মুভি রিভিউ

রইদ: রহস্যের আঁধারে আলোর আল্পনা

সাধুদের জীবনে পাগলীরা বারবার আসে। নানা রূপে আসে। এটা ঘটে এসেছে। ঘটছে। এবং এভাবে ঘটতে থাকবে। নিঃসঙ্গ আদমের জীবনে হাওয়া আসুক, আর হাওয়া খুঁজে নিক রইদকে।

আপডেট : ০১ জুন ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম

“পরে ঈশ্বর কহিলেন, আমরা আমাদের প্রতিমূর্ত্তিতে, আমাদের সাদৃশ্যে মনুষ্য নির্মান করি; আর তাহারা সমুদ্রের মৎস্যদের উপরে, আকাশের পক্ষীদের উপরে, পশুগণের উপরে, সমস্ত পৃথিবীর উপরে ও ভূমিতে গমনশীল যাবতীয় সরীসৃপের উপরে কর্ত্তৃত্ব করুক।” (আদি পুস্তক ১:২৬)

মানবসভ্যতা এক মহাবৃত্ত। ঘূর্ণায়মান এই বৃত্তের ভেতর মানুষের দুটি ঘটনা ঘুরেফিরে আসে—জন্ম আর মৃত্যু। জীবনের উপস্থিতি আর অনুপস্থিতি। বর্তমান-অবর্তমান। এরই ফাঁকে রচিত হয় প্রেম-অপ্রেম। সুসময়-দুঃসময়। টানা-পোড়েন। মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ (২০২৬) তেমনই এক বৃত্তের কথা বলে, বৃত্তের কক্ষপথ ধরে চলা নানাবিধ চলকের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। 

‘রইদ’ বড়পর্দায় যে অলাতচক্র রচনা করে, সেখানে সাধু বারবার হারায় তার প্রাণের সম্পদ, আবার ফিরে পায় তারে। তার জীবনের নারী। পাগলী। পাগলীর কোনো নাম নেই, নিজস্ব সাকিন নেই। পিতৃপ্রদত্ত নাম মুছে গেছে অন্যসব পরিচয়ের ঘষা লেগে লেগে। আছে নতুন পরিচয়, সাধুর বউ। 

roid-bangla-movie

সাধুর আরেক প্রকাশ সেন্ট। সাধু যেন সেন্ট জোসেফ। অনাগত সন্তান নিয়ে কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত, কিন্তু প্লেটোনিক প্রেমের কাছে সেসব দ্বিধা নূহের প্লাবনের মতো ভেসে যায়। থাকে শুদ্ধ দুটি প্রাণ আর গোটাকতক প্রাণী! সেসব হা‍ঁস-মুরগী-গরু-ছাগল-মৎস্য সকলের উপর তাদেরই কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত। যেমনটা ঈশ্বর বলেছিলেন আদিতে। বাণী মোতাবেক চলতে থাকে মানব-মানবীর নিরাভরণ সংসার।

বিশ্বসংসারে তাদের আর কেউ নেই, একে অপরকে ছাড়া। পাগলীর আছে সাধু। আর সাধুর আছে পাগলী। সাধুর অন্তরে কান পাতলে শোনা যাবে: “পাগলী, তোমার সঙ্গে ভয়াবহ জীবন কাটাব/ পাগলী, তোমার সঙ্গে ধুলোবালি কাটাব জীবন/ এর চোখে ধাঁধা করব, ওর জল করে দেব কাদা/ পাগলী, তোমার সঙ্গে দিবানিদ্রা কাটাব জীবন।”

জীবনের ভেতর যখন আরেক জীবনের সম্ভাবনা উঁকি দেয়, তখন পাড়াপ্রতিবেশী কানাঘুষা শুরু করে। কিন্তু দেখবার বিষয় সমাজ থেকে তাকে তাড়িয়ে দেয় না। অথবা পশ্চিমাদের মতো পাঠিয়ে দেয় না কোনো পাগলা গারদে। সমাজের ভেতরেই তাকে ধারণ করার চেষ্টা চলে। 

মনে পড়ে ফ্রানৎস ফানোঁর কথা। দুনিয়ার আর সব ভাগ্যহতদের মতোই এই পাগলী আপন লড়াইটা চালিয়ে যায়। সে হয় তো জানে না তার এই পাগলামী সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য, নিপীড়ন, সহিংসতা, বিচ্ছিন্নতা আর সামাজিক বৈপরীত্যের এক ফল মাত্র। তালের মতো ফল। তালজ্ঞান, তালের জ্ঞান নয়, বরং তার লগে জ্ঞান। যে জ্ঞান আসে অনাদিকালের হৃদয় উৎস হতে। যে জ্ঞান আমাদের বলে: আমরা দুজনে করিয়াছি খেলা/ কোটি প্রেমিকের মাঝে/ বিরহবিধুর নয়নসলিলে,/ মিলনমধুর লাজে--/ পুরাতন প্রেম নিত্যনূতন সাজে।” 

