ভিক্টিমকে দোষী বানানোই কি সোশ্যাল মিডিয়া আর সংবাদমাধ্যমের কাজ?
প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৩ পিএমআপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
কিশোরী তাজমিন ধ'র্ষ'ণ ও হ'ত্যা'কাণ্ডের নির্মম ঘটনার পর থেকে চলছে আলোচনা। এরই মধ্যে পুলিশ খু'নের দায়ী অভিযুক্তকে গ্রে'প্তার করেছে। তাজমিনের নির্মম হ'ত্যা'কাণ্ডের পর থেকে গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমের প্রচারণা প্রশ্নবিদ্ধ।
অপরাধ ও অপরাধীকে নয়, বরং ভিক্টিমের কর্মকাণ্ড এবং তার বিভিন্ন ঘটনাকে বিভিন্ন আঙ্গিকে তীর্যকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
যে কোনো অপরাধমূলক ঘটনায় ভিক্টিমকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর বক্তব্য এবং আচরণ গণমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে এখন নিয়মিতই করা হয়ে থাকে।
এই ধরনের ঘটনাগুলো পুঁজি করে তৈরি করা হয় বিভিন্ন রকমের নেতিবাচক বক্তব্য এবং ধারণায় ভরা কনটেন্ট, যেগুলোর মূল উদ্দেশ্য ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে আয় করা।
এই ধরনের আচরণের প্রভাব পড়ছে সমাজের সামগ্রিক চিন্তাধারার ওপর। মানুষ এখন অপরাধের চেয়ে ভিক্টিমের আচরণকে নিয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আর তার ফলশ্রুতিতে মৃত্যুর পরেও এক রকম রেহাই মিলছে না ভিক্টিমের।
ভিক্টিমকে দোষী বানানোই কি সোশ্যাল মিডিয়া আর সংবাদমাধ্যমের কাজ?
কিশোরী তাজমিন ধ'র্ষ'ণ ও হ'ত্যা'কাণ্ডের নির্মম ঘটনার পর থেকে চলছে আলোচনা। এরই মধ্যে পুলিশ খু'নের দায়ী অভিযুক্তকে গ্রে'প্তার করেছে। তাজমিনের নির্মম হ'ত্যা'কাণ্ডের পর থেকে গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমের প্রচারণা প্রশ্নবিদ্ধ।
অপরাধ ও অপরাধীকে নয়, বরং ভিক্টিমের কর্মকাণ্ড এবং তার বিভিন্ন ঘটনাকে বিভিন্ন আঙ্গিকে তীর্যকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
যে কোনো অপরাধমূলক ঘটনায় ভিক্টিমকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর বক্তব্য এবং আচরণ গণমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে এখন নিয়মিতই করা হয়ে থাকে।
এই ধরনের ঘটনাগুলো পুঁজি করে তৈরি করা হয় বিভিন্ন রকমের নেতিবাচক বক্তব্য এবং ধারণায় ভরা কনটেন্ট, যেগুলোর মূল উদ্দেশ্য ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে আয় করা।
এই ধরনের আচরণের প্রভাব পড়ছে সমাজের সামগ্রিক চিন্তাধারার ওপর। মানুষ এখন অপরাধের চেয়ে ভিক্টিমের আচরণকে নিয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আর তার ফলশ্রুতিতে মৃত্যুর পরেও এক রকম রেহাই মিলছে না ভিক্টিমের।