টার নাম নেক্রোফিলিয়া। বাংলায় বলা হয় মৃতকামিতা, মানে মৃতদেহের প্রতি যৌন আকর্ষণ। একজন নারীর মরদেহ মর্গে পড়ে আছে আর এক বা একাধিক লোক তার সাথে যৌনাচার করছে।
২০২৫ সালের নভেম্বরে ঢাকায় এক নারীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে আনা হয়। সেদিন ময়নাতদন্ত শেষ হয়নি বলে লাশ মর্গেই রাখা ছিলো। ময়নাতদন্তের সময় ফরেনসিক চিকিৎসকদের চোখে অস্বাভাবিক কিছু ধরা পড়ে। সিআইডি’র ল্যাব পরীক্ষায় ওই নারীর মরদেহে একাধিক পুরুষের শুক্রাণু মেলে।
ওই প্রতিবেদনের কপি আলাপ-এর কাছে রয়েছে।নাম পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে অন্তত তিনজন চিকিৎসক আলাপ-এর সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা জানান, গত এক বছরে ময়নতদন্তের সময় বেশ কয়জন নারীর মরদেহে তারা সন্দেহজনক বস্তুর উপস্থিতি পেয়েছেন। তাদের মতে, সবকিছু বিবেচনা করলে এটা বুঝতে বাকি থাকে না যে এই মর্গেই লাশের সঙ্গে যৌনাচার হয়েছে। এমন আরো বেশ কয়েকটি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। বারবার একই ধরনের ঘটনা সামনে আসা, এগুলো শুধু কোনো একজনের বিকৃত আচরণের ব্যাপার না। এর সঙ্গে মর্গের ব্যবস্থাপনা, নজরদারি, জবাবদিহি, তদন্ত আর শাস্তির প্রশ্নও জড়িয়ে আছে।
ঢাকায় মরদেহের সঙ্গে বিকৃত যৌ'নাচার
মৃত্যুর পর মানুষের শেষ ঠিকানা কবর কিংবা চিতা। মৃত মানুষকে সব সমাজেই সম্মানের সাথে বিদায় দেওয়া হয়। এটাই সভ্যতার রীতি। কিন্তু মৃত্যুর পরও যদি একটা মরদেহ কারও যৌন লালসার শিকার হয়, তাহলে মরদেহের নিরাপত্তা কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আলাপ-এর অনুসন্ধানে এমন কিছু তথ্য উঠে এসেছে, যা অস্বস্তিকর, ভয়াবহ এবং বিকৃত মানসিকতার নিকৃষ্ট দৃষ্টান্ত। বিষয়টার নাম নেক্রোফিলিয়া। বাংলায় বলা হয় মৃতকামিতা, মানে মৃতদেহের প্রতি যৌন আকর্ষণ। একজন নারীর মরদেহ মর্গে পড়ে আছে আর এক বা একাধিক লোক তার সাথে যৌনাচার করছে।
২০২৫ সালের নভেম্বরে ঢাকায় এক নারীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে আনা হয়। সেদিন ময়নাতদন্ত শেষ হয়নি বলে লাশ মর্গেই রাখা ছিলো। ময়নাতদন্তের সময় ফরেনসিক চিকিৎসকদের চোখে অস্বাভাবিক কিছু ধরা পড়ে। সিআইডি’র ল্যাব পরীক্ষায় ওই নারীর মরদেহে একাধিক পুরুষের শুক্রাণু মেলে।
ওই প্রতিবেদনের কপি আলাপ-এর কাছে রয়েছে।নাম পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে অন্তত তিনজন চিকিৎসক আলাপ-এর সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা জানান, গত এক বছরে ময়নতদন্তের সময় বেশ কয়জন নারীর মরদেহে তারা সন্দেহজনক বস্তুর উপস্থিতি পেয়েছেন। তাদের মতে, সবকিছু বিবেচনা করলে এটা বুঝতে বাকি থাকে না যে এই মর্গেই লাশের সঙ্গে যৌনাচার হয়েছে। এমন আরো বেশ কয়েকটি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। বারবার একই ধরনের ঘটনা সামনে আসা, এগুলো শুধু কোনো একজনের বিকৃত আচরণের ব্যাপার না। এর সঙ্গে মর্গের ব্যবস্থাপনা, নজরদারি, জবাবদিহি, তদন্ত আর শাস্তির প্রশ্নও জড়িয়ে আছে।