সশস্ত্র হা'মলা, অমুসলিমদের আ'ক্র'মণ, মিটআপ গ্রুপের টার্গেটে আরও কারা?
প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০২ পিএমআপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০২ পিএম
সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন এনক্রিপ্টেড অ্যাপে গ্রুপ খুলে আলোচনা হয়েছে, তারপর মসজিদে একত্রিত হয়েছিলেন ২৩ জন। তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছিল, ওই জমায়েত নিছক কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ দেখা সাক্ষাৎ নয়।
বিদ্যমান সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ‘কুফরি’ আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন বাহিনী, প্রশাসন এবং অমুসলিমদের ওপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে এই নতুন উগ্রবাদী সংগঠন ‘মিটআপ’ গ্রুপ। তাদের দলনেতা মো. শিহাব উদ্দিনসহ ১২ সদস্যকে রিমান্ডে এনে সিটিটিসির দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে সংগঠনের ৮ দফার ভয়াবহ উগ্র মতাদর্শ।
জঙ্গি কর্মকাণ্ডের পুরোনো নেটওয়ার্কই নতুন নামে সচল করেছিলেন তাদের দলনেতা শিহাব উদ্দিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করে কর্মী সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ ও নেতা তৈরি এবং জিহাদ পরিচালনার অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগের অংশ হিসাবে শিহাবের উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠা হয় ‘মিটআপ’ গ্রুপ। পাশাপাশি চলে দেশের বিভিন্ন এলাকা সফর। এমনকি কর্মী সংগ্রহে প্রবাসীদেরও টার্গেট করেছে ‘মিটআপ’ গ্রুপ।
দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আরও গভীর তদন্ত করে পুলিশ তাদের অন্য কোনো সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ততা আছে কী না, তা খতিয়ে দেখছে।
সশস্ত্র হা'মলা, অমুসলিমদের আ'ক্র'মণ, মিটআপ গ্রুপের টার্গেটে আরও কারা?
সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন এনক্রিপ্টেড অ্যাপে গ্রুপ খুলে আলোচনা হয়েছে, তারপর মসজিদে একত্রিত হয়েছিলেন ২৩ জন। তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছিল, ওই জমায়েত নিছক কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ দেখা সাক্ষাৎ নয়।
বিদ্যমান সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ‘কুফরি’ আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন বাহিনী, প্রশাসন এবং অমুসলিমদের ওপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে এই নতুন উগ্রবাদী সংগঠন ‘মিটআপ’ গ্রুপ। তাদের দলনেতা মো. শিহাব উদ্দিনসহ ১২ সদস্যকে রিমান্ডে এনে সিটিটিসির দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে সংগঠনের ৮ দফার ভয়াবহ উগ্র মতাদর্শ।
জঙ্গি কর্মকাণ্ডের পুরোনো নেটওয়ার্কই নতুন নামে সচল করেছিলেন তাদের দলনেতা শিহাব উদ্দিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করে কর্মী সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ ও নেতা তৈরি এবং জিহাদ পরিচালনার অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগের অংশ হিসাবে শিহাবের উদ্যোগেই প্রতিষ্ঠা হয় ‘মিটআপ’ গ্রুপ। পাশাপাশি চলে দেশের বিভিন্ন এলাকা সফর। এমনকি কর্মী সংগ্রহে প্রবাসীদেরও টার্গেট করেছে ‘মিটআপ’ গ্রুপ।
দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আরও গভীর তদন্ত করে পুলিশ তাদের অন্য কোনো সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ততা আছে কী না, তা খতিয়ে দেখছে।