তাইতো আমরা দেখি বিরহ ও মিলনের সুর বেজে ওঠে দিন ও রাতের ছন্দে। প্রতিবারই পাগলীকে নতুন করে পায় সাধু। প্রথমবার হারিয়ে ফিরে পায় অমৃতদাত্রী হিসেবে। যে অমৃত সাধু বৈ আর কেউ পায় না। পান্না চেয়েছিল, কিন্তু পাগলী কৌশলে থালা ফেলে দেয়। নাগু আর এজা নামের দুই বদলোকও চেয়েছিল সেই অমৃত, পাগলী তাদেরকেও তাড়িয়ে দেয়। 

নারী আসে প্রথমে গৃহীনি, তারপর কামিনী, এরপর ঈশ্বরী রূপে। এ তো নারী সম্পর্কিত জ্ঞান। যে জ্ঞান তালের মতো রূপ নিয়ে ধরা থাকে রহস্যময়ীর হাতে। 

দ্বিতীয়বার সাধু তাকে ফিরে পায় কামনার নারী হিসেবে। তৃতীয়বার পাগলী আসে দৈবশক্তির মহা উদ্বোধনের ভেতর দিয়ে। 

তালতাল ‘তাল’ বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ে। কাজেই দেখা যায় নারী আসে প্রথমে গৃহীনি, তারপর কামিনী, এরপর ঈশ্বরী রূপে। এ তো নারী সম্পর্কিত জ্ঞান। যে জ্ঞান তালের মতো রূপ নিয়ে ধরা থাকে রহস্যময়ীর হাতে। 

তাল তো নয়, যেন বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিরহস্য জমাট বেধেছে ওই সোনালি গোলকে। যেন অন্ধকার আর আলোর নিত্যখেলা পুঞ্জীভূত হয়েছে অতি নিরীহ এক মিষ্টি ফলের ভেতর। যে ফল থেকে পিঠা বানাতে নুন লাগে না। সাধুর সাথে পাগলীর প্রেম যেন নুনকে অতিক্রম করে যায়। সকল জৈবিকতা ছাড়িয়ে তারা শ্বাশত প্রেমের কথা আমাদের শোনাতে থাকে। তাই লবণের মতো ভালোবাসার গল্প আমরা দেখি না ‘রইদে’। দেখি “নিখিলের সুখ, নিখিলের দুখ,/ নিখিল প্রাণের প্রীতি,/ একটি প্রেমের মাঝারে মিশেছে/ সকল প্রেমের স্মৃতি—”   

নারী, তার উপর উন্মাদীনি। এই দুই পরিচয়ের ভার, এই দুই সামাজিক নির্মাণের অভিঘাত দিন ও রাত, রোদ আর বৃষ্টির আবর্তে আমাদের সামনে একতাল প্রশ্ন নিয়ে হাজির হয়। কেন পাগলী ফিরে ফিরে আসে, রোদের মতো করে? কেন সাধুর মন আষাঢ়ের মেঘের মতো ঘনকালো ছায়ায় ঢেকে যায় নারীর বিরহে? কেন একই ফল বারবার পতনের শব্দে ফিরে ফিরে আসে? উত্তর একটাই—এটাই জীবনচক্র, এখানেই নিহিত জীবনের সকল রহস্য, যার প্রায় পুরোটাই মানুষের বোধগম্যের বাইরে। 

মানুষ জানে না অনু-পরমাণুর গঠন আর সৌরজগতের গঠনের সাথে এত মিল কেন। মানুষ জানে না গ্রামীণমেলায় একঘেয়ে নাগরদোলার বৃত্তের সাথে কেন এই দুনিয়ার বৃত্তাকার ঘূর্ণনের কক্ষপথ মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। কেনই বা পাগলী আর তাদের স্ত্রী-ছাগলটিও একই সময়ে সন্তানসম্ভাবা হয়।   

কাকতালীয় মনে হতে পারে, কিন্তু সবই রূপক। চিহ্নের সাগরে রূপের ঝিলিক। পাকা তালের বারবার মধ্যাকর্ষণের টানে মাটিতে নেমে আসার বিষয়টিও বারংবার গন্ধম ফল খেয়ে ফেলার রূপক মাত্র। সেই আদি মানব ও মানবী। অ্যাডাম ও ঈভ। ঐশ্বরিক আশীর্বাদে ধন্য জোসেফ-মারিয়া। আর আমাদের সাধু ও পাগলী। 

ইডেনের বাগানে জ্ঞানবৃক্ষের যে ফল আদম গলধকরণ করেছিল, তাতে তার জ্ঞানচক্ষু খুলে যায়। সে বুঝতে শুরু করে নারী কী। যেহেতু সে নিজের শরীর সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হয়, তাই সে নারীকে নিজের কাছ থেকে তফাত করতে শেখে। সে বোঝে দুজনের মিলন ব্যতিরেকে বাঁচা সম্ভব নয়। আদম মূলত ঐশ্বরিক ক্ষমতাধর প্রাণী থেকে সাধারণ মানুষে পরিণত হয়। মাটির মানুষের সকল যাতনা সে ধারণ করে শরীরে ও মনে। 

নারী স্বয়ং প্রকৃতি। ঊষের উদয় হলে যেমন চারিদিক আলোকিত হয়ে ওঠে, তেমনি সাধুর জীবনও বারবার রোদের উষ্ণতায় ভরে ওঠে, প্রকৃতির আগমনে, পাগলীর আবির্ভাবে। এ যেন এক ব্রত।

নির্মাতার মুন্সিয়ানা হলো তিনি আদমের সৃষ্টিতে সরাসরি ঈশ্বরের হাত রাখেননি, রেখেছেন চুরি পরা এক নারীর হাত। শেষ দৃশ্য। সেই পাগলী। সেই নামগোত্রহীন এক অদম্য প্রাকৃতিক শক্তি। যার বিনাশ নেই। যে ফিরে ফিরে আসে। নানা আঙ্গিকে। নানা পরিস্থিতিতে। 

সিস্টিন চ্যাপেলের ছাদে আঁকা আদমকে কয়েক ইঞ্চি দূরত্বে রেখে ডান হাতের ইশারায় প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ঈশ্বর। আর বাম হাতে ধরে রেখেছিলেন অ্যাডামের অর্ধাঙ্গীনি ঈভকে। যে ঈভ তখনো অ্যাডামের কাছে পৌঁছুয়নি, কিন্তু ঈশ্বর তাকে পাঠাবেন। মিকেলাঞ্জেলো বুয়োনারোতির আঁকা সেই ফ্রেস্কোর প্রতিধ্বনি করলেন ‘রইদে’র নির্মাতা, কিন্তু আলগোছে ঈশ্বরের ডানহাতের বদলে বসিয়ে দিলেন এক নারীর হাত। এক ঈশ্বরীর করকমল। যে সরাসরি আবার পুরুষের জীবনকে অর্থবহ করে তুলছে। জীবনকে করে তুলছে ফলপ্রসূ। 

নারী স্বয়ং প্রকৃতি। ঊষের উদয় হলে যেমন চারিদিক আলোকিত হয়ে ওঠে, তেমনি সাধুর জীবনও বারবার রোদের উষ্ণতায় ভরে ওঠে, প্রকৃতির আগমনে, পাগলীর আবির্ভাবে। এ যেন এক ব্রত।

গাছ-গাছালি, পাতার বিন্যাস গলে জীবনের জমিনে রোদের আল্পনা। সে প্রতিবার সঙ্গে নিয়ে আসে সেই পুরাতন বোধ—নারী ছাড়া পুরুষ অর্ধেক। তাই দুজনে মিলেই তারা রচনা করে চলে মানবজীবনের আখ্যান। পোড়া ঘর আবার মেরামত করে। ছাউনি দেয়। একে অপরের জন্য চুলায় রান্না বসায়।

সেবারও পাগলী খুঁজে নিয়েছিল সাধুকে। যুগে যুগে মহাকালের যাত্রার ধ্বনি শুনতে শুনতে নারীই খুঁজে নেয় পুরুষকে। কারণ নারীই তো ধারণ করে, লালন করে, জন্ম দেয়। এগিয়ে নেয় সভ্যতা। তার দায় অনেক। মহাকালের বিপুল দায়িত্ব যে নারীর স্কন্ধেই। তাই তারা কখনো ঈভ, কখনো মারিয়া, কখনো দেবী দুর্গা, কখনো বা স্রেফ পাগলী হয়ে ফিরে ফিরে আসে। নয়তো বিয়ের সময় যে দূর্গাকে বিসর্জন দিতে দেখে সাধু, সেই দুর্গার মাথা কেন ফিরে এসে স্থান করে নেয় সাধুর হাতে? 

নারীত্বের সেই পরম শক্তির রূপ সাধুদের বুঝতে সময় লাগে। এক অপরিসীম ধৈর্য্য আর যাতনার ভেতর দিয়ে নারীশক্তির স্বরূপ নজরে আসে পুরুষের। যখন বিষয়টি আমলে আসে, তখন সে আর প্রকৃতস্থ থাকে না। শক্তির সামনে সকল স্বাভাবিকতা, স্থিরতা ছিন্নভিন্ন হয়ে ছিটকে পড়ে। সাধুরও তাই হয়।

সন্তান জন্ম দেয়ার পর কুলসুম নামের মৃত অজাকে পুরোপুরি ভক্ষণ করে সাধু। যতক্ষণ না সকল গোশত সে গিলে নিচ্ছে, ততক্ষণ সে আত্মপীড়ন করে। যেন প্রাণীটিকে তার রক্তমাংসে মিশিয়ে নিতে চায় সাধু। আত্মহত্যা প্রবণ হয়ে উঠেছিল কি সে? নাকি সেই আদিম অপ্রকৃতস্থ ভোজ দৃশ্যের পেছনে উচ্চারিত হচ্ছিল শ্বেতাশ্বতর উপনিষদের পরিচিত মন্ত্র—অজামেকাং লোহিত-শুক্ল-কৃষ্ণাং? মন্ত্রের অর্থ: এক অনাদি (অজা) সত্তা আছে, যার রূপ লাল, সাদা ও কালো; সে বহুবিধ জীবের উৎপত্তির কারণ।

সাধু কি তবে নিজের শরীরের প্রতিটি কোষে ধারণ করে নিচ্ছিল অজা তথা অনাদি প্রকৃতিকে? মনে করে দেখুন স্ত্রী-ছাগলটি দুগ্ধ ধারণ করছিল। মাতৃরূপেণ। তাকেই নিজের ভেতর ধারণের প্রাণপণ চেষ্টা করছিল সাধু। মহামায়ার রহস্যকে সেই রৌদ্রগত দিনের ঘুটঘুটে অন্ধকারে কি তবে খোদ প্রকৃতিকে পাঠ করছিল সাধু? সে কারণেই কি পরদিন সূর্যালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে ওঠে জ্ঞানের ভাণ্ডার? যা এতদিন কেবল ইশারা আকারে আসছিল সাধুর কাছে? প্রকৃতি স্বয়ং পুরুষকে যে চক্ষুষ্মান করে দিলো সেই দৃশ্যে, তালের বৃষ্টিতে, সে কি তবে সূর্যোদয়ের আগে প্রকৃতিপাঠের ফল?

আমরা এই চলচ্চিত্রে দেখি জীবনের বড় ক্যানভাসে মানবচরিত্রকে মিকেলাঞ্জেলোর মতো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পাঠ করেছেন নির্মাতা। শিরা-উপশিরা, মাংসপেশীকে তিনি বাস্তবের চেয়েও জীবন্ত করে চিত্রিত করেছেন আধুনিক যুগের ফ্রেস্কো প্রেক্ষাগৃহের পর্দাতে। 

হতে পারে। সাধুদের জীবনে পাগলীরা বারবার আসে। নানা রূপে আসে। এটা ঘটে এসেছে। ঘটছে। এবং এভাবে ঘটতে থাকবে। নিঃসঙ্গ আদমের জীবনে হাওয়া আসুক, আর হাওয়া খুঁজে নিক রইদকে, আমাদের খুঁজে নিয়েছে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’। 

আমরা এই চলচ্চিত্রে দেখি জীবনের বড় ক্যানভাসে মানবচরিত্রকে মিকেলাঞ্জেলোর মতো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পাঠ করেছেন নির্মাতা। শিরা-উপশিরা, মাংসপেশীকে তিনি বাস্তবের চেয়েও জীবন্ত করে চিত্রিত করেছেন আধুনিক যুগের ফ্রেস্কো প্রেক্ষাগৃহের পর্দাতে। 

আমরা মুগ্ধ হয়ে মোস্তাফিজুর নূর ইমরান আর নাফিজা তুষিকে দেখি। দেখি তারা পর্দায় নিজেদের দেহকে ছাপিয়ে এক অনন্তের দেহকে ধারণ করে ধাবিত হচ্ছেন পৌরাণিক সত্যের দিকে।

‘রইদে’র চিত্রগ্রাহক জোহায়ের মুসাভবিরের দক্ষতা আলোছায়াকে ধরার পরাকাষ্ঠা স্পর্শ করেছে, আর সেই ধারণকৃত দৃশ্যকে সুরের টানে আরো গীতল করে দেওয়ার যোগ্য দাবিদার হয়েছেন সঙ্গীতপরিচালক রশীদ শরীফ শোয়াইব। ‘রইদে’র পুরো দলই অবশ্য ধন্যবাদার্হ, একেবারেই নতুন ধরনের গল্পের উছিলায় অপূর্ব সব দৃশ্য উপহার দেওয়ার জন্য। 

 

লেখক, চলচ্চিত্র গবেষক