ক্ষতিপূরণের দাম ৯ লাখ, বেঁচে থাকলে কত টাকা আয় করতে পারতেন মেহেদী হাসান?

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

১. ঢাকার বারিধারায় ফুটপাথে বসে বিশ্রাম নেওয়ার সময় বিলাসবহুল এক গাড়ির চাপায় মারা যান ২৪ বছর বয়সী নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান।

২. ঘাতক গাড়িটি এক কিশোর চালালেও, মূল অপরাধীকে আড়াল করতে মামলার এজাহারে তার নাম দেওয়া হয়নি।

৩. পরবর্তীতে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার মুখে পুলিশ সেই অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেফতার করে সংশোধনাগারে পাঠায়।

৪. তবে আইনি প্রক্রিয়ার মাঝেই একপর্যায়ে নিহতের পরিবারকে মাত্র ৯ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে বিষয়টি সমঝোতা করা হয়।

৫. সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী একজন বাংলাদেশির গড় কর্মজীবনে বাৎসরিক আয় প্রবৃদ্ধিসহ প্রায় পাঁচ কোটি টাকা হতে পারে।

৬. এমনকি একবারে অদক্ষ ও সাধারণ নির্মাণশ্রমিক হিসেবে মেহেদীর আর ২৫ বছর কাজ করলেও তার সম্ভাব্য ন্যূনতম আয় হতো অন্তত ৪৫ লাখ টাকা।

৭. জীবনের এই বিশাল অর্থমূল্যের তুলনায় তার পরিবারকে দেওয়া ৯ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ ছিল অত্যন্ত নগণ্য ও অসম।

৮. অভাব, দারিদ্র্য এবং সামাজিক দুর্বলতার কারণে সেই বৈষম্যের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালানোর কোনো সামর্থ্য মেহেদীর পরিবারের ছিল না।

৯. এই ঘটনাটি আমাদের সমাজে একজন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের অমূল্য জীবনের করুণ বাস্তব অর্থমূল্যকে স্পষ্ট করে দেয়।

১০. বাংলাদেশে অনিয়ম ও বিচারহীনতার ভিড়ে সাধারণ মানুষের জীবনের প্রকৃত মূল্য কতো